ব্রেকিং:
মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বেওয়া-২ পঞ্চায়েতের নিশিন্দ্রা গ্রামে ভোটার তালিকা ভুয়ো ভোটার। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার উদ্যোগে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা সভা। ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট এমকে ফাইজির গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সামশেরগঞ্জে পথসভা SDPI এর ফের সামশেরগঞ্জের হাউস নগর ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে পথদুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা গাড়িচালকের জামাইবাবুর হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা

সোমবার   ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১৯ ১৪৩২   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

সর্বশেষ:
জামাইবাবুর হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা

নোটিসে লাইনে রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬ ০৪ ৪২   আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬ ০৪ ৪২

নোটিস হাতে লাইনে রাজ্যের মন্ত্রী,শুনানিতে হাজির তাজমুল হোসেন ও তাঁর পরিবার ,নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ

 

নির্বাচন কমিশনের পাঠানো হেয়ারিংয়ের নোটিস হাতে নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তাজমুল হোসেন। আজ নির্ধারিত শুনানির দিনে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।শুধু মন্ত্রী নন,তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যকেও একইভাবে লাইনে দাঁড়াতে হয়।জানা গিয়েছে,গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাঁকে SIR সংক্রান্ত হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়।সেই নোটিসের ভিত্তিতেই আজ তিনি শুনানি কেন্দ্রে হাজির হন।তাজমুল হোসেন মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার তিনবারের নির্বাচিত বিধায়ক।তাঁর বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বাংরুয়া গ্রামে। তিনি ২০২ নম্বর বুথের ভোটার, বুথ কেন্দ্র বাংরুয়া হিজরি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাঁর বাবার নাম দিদার বক্স। মন্ত্রীর দাবি, ২০০২ সাল থেকেই তাঁর নাম ও বাবার নাম সমস্ত সরকারি নথিপত্রে একই রয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করেই তিনি পরপর তিনবার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন।তা সত্ত্বেও তাঁকে হেয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন তিনি।তিনি কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যের মন্ত্রী।আজ শুনানি কেন্দ্রে হাজির হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাজমুল হোসেন বলেন,আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই নোটিস পেয়ে নির্ধারিত দিনেই