মামুনী
বেদশ্রুতি মুখার্জি
প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২০ ০৮ ০৮ ৩৫ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২০ ০৮ ০৮ ৩৫
যাদবপুর ইউনিভার্সিটির ডাকসাইটে নামকরা অথচ কড়া এই কম্পারেটিভ লিটারেচার এর ম্যাম সবার কাছে আতঙ্ক, অথচ একইসঙ্গে অমোঘ আকর্ষণীয়াও। ম্যাম নিজেই কার ড্রাইভ করে রোজ ভার্সিটিতে আসেন, সব সময় পরনে থাকে সুন্দর সুন্দর চুড়িদার। দামী চশমায় ঢাকা অপূর্ব সুন্দর মুখখানি যেন আরোপিত গাম্ভির্যে লিপ্ত, বয়স বোঝা যায় না, অফিসের ক্লার্কের থেকে আমাদের কৌতূহলী স্টুডেন্ট দের আনা রিপোর্ট বলে, ম্যামের আর মাত্র পাঁচবছর চাকরি অবশিষ্ট, তাহলে তো পঞ্চান্ন বছর বয়স, অথচ দেখে চল্লিশের বেশি মনে হয় না, এত সুন্দর গড়ন শরীরের আর অবশ্যই মনেরও। কথাবার্তা ও অপূর্ব, অমায়িক, আবার ক্লাসরুমেই এই মানুষটি প্রচণ্ড কড়া, পড়া না পারলে আবার আমাদের বেঞ্চের ওপর দাড় করিয়ে রাখেন, আর যাদের সদ্য প্রেম বা চারচোখের মিলন শুরু হয়েছিল, তাদের জন্য তো প্রেস্টিজ এর দফারফা, এ হেন জাঁদরেল কড়া আকর্ষণীয় মহিলার ওপর আমার আকর্ষণ এর পারদ ক্রমেই পেঁয়াজের দামের মতই বাড়ছিল। শুনেছি ম্যামের নাকি একটাই ছেলে, আবার কেউ কেউ বলেন, বিয়েই করেননি উনি, ছেলেটা দত্তক নেওয়া নাকি, ডাক্তারি পড়ে। আসলে সিঙ্গেল মহিলাদের ওপর সকলের কৌতূহল এর শেষ থাকে না। আমি ম্যামের বাড়িতে একবার আমার রিসার্চ এর প্রজেক্ট দেখাতে গেছিলাম একবার, ঢুকেই ড্রয়িং, সামনের দেয়ালে থরে থরে সাজানো ওনার দেশ বিদেশে কনফারেন্সের বা পুরস্কার প্রাপ্তির ছবি। ম্যাম ঢুকেই বললেন,- "খেয়ে যাবি"... প্রজেক্টের কথার বদলে খাওয়ার কথায় চমকে উঠলাম আমি, যেন এতদিনের কড়া রাগী ম্যামের মধ্যে এক স্নেহের ফল্গুধারা আজ চোখে পড়ল, আমার মা নেই, তাই কোনদিনই ভার্সিটিতে খেয়ে আসা হয়না, উনি তারপর সংযোজন করে আরো বলেছিলেন, আমি জানি তোর খাওয়া হয়না আসার সময় তাড়াহুড়োয়, আজ থেকে আমার কোয়ার্টার এ আগে চলে আসবি, একসাথে খেয়ে আমার গাড়িতেই আমার সঙ্গে ডিপার্টমেন্ট যাবি। চোখ ভিজে এলো, মুখ দিয়ে অস্ফুটে বেরোলো-"মামুণি"... ভাগ্যিস বলে ফেলিনি, উনি তো আমার ম্যাম, আমার মামুণি তো কোথাও নেই। তবে এতটা স্নেহময়ী ম্যাম পাইয়ে দেওয়াও বোধহয় আমার মামুণিরই কাজ। মাঝে মাঝে তারপর থেকে আমি ওই বাড়িতে যেতাম প্রায়ই, একদিন দেখা হয়ে গেল ম্যামের ছেলের সঙ্গে, অবাক করল ওর নামটা আব্দুল এহমদ হুসেন সাহিত্য, সাহিত্য আমার থেকে দুই বছরের ছোট, ও আমায় দিদি বলে ডাকে, অবাক হলাম কারণ ম্যামের নাম মধুরিমা চ্যাটার্জি, আর ছেলে মুসলিম, তবে যেটা শুনেছি বোধহয় ওটাই ঠিক, ম্যাম সাহিত্য কে দত্তক নিয়েছেন, আর ওনার মত বিশাল সমুদ্রের মত হৃদয়ধারী মহিলা সন্তান নির্বাচনের সময় কী আর হিন্দু মুসলিম বিচার করবেন, প্রশ্নই আসে না। একবার কোয়ার্টার এ গিয়ে দেখি, কাজের বুয়া কাজ করছেন ঠিকই, ম্যাম লিখছেন, তবে সাহিত্য নাকি ওর বাড়ি গেছে বললেন ম্যাম, আমি ফেসবুকের মাধ্যমে আজ সাহিত্য র জন্মদিন জেনেই ওর জন্য দিদি হিসেবে একটা জামা নিয়ে গেছিলাম, ভেবেছিলাম আজ বোধহয় ছোটখাটো অনুষ্ঠান হবে ওখানে, গিয়ে শুনি এসব, আরো অবাক হলাম, সাহিত্য যদি অনাথই হয়, তবে ওর আবার বাড়ি কীসের আর ম্যাম মানে ওর মামুণিকে ছেড়ে আজকের দিনে ও চলে গেল আশ্চর্য। অধৈর্য্য হয়ে এই প্রথম ম্যামকে জিগ্যেস করে বসি-ম্যাম সাহিত্য ভাইকে আজ আপনি কোথায় পাঠালেন? ম্যাম আবার শান্ত স্বরে বললেন, "ওর বাড়িতে", আমি না পেরে বললাম, "মাকে ছেড়ে ওইবা কেমন চলে গেল"। জানি না হয়তোবা এতদিনের বিশ্বাস থেকে অথবা একাকীত্বের অতলে তলিয়ে, অসমবয়সী দুই নারী আজ আমরা ছাত্রী ম্যাডামের গণ্ডি পেরিয়ে এই প্রথম বন্ধু হয়ে উঠলাম, দেখলাম ম্যাম আমার কাছে মুখ খুললেন, আর বললেন-" সাহিত্য আমার নিজের সন্তান, কিন্তু আমার গর্ভজাত নয় রে, ওর নিজের মা আছে, আর আমি তো ওকে জোর করে নিজের কাছে এনে রেখেছি, বছর কয়েক হলো, তাই জন্মদিনে ওকে ওর মা আব্বুর কাছে যেতে দেব না তাই কী হয় বল"।আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনতে লাগলাম, মনে হলো যেন আযান আর গীতার মন্ত্র কোথাও যেন একসুরে বাজছে ম্যামের কণ্ঠে, ম্যাম আরো বললেন, "আমি বিয়ে করিনি আজীবন, ভালো বেসেছিলাম একজনকে, ধর্ম সেখানে অন্তরায় হয়ে জাঁকিয়ে বসে, দুজনেই চাকরি করতাম আমরা যদিও, তবুও সাহস হয়নি আর তাছাড়া পরিবারের সবাইকে খুশি করতে গিয়ে নিজের সুখের গলাটা টিপতে বাধ্য হই, ও অনেক বছর অপেক্ষা করার পর একসময় বিয়ে করে, সেদিন থেকেই ওনার সঙ্গে সব যোগাযোগ ছিন্ন হয়, এতেই সুখী হয়েছিলাম যে উনি তো সুখী হয়েছেন, প্রায় আঠেরো বছর পর একদিন সেমিনার করতে যাই শিলিগুড়ি মেডিকেল কলেজে, দেখি এক ছাত্রের মুখের আদল একদম আমার সেই আল্লাতালার মত, হ্যাঁ উনি আমার কাছে আল্লাতালাই, বা বলতে পারিস আমার ভগবান, যেই নামে ঈশ্বর কেই ডাক না কেন, সব তো আদতে এক, তো আমি খুব কৌতূহলী হয়ে ছেলেটির নাম জানতে চাই, শুনি আব্দুল অহমেদ হুসেন সাহিত্য, ছেলেটি সবচেয়ে বেশি নম্বর নিয়ে গ্রামের স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে শিলিগুড়ি মেডিক্যাল এ ডাক্তার তে চান্স পেয়েছে, কিন্তু এখন নাকি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ভীষণ নেশায় আসক্ত, ড্রাগ অ্যাডিক্ট, ওনার বাবা মাকে ও সবটুকু খুলে বলা হয়েছিল, ওনারাও অনেক বার ওকে নিয়ে গেছেন, কিন্তু কিছুতেই সংশোধন করতে পারছেন না, ছেলেটির একবছর ড্রপও গেছে এসবের কারণে, শুনেই আমি অফিসে গেলাম আর ক্লার্ক কে বললাম, ছেলেটির বাবা মার নাম কী দেখুন তো, সঙ্গে বাড়ির অ্যাড্রেসটাও। ঠিক যেটা আশঙ্কা করছিলাম সেটাই ঘটলো, হ্যাঁ ছেলেটিই আমার সেই আজন্ম তপস্যার ফল, আমার সেই ঈশ্বর তুল্য প্রেমিক এর সন্তান, ব্যস আর অপেক্ষা করিনি, ড্রাইভার কে বললাম, গাড়ি ছোটাও, দীর্ঘ চারঘন্টা জার্নি করে যখন আমার গাড়িটা সেই গ্রামে ঢুকল, তখন এশার আযান হচ্ছে, ওর বাড়ি চিনে গিয়ে দেখি, ও সদ্য স্কুল থেকে ফিরেছে, আর বৌ বোধহয় চা জলখাবার দিয়েছে, খাচ্ছে বারান্দায় বসে, আমি খুব একটা পাল্টাইনি, আসলে সংসার করিনি তো তাই হয়তোবা চেহারায় ছাপ পড়েনি, তবে কাঁচাপাকা দাড়িতে আর চশমায় ওকে ঠিক দেবদূতের মতোই লাগছিল, যাকে ইউনিভার্সিটি তে বকতাম, মারতাম, অনর্গল বকবক করতাম, সেই মানুষটি কে আজ এত বছর পর দেখে কেন জানি না অজান্তেই হাতটা তার পায়ের কাছে চলে গেল, পায়ের ধুলো নিয়ে উঠে বললাম- "ছেলের ভার দে, তোদের সাহিত্য কে আমার হাতে তুলে দে, মনে আছে, আমাদের ই শখ ছিল ছেলে বা মেয়ে যাইহোক, সে খুব বড় ডাক্তার হবে, আমি করে আনব ওকে সফল ডাক্তার, সব নেশা ছাড়িয়ে। ভেবেছিলাম হয়তোবা আমার কথা ওর বৌকে আঘাত দেবে, তাই বেরিয়েই যাচ্ছিলাম- ও বিবাহিত, আজ অন্যের মনে পড়ে। ওর বৌ ছুটে এসে হাতটা আমার ধরে বললেন-
"এতবছর পর বোনকে দেখতে এলে দিদিভাই'... ওর চোখে দেখি জল, ঠিক শেষ দিনের বিদায় বেলার মত। বুঝলাম ও সব বলেছে তাঁঁকেও, এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি প্রাপ্তি, ধর্ম তো অনেক খেলা খেলেছিল যাতে আমি জীবনে কিচ্ছু না পাই, কিন্তু সে আজ পরাজিত, আমার ভালোবাসা জয়ী হয়ে গেল এখানেই। তারপর ওরা এককথায় আমায় সাহিত্যর ভার দিয়ে দেয়, আমি টিসি সার্টিফিকেট সহ অ্যাডিক্টেড অবাধ্য ছেলেটাকে নিয়ে আসি আমার ইউনিভার্সিটি তে, এই যাদবপুর এ, অনেক দিন ছুটি নিয়ে ছিলাম, অনেক কষ্টে ধীরে ধীরে ও নেশামুক্ত হয়ে সফল হয় নিজের জীবনে, ভালো ভাবে MBBS পাশ করে এখন মাস্টার্স করছে কার্ডিওলজির ওপর, কারণ আমার মা হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় ওর সামনেই, ও তাই চায় বড় হার্ট স্পেশালিস্ট হতে, যাতে আর কারোর চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু না হয়। ওর বাবার সঙ্গে সেদিনের পর আর কখনো দেখাও করিনি, কথাও বলিনি, কারণ ও তো অন্যের, যেটুকু দরকারি কথা থাকে, ওর মার সঙ্গে ই ফোনে সেরে নিই, সাহিত্যও জানে আমি ওর মায়ের বান্ধবী, তাই আমায় শুধু মামুণি বলে ডাকে।" ম্যামের ত্যাগ তিতিক্ষার কথা শুনে আমার মনে হলো এটাই ধর্ম, মানবতা আর এতটা নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসা, চোখ মুছে বললাম, মামুণি... সেই থেকে ইউনিভার্সিটি জুড়ে আমার দেখাদেখি সবাই তাঁকে মামুণি বলা শুরু করলো, সত্যিই তো উনি মা, জগতের মা, প্রেম আর ত্যাগের প্রতীক দেবী মা, মা হওয়া নয় মুখের কথা, প্রসব করলেই শুধু হয়না মাতা। আমাদের মামুণিকে ঈশ্বর আর আল্লাতালা সকলের মা বানানের জন্য ই বোধহয় সংসার এবং মাতৃত্ব থেকে বঞ্চিত করেছেন, মামুণি একটা মানুষ নন, একটা উপাখ্যান......
- শিক্ষক দিবসে অভিনব উদ্যোগ
- ফরাক্কায় রেললাইন ধস, মেরামত চলছে জোরকদমে
- পাহাড়ি ঢলে জলমগ্ন নিশিন্দ্রা কাটান, বন্ধ ফরাক্কা-ঝাড়খণ্ড সড়ক যোগাযোগ
- পুলিশের গাড়ি থেকে দুই বাংলাদেশি বন্দি উধাও! ধাওয়া করে ধৃত এক, পলাতক অন্যজন
- নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আপ-ডাউন দুই লাইনেই ব্যাহত ট্রেন চলাচল
- পুঁটিমারি ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে ভয়াবহ ধস, রাস্তা জুড়ে মরণফাঁদ! চরম দুর্ভোগে ধুলিয়ান-ঝাড়খণ্ডগামী যাত্রীরা
- ১৫–০ ভোটে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান অপসারিত
- দুর্নীতির অভিযোগে ১৭ ভোটে অপসারিত প্রধান, ভাষাইপাইকড় পঞ্চায়েতে ভাঙল বোর্ড!
- মালদায় সমাজসেবায় দৃষ্টান্ত রোটারি ক্লাব অব সিল্ক সিটি
- হারানো ফোনের সন্ধানে পুলিশের সাফল্য, একসঙ্গে ৩০টি মোবাইল উদ্ধার
- সুতিতে টোটো থামাতেই চক্ষু চড়কগাছ! উদ্ধার ৭১২ বোতল ফেনসিডিল
- ধুলিয়ান পৌরসভায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল
- ডাঙায় উঠলেই অসহ্য জ্বালা, ৪ বছর ধরে পানিতেই ১৭ বছরের ইকবাল
- তিরঙ্গা যাত্রায় সামনের সারিতে হাঁটা নিয়ে বচসা, হাতাহাতি! আহত বিজেপি কর্মী
- নেতাজিকে নিয়ে মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজের ‘বঙ্গবিভূষণ’ প্রত্যাহার
- স্ত্রীর ভালবাসায় আস্ত ‘তাজমহল’ বানালেন প্রৌঢ়, খরচ আড়াই কোটি!
- এনআরএসে কর্তব্যরত নার্সের রহস্যমৃত্যু, তদন্ত শুরু স্বাস্থ্য দফতরের
- আবাস যোজনায় ৭০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ
- সাংবাদিক বাবুল হকের জীবনপঞ্জি:
মফস্বল সাংবাদিকতা থেকে সংবাদ প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার - মহাদেবনগর পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা হুঁশিয়ারি প্রধানের
- মহাদেবনগর পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা হুঁশিয়ারি প্রধানের
- সুতিতে আগ্নেয়াস্ত্র-বোমা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
- আহমদপুরে এডিআরএম-কে স্মারকলিপি
- ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা
- বাড়েনি বেতন, স্থায়ীকরণ দাবিতে সরব KGBV কর্মীরা
- কাদুয়া বিট হাউস পুলিশের অভিযানে ৪০টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার, ধৃত এক যুবক
- এক ব্যাগ রক্তে বাঁচল জীবন, সাগরদিঘীতে প্রশংসায় সিভিক কর্মী উদায়ুল ইসলাম
- ‘সাগরদিঘি সুপার কাপ’ ফুটবলের উন্মাদনা
- ‘সাগরদিঘি সুপার কাপ’ ফুটবলের উন্মাদনা
- বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল কৃষকের, আতঙ্কে অসুস্থ ২ ছাত্রী
- ১৫–০ ভোটে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান অপসারিত
- নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আপ-ডাউন দুই লাইনেই ব্যাহত ট্রেন চলাচল
- ফরাক্কায় রেললাইন ধস, মেরামত চলছে জোরকদমে
- পুঁটিমারি ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে ভয়াবহ ধস, রাস্তা জুড়ে মরণফাঁদ! চরম দুর্ভোগে ধুলিয়ান-ঝাড়খণ্ডগামী যাত্রীরা
- পাহাড়ি ঢলে জলমগ্ন নিশিন্দ্রা কাটান, বন্ধ ফরাক্কা-ঝাড়খণ্ড সড়ক যোগাযোগ
- পুলিশের গাড়ি থেকে দুই বাংলাদেশি বন্দি উধাও! ধাওয়া করে ধৃত এক, পলাতক অন্যজন
- শিক্ষক দিবসে অভিনব উদ্যোগ
- রায়গঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপির চমক? প্রচারে সিপিএম ত
- POEM - CELEBRATING POETRY
- Poem - Occasional Poetry
- মালদায় পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ মন্ত্রী সাধন পান্ডের
- সৌমেন্দু লাহিড়ী
সৌমেন্দু লাহিড়ীর কবিতা- `আর্জি` - কালিয়াচকে বোমের আঘাতে যখম দুই লিচু ব্যবসায়ী
- আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখিকা মৈত্রেয়ী দেবী
- Poem - If You`re Poetry
- অঙ্কিতা চ্যাটার্জী কলম
ন্যানো গ্রাম বিষ : কবি আত্মা ও কাব্য আত্মা - আহত সাংবাদিক
রাহুল গান্ধীর পাঁচগ্রামের জনসভা আহত এক সাংবাদিক - TO SOMETIMES, JUST SOMETIMES
- Poem - Peace Shall Be Prevailed
- Poem - The Cliff of Life
- ইজাজ আহামেদ
বেকারত্বের গ্লানি - Poem - Oak Leaf
