ব্রেকিং:
মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বেওয়া-২ পঞ্চায়েতের নিশিন্দ্রা গ্রামে ভোটার তালিকা ভুয়ো ভোটার। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার উদ্যোগে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা সভা। ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট এমকে ফাইজির গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সামশেরগঞ্জে পথসভা SDPI এর ফের সামশেরগঞ্জের হাউস নগর ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে পথদুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা গাড়িচালকের জামাইবাবুর হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা

সোমবার   ২৬ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১৩ ১৪৩২   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

সর্বশেষ:
জামাইবাবুর হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা
সুপ্রিম কোর্টের রায়েই স্বস্তি, এসআইআর বিতর্কে তৃণমূলের দাবি

সুপ্রিম কোর্টের রায়েই স্বস্তি, এসআইআর বিতর্কে তৃণমূলের দাবি

০২:২০ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

৫ বছর কারাবাস: উমর খালিদ এখনও বিচার শেষ না হওয়ায় জেলেই

৫ বছর কারাবাস: উমর খালিদ এখনও বিচার শেষ না হওয়ায় জেলেই

০৪:০২ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার

শুভেন্দু জানালেন আইনি পদক্ষেপ

শুভেন্দু জানালেন আইনি পদক্ষেপ

০৪:৩৮ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার

হাইকোর্টে আইপ্যাক-ইডি শুনানি

হাইকোর্টে আইপ্যাক-ইডি শুনানি

০৩:৫৩ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার

হাইকোর্টে CBI তদন্ত দাবি শুভেন্দুর

হাইকোর্টে CBI তদন্ত দাবি শুভেন্দুর

০১:০০ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার

শুভ্রাংশু রায় চান পদক্ষেপ

শুভ্রাংশু রায় চান পদক্ষেপ

০৩:৩১ পিএম, ৪ জানুয়ারি ২০২৬ রোববার

ব্রিগেডে ১০ লক্ষের চ্যালেঞ্জ হুমায়ুনের

ব্রিগেডে ১০ লক্ষের চ্যালেঞ্জ হুমায়ুনের

০৬:২৮ পিএম, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার

রানিবাঁধে BLO-র মৃত্যু

রানিবাঁধে BLO-র মৃত্যু

০৬:২৩ পিএম, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার

সিলেটে ভারতীয় উপদূতাবাসে কড়া প্রহরা

সিলেটে ভারতীয় উপদূতাবাসে কড়া প্রহরা

০২:০৫ পিএম, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ রোববার

কুর্মি ভোটে নজর, ২০২৭ ঘিরে এসপি–বিজেপির কৌশল

কুর্মি ভোটে নজর, ২০২৭ ঘিরে এসপি–বিজেপির কৌশল

০৬:৪৭ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ বুধবার

রাহুলের অভিযোগ, অশোভন শব্দ ব্যবহার করলেন অমিত শাহ

রাহুলের অভিযোগ, অশোভন শব্দ ব্যবহার করলেন অমিত শাহ

০৬:৩৯ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ শুক্রবার

রাহুলের অভিযোগ, অশোভন শব্দ ব্যবহার করলেন অমিত শাহ

রাহুলের অভিযোগ, অশোভন শব্দ ব্যবহার করলেন অমিত শাহ

০৬:৩৬ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ শুক্রবার

হুমকি শ্রীরূপার, SIR না হলে বাংলায় হবে না ভোট

হুমকি শ্রীরূপার, SIR না হলে বাংলায় হবে না ভোট

১২:০৩ পিএম, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার

পটাশপুরে বিজেপি ছাড়লেন ৬০ পরিবার, তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তম বারিকের হাত ধরে
উত্তম বারিকের হাতে পতাকা তুলে নিলেন ৬০ পরিবার

পটাশপুরে বিজেপি ছাড়লেন ৬০ পরিবার, তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তম বারিকের হাত ধরে

পটাশপুরের শাউথখণ্ডায় বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যা কবিতা জানার নেতৃত্বে প্রায় ৬০টি পরিবার সোমবার তৃণমূলে যোগ দিলেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন পটাশপুরের বিধায়ক উত্তম বারিক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার মাইতি, অঞ্চল প্রধান বিজন বন্ধু বাগ, জেলা পরিষদ সদস্যা প্রনতি আচার্য দাসসহ তৃণমূলের একাধিক নেতৃত্ব।

 

যোগদানকারীরা জানান, তৃণমূল সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে ভরসা করেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিজেপি দলে থেকে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যকর হচ্ছিল না বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

 

উত্তম বারিক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শাউথখণ্ডা আগামী দিনে আরও উন্নত হবে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, এই যোগদান তৃণমূলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ক

রবে।

১০:৫০ পিএম, ২৬ আগস্ট ২০২৫ মঙ্গলবার

মানুষের রায় মেনে নিচ্ছি, বিজেপিকে অভিনন্দন!: কেজরী

মানুষের রায় মেনে নিচ্ছি, বিজেপিকে অভিনন্দন!: কেজরী

০৩:৩১ পিএম, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার

অর্জুনের বাড়িতে হাজির হল পুলিশ

অর্জুনের বাড়িতে হাজির হল পুলিশ

১১:৪৮ এএম, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ শনিবার

রাজনীতিতে অসতের প্রবেশ,প্রতিবাদী না হলে সমূহ বিপদ

রাজনীতিতে অসতের প্রবেশ,প্রতিবাদী না হলে সমূহ বিপদ

রাজনীতিতে অসতের প্রবেশ,

১০:২০ এএম, ৯ নভেম্বর ২০২৪ শনিবার

ভারতের মূল সুর  বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য আজ প্রশ্নের মুখে

ভারতের মূল সুর বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য আজ প্রশ্নের মুখে

ভারতের মূল সুর বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য আজ প্রশ্নের মুখে   

 

 মনিরুজ্জামান (শিক্ষক জঙ্গিপুর হাই স্কুল)            

ভারতীয় জীবন ও সংস্কৃতির মূল মন্ত্র হলো বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য । সম্প্রতি আমরা লক্ষ্য করছি এই মূলমন্ত্র কিছু উগ্র সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রনায়কদের দ্বারা লঙ্ঘিত হচ্ছে । কবির ভাষায় ভারতের অন্তরের মূল সুর ধ্বনিত হয়েছে "--নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান" । ভারত নামক তীর্থক্ষেত্রে শক, হুন, পাঠান, মোগল এক দেহে লীন হয়ে গিয়েছে । বিভিন্ন জনগোষ্ঠী তাদের স্বতন্ত্র কৃষ্টি-কালচার নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করে আসছে। আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা ভারতীয় । বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আমাদের গর্ব ও কম নয় । 

 

কিন্তু সমস্যা তখন দেখা যায় যখন গণতন্ত্রের চাবি উগ্র সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রনায়কদের হাতে চলে যায় । গোটা বিশ্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এর সত্যতার সহজে উন্মোচিত হয় । যেমনি হিটলার, মুসোলিনি, গ্যারিবল্ডি, এরা মানবতার চরম অবক্ষয় ঘটেয়েছে । গত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে ,ভারতের সংবিধান স্বীকৃত মিলন মেলার মিষ্টি সুর , কোথাও যেন অন্তর্হিত হচ্ছে । রাষ্ট্র যদি জাতীয়তা বোধ জাগ্রত করার পরিবর্তে মানুষে মানুষ বিদ্বেষ ছড়ায় তাহলেই মানবিক অবমূল্যায়ন শুরু হয় । দেশের অগ্রগতি ও পশ্চাৎপদতা নির্ভর করছে রাষ্ট্রের উপর । তবে অগ্রগতির স্বরূপটা এক এক জনের কাছে একেক রকম । পৃথিবী যখন এগিয়ে চলেছে তখন কেউ যদি প্রাচীন সংস্কৃতি নিয়ে এগোতে চায় তবে সেটা হবে মুর্খামি । বিজ্ঞানকে অস্বীকার করে অগ্রগতি কোনোভাবেই সম্ভব নয় । কোন রাষ্ট্রপ্রধান যদি একটি মন্দির, একটি স্ট্যাচু ও গরুর গোবর ও মূত্র নিয়ে গবেষণা করে ভাবে বিরাট কাজ করেছি তবে সে মূর্খের স্বর্গে বসবাস করছে ।

 

মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে । তন্মধ্যে সবচেয়ে বড় কারন হলো ধর্মীয় সংকীর্ণতা । নিজের ধর্মের প্রতি অনুরাগ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু তার পরিণতিতে পরও ধর্মের প্রতি বিদ্বেষের ফল হয় মারাত্মক । আমাদের দেশে এরকম ঘটনা বেশি ঘটে । দায়িত্বজ্ঞানহীন ও প্রকৃত ধর্মীয় বোধহীন কিছু ধর্মীয় নেতা সাধারণ মানুষের মধ্যে সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িকতা জাগিয়ে তোলে । ওইসব নেতা তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির জন্য এই ধরনের কাজ করে থাকে । তার ফল হয় মারাত্মক । মনে রাখতে হবে ধর্মীয় ভাইরাস কোভিড ১৯ এর চেয়েও ভয়ানক । ফলস্বরূপ গুজরাট দাঙ্গার বীভৎস রূপ আমাদের কাছে উন্মোচিত হয়েছে । সম্প্রতি দিল্লি দাঙ্গা বিশ্ববাসীকে হতবাক করে দিয়েছে । এছাড়া ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের প্রায়ই ছোটখাটো দাঙ্গার খবর পাওয়া যাচ্ছে । নিজের ধর্ম অপরে উপরে চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে । কে কি খাবে ,কোন পোশাক পরিধান করবে ,কোন ভাষায় কথা বলবে ,কাকে বিয়ে করবে --এগুলো একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার ।রাষ্ট্রের এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা সমীচীন নয় ।ধর্মের ষাঁড়েরা সাধারণ মানুষকে যেখানে-সেখানে পিটিয়ে মারছে । এক্ষেত্রে বেশিরভাগ ষাঁড়দের শিকার হচ্ছে মুসলিম ও দলিত সম্প্রদায়ের মানুষজন । উত্তর প্রদেশ বিহার মধ্যপ্রদেশ রাজস্থান এমনকি কর্নাটকে এই ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে । সরকারের প্রচ্ছন্ন মদত না থাকলে এতগুলো মানুষ মারা যেত না । মানুষকে পিটিয়ে মেরে, তার ভিডিও করে নেট দুনিয়ায় ছেড়ে দিচ্ছে তবুও তারা উপযুক্ত শাস্তি পাচ্ছে না । নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার পরেও পুলিশের ভূমিকা আমাদের আহত করেছে । গরু কে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে । গরুকে কেউ পূজো করতেই পারে, তাকে মা বলতেও পারে,Q1 তাতে কারো কোনো আপত্তি থাকার কথা নয় । কিন্তু গরুর মাংস খাওয়া নিয়ে যে ধরনের ঘটনা ঘটছে তা কোনভাবেই অভিপ্রেত নয়। ফ্রিজে মাংস থাকলে বা কারো ব্যাগে মাংস থাকলে তাকে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে, এটা কোন সভ্য সমাজে চলতে পারে না।

 

 

রাষ্ট্রের কাজ প্রতিটি নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া । সরকার কি পেরেছে সুরক্ষা দিতে ? বিজেপি শাসিত মণিপুরে দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চলছে। ইতিমধ্যে কয়েকশো মানুষ মারা গিয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষ গৃহ ছাড়া ।ভারতের প্রধানমন্ত্রী সেখানে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি।উত্তরপ্রদেশ যেন প্রাচীন যুগে ফিরে গেছে । দলিতদের প্রতি অমানবিক অত্যাচার চরম হারে বেড়ে গিয়েছে । কাউকে ধর্ষন করে পুড়িয়ে দিচ্ছে, কাউকে পিটিয়ে হত্যা করছে ,রীতিমতো জঙ্গল রাজ চলছে । অপরদিকে আসামে প্রায় ১৯ লক্ষ মানুষ এনআরসির নামে অসহ্য কষ্টের মধ্যে দিন পার করছে । সরকার ইউএপিএ নামক একটি আইন তৈরি করেছে । হাজার হাজার কাশ্মীরি কে এই আইনে জেলে পুরেছে; এগুলো কি অমানবিক নয় ? যারা কৃষি বিল নিয়ে আন্দোলন করছে তাদের কেউওএই আইনে গ্রেফতার করা হচ্ছে । যে সমস্ত শিল্পী,সাহিত্যিক, সমাজকর্মী ,সাংবাদিক ,সরকারের অমানবিক কর্মসূচির সমালোচনা করছে তাদের কেউও এই আইনে গ্রেফতার করা হচ্ছে । ভারতবর্ষের বুদ্ধিজীবীদের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হয়েছে । সরকার সিবিআই , ইডি , এনআইএ , এর মত সংস্থাগুলোকে নিজের মতো করে কাজে লাগাচ্ছে । সিবিআই সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি লোধা মন্তব্য করেছিলেন "সিবিআই খাঁচায় বন্দী তোতা পাখি" । মানুষ সঠিক বিচার পাচ্ছে না । ভীম করে গাও ;গুজরাট, দিল্লির গণহত্যার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার কদর্য রূপ আমরা দেখেছি । ইসরাত জাহান এর বিচার প্রক্রিয়া ও আমরা দেখেছি । ইউএপিএ ধারায় যে সমস্ত মানুষগুলোকে গ্রেপ্তার করছে তার বেশিরভাগই নির্দোষ । ১০০০০ জনকে গ্রেপ্তার করলে দোষ প্রমাণিত হয় মাত্র ২০০ জনের । অর্থাৎ 2%। । জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কেউও সরকার নিয়ন্ত্রণ করছে । সরকারের সম্পদ কয়েকটি কর্পোরেট সংস্থার হাতে তুলে দিয়ে অর্থনৈতিক বৈষম্য তৈরী করা হয়েছে । সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া । ৩৫ টাকা লিটারের পেট্রোল ১০০ টাকার দামের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে । কয়েক জন মানুষ ব্যাংকের সমস্ত টাকা লুট করে বিদেশে পালিয়ে গেছে । তার ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে আপামর সাধারণ মানুষকে । ইজরাইল থেকে পেগাসাস এর সাহায্যে বিরোধী রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিকদের ফোন হ্যাক করা হচ্ছে । সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আজকে তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে । মানুষ যাবে কোথায় ? ইতিমধ্যে বিজেপি শাসিত কয়েকটি রাজ্যে ইউনিফর্ম সিভিল কোড অর্থাৎ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাভ করা হয়েছে ।ভারতের মতো দেশে এই ধরনের আইন কোনোভাবে প্রযোজ্য নয়। এক্ষেত্রে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ।পারস্পারিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে মূল সুর তাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিতে চাইছে । আমাদের উদ্দেশ্য হবে unity in diversity অর্থাৎ বৈচিত্রের মধ্যে ভারত আত্মার অন্তরের যে ঐক্য ও সমন্বয়ের সুর নিহিত আছে তাকে ধারণ করায় হলো আমাদের মূল লক্ষ্য ।

 

           

 

০৮:৩৪ এএম, ৩০ জুন ২০২৪ রোববার

ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র ও পরিবারহীনতা

ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র ও পরিবারহীনতা

ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র ও পরিবারহীনতা 
মজিবুর রহমান, প্রধানশিক্ষক, কাবিলপুর হাইস্কুল 

       বিশ্বজুড়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় রাজতন্ত্র ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ শাসনের সূচনার মধ্য দিয়ে ভারতে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে। তবে স্বাধীন ভারতে কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের উত্থান ঘটতে দেখা যায়। বিগত সাড়ে সাত দশকে পরিবারতন্ত্র বেড়েছে বৈ কমেনি।যা একসময় ছিল একান্তই কংগ্রেসী ব্যাপার তা এখন বহু সংখ্যক দলের মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে পরিবারতন্ত্র রাজনীতিতে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করছে। পরিবারতন্ত্রের পাশাপাশি পরিবারকে পরিহার করে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্তরেই রাজনীতিকে সীমাবদ্ধ রাখার একটা উল্লেখযোগ্য দিকও রয়েছে। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক ব্যক্তিটির রাজনীতির সঙ্গে তাঁর বৌ-বাচ্চাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
        রাজনৈতিক মতাদর্শের সাথে পরিবারকে একদমই না জড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলেন কমিউনিস্ট নেতা জ্যোতি বসু (১৯১৪-২০১০)। জ্যোতি বসুর পিতা চাননি তাঁর ব্যারিস্টার পুত্র আইনজীবী না হয়ে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হোন। চল্লিশের দশকে অবিভক্ত বাংলা তথা ভারতে বামপন্থী রাজনীতির কোনো ভবিষ্যৎ ছিল না। কিন্তু মার্ক্সবাদী ভাবনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ব্যক্তিগত সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের কথা চিন্তা না করে জ্যোতি বসু কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত হন। পরবর্তীকালে সাড়ে তেইশ বছর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের একজন অগ্ৰগণ্য কমিউনিস্ট নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের সাথে তাঁর সন্তানের কোনো সম্পর্ক থাকতে দেখা যায়নি। 'সর্বহারার নেতা' জ্যোতি বসুর পুত্র চন্দন বসু (১৯৫২-) শিল্পপতি হয়েছেন। পিতা 'নাস্তিক' হলেও পুত্র ভীষণ ঈশ্বর বিশ্বাসী, কালী ভক্ত।তাই তিনি আড়াই কেজি ওজনের সোনার খাঁড়া প্রণামী দেন। আরেক কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (১৯৪৪-) সন্তানকেও কোনদিন রাজনৈতিক মঞ্চে অবস্থান করতে দেখা যায়নি। অনিল বিশ্বাস একজন দক্ষ সংগঠক ছিলেন। সিপিআই(এম)-এর রাজ্য সম্পাদক ও মুখপত্র গণশক্তির সম্পাদক হিসেবে অনিল বিশ্বাসের (১৯৪৪-২০০৬) অবদানের কথা আজও পার্টির অভ্যন্তরে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাঁকে মাঝেমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি সম্পর্কে অত্যন্ত কড়া মন্তব্য করতে শোনা গেছে। কিন্তু অনিল-তনয়া অধ্যাপক অজন্তা বিশ্বাস তৃণমূলের মুখপত্রে মমতা ব্যানার্জির প্রশংসা লিখতে দ্বিধাবোধ করেননি। অবশ্য এর পরিণতিতে তাঁর সঙ্গে সিপিএমের সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে।
        ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের উদ্ভব হয়েছে নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে। এলাহাবাদের প্রখ্যাত আইনজীবী মতিলাল নেহরু (১৮৬১-১৯৩১) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন বিশিষ্ট নেতা ছিলেন। তিনি ১৯১৯ ও ১৯২৮ সালে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। পুত্র জওহরলাল (১৮৮৯-১৯৬৪) ও কন্যা বিজয়লক্ষ্মী (১৯০০-১৯৯০) প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষ করে রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯২৯ সালে কংগ্রেস সভাপতির পদে জওহরলাল মতিলালের স্থলাভিসিক্ত হন। পরে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং আমৃত্যু ওই পদে বহাল থাকেন। বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিত গণপরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আয়ারল্যান্ড ও স্পেনে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ও লোকসভার সদস্য ছিলেন। জওহরলাল নেহরুর পত্নী কমলা নেহরুও (১৮৯৯-১৯৩৬) স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে কারাবাস ভোগ করেন। জওহরলাল ও কমলার কন্যা ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী (১৯১৭-১৯৮৪) ১৯৪২ সালে ফিরোজ গান্ধীর (১৯১২-১৯৬০) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে স্বামীর পদবী গ্ৰহণ করেন। ফিরোজ গান্ধীও রাজনীতি করতেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে কারাবাস ভোগ করেন এবং ১৯৫২ ও '৫৭ সালে লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। এই রকম একটা গৃহ পরিবেশের মধ্যে বেড়ে ওঠা ইন্দিরা অন্য কোনো পেশায় নিয়োজিত না হয়ে রাজনীতিতে চলে আসেন। ১৯৫৯ সালে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভানেত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ সালে জওহরলাল নেহরুর জীবনাবসানের অব্যবহিত পরেই তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ পদ প্রদান করা হয় এবং তিনি লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মন্ত্রিসভায় তথ্য ও সম্প্রচার দপ্তরের মন্ত্রী নিযুক্ত হন। পরে পনের বছর (২৪.১.৬৬-২৪.৩.৭৭ ও ৯.৩.৮০-৩১.১০.৮৪) প্রধানমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করেন। ফিরোজ-ইন্দিরার দুই পুত্র রাজীব (১৯৪৪-১৯৯১) ও সঞ্জয়ও (১৯৪৬-১৯৮০) পারিবারিক ঐতিহ্য বজায় রেখে রাজনীতিতে যোগ দেন। প্রথমে আসেন সঞ্জয় গান্ধী। তিনি ১৯৮০ সালের লোকসভা নির্বাচনে আমেথি কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন।ওই বছর ২৩শে জুন কপ্টার দুর্ঘটনায় সঞ্জয়ের মৃত্যু হলে ইন্দিরা গান্ধী তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে রাজীব গান্ধীকে নিয়ে আসেন। রাজনীতিতে যোগদানের আগে তিনি ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমানচালক ছিলেন। ১৯৮১ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে আমেথি কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে জয়লাভ করে সাংসদ হন। ১৯৮৪ সালের ৩১শে অক্টোবর ইন্দিরা গান্ধী নিহত হলে রাজীব গান্ধী ৪০ বছর বয়সে ৩ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যভার গ্রহণ করেন। ওই বছরই ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেস রেকর্ড সংখ্যক ৪১১টি আসনে জয়লাভ করে এবং প্রত্যাশিতভাবেই প্রধানমন্ত্রীর পদে তিনি পুনর্নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দল সরকার গঠন করতে ব্যর্থ হয় এবং ১৯৯১ সালের ২১শে মে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন তামিলনাড়ুর শ্রীপেরামবুদুরে বোমা বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন। রাজীব গান্ধীর নিহত হবার পর কিছুদিনের জন্য ভারতীয় রাজনীতিতে নেহরু-গান্ধী পরিবারের কোনো প্রতিনিধি ছিল না। ১৯৯৮ সালে রাজীবের ইতালীয় পত্নী সোনিয়া গান্ধী (১৯৪৬-) কংগ্রেসের সভানেত্রী রূপে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। তিনি ১৯৯৯ সাল থেকে সাংসদ রয়েছেন।রাজীব-সোনিয়ার পুত্র রাহুল গান্ধীও (১৯৭০-) কংগ্রেসের একজন অতি গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি ২০০৪ সাল থেকে লোকসভার সাংসদ আছেন। তাঁর বোন প্রিয়ঙ্কা গান্ধীও (১৯৭২-) এখন লোকসভার সদস্য হওয়ার পথে। সঞ্জয় গান্ধীর স্ত্রী মানেকা গান্ধী (১৯৫৬-) একাধিকবার সাংসদ ও মন্ত্রী হয়েছেন। পুত্র বরুণ গান্ধী (১৯৮০-) ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত লোকসভার সাংসদ ছিলেন। তাঁরা মা-ছেলে অবশ্য কংগ্রেস নয়, বিজেপি করেন। কংগ্রেস কোনদিনই নেহরু-গান্ধী পরিবারের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেনি। দু'একজন নেতা চেষ্টা করলেও সফল হননি, হয়তো দল ছেড়ে চলে গেছেন অথবা আলাদা দল গঠন করেছেন। কিন্তু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস জওহরলাল নেহরুর উত্তর পুরুষদের নিয়ন্ত্রণেই থেকেছে। 
      ১৯৪৯ সালে স্থাপিত দ্রাবিড় মুনেত্র কাজগম (ডিএমকে)-এর ১৯৬৯ সাল থেকে আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন এম করুণানিধি (১৯২৪-২০১৮)। করুণানিধি পাঁচ দফায় কুড়ি বছর তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুত্র এম কে স্ট্যালিন (১৯৫৩-) ও কন্যা কানিমোঝি (১৯৬৮-) পিতার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করছেন।কানিমোঝি দুবার করে রাজ্যসভা ও লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। ১৮তম লোকসভায় তিনি ডিএমকে-র দলনেত্রী।করুণানিধির জীবনাবসানের পর দলের সভাপতি হন স্ট্যালিন। চেন্নাইয়ের মেয়র, বাবার মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর ২০২১-এর মে মাস থেকে মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। তাঁর পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিন (১৯৭৭-) চলচ্চিত্রের জগৎ ছেড়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন এবং ২০২২-এর ডিসেম্বরে থেকে পিতার মন্ত্রিসভায় যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছেন।
       বালাসাহেব ঠাকরে (১৯২৬-২০১২) ১৯৬৬ সালে মহারাষ্ট্রকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল শিবসেনা গঠন করেন। তিনি অবশ্য কখনও বিধায়ক অথবা সাংসদ হননি। তিনি 'কিং মেকার' হিসেবে 'রিমোট কন্ট্রোল' চালাতে পছন্দ করতেন। তাঁর ছেলে উদ্ধব ঠাকরে (১৯৬০-) ২০১৯-এর নভেম্বর থেকে ২০২২-এর জুন পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। সেই মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন তাঁর পুত্র আদিত্য ঠাকরে (১৯৯০-)। 
      জনতা দলের নেতা মুলায়ম সিং যাদব (১৯৩৯-২০২২) ১৯৯২ সালে সমাজবাদী পার্টি গঠন করেন। তিনি তিন দফায় সাত বছর উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও দুই দফায় দুই বছর দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। ২০০০ সালে লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর পুত্র অখিলেশ যাদবের (১৯৭৩-) রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয়। তিনি ২০১২-'১৭ উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে সমাজবাদী পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি। অখিলেশের স্ত্রী ডিম্পল যাদব (১৯৭৮-) একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন।
     জনতা দলের নেতা লালু প্রসাদ যাদব (১৯৪৮-) ১৯৯৭ সালে রাষ্ট্রীয় জনতা দল গঠন করেন। ওই সময়ে আইনি জটিলতার কারণে লালু প্রসাদকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার ছাড়তে হয়। তখন তিনি তাঁর ৯ সন্তানের জননী রাবড়ি দেবীকে (১৯৫৫-) ওই পদে বসিয়ে দেন। রাবড়ি দেবী ২০০৫ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এখন তাঁদের পুত্র তেজস্বী যাদব (১৯৮৯-) আরজেডি-র সভাপতি ও বিধায়ক। ২০২২-এর আগস্ট থেকে ২০২৪-এর জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি উপ-মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
     মমতা ব্যানার্জি (১৯৫৫) ১৯৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের টিকিটে সাংসদ নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন। ২০১১ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। তাঁর ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জি (১৯৮৭-) ২০১৪ সাল থেকে লোকসভার সাংসদ রয়েছেন। ২০২১ সাল থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তৃণমূল কংগ্রেস পিসির 'নেতৃত্বে' ও ভাইপোর 'সেনাপতিত্বে' এগিয়ে চলেছে।
     রাজনীতি একটি বহুমাত্রিক বৃহৎ বিষয়। এখানে বিভিন্ন ধরনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাধন করার সুযোগ থাকে। রাজনীতি 'দেশোদ্ধার' করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। নেতাকর্মীরা 'ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ান।' কিছু পেতে নয়, বরং কিছু দিতেই রাজনীতিতে আসার কথা। সম্প্রতি এই ভাবনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। রাজনীতি জনসেবা করার নেশা থেকে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার পেশা হয়ে উঠছে। এখন রাজনীতিতে অর্থ, ক্ষমতা, প্রচার সবকিছুই প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। রাজনীতি সকল চাকরির সেরা চাকরিতে অথবা সকল ব্যবসার সেরা ব্যবসাতে পরিণত হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির মোহ কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র জাঁকিয়ে বসতে দেখা যাচ্ছে।

১১:৩৫ এএম, ২৫ জুন ২০২৪ মঙ্গলবার

Puspaprovat Patrika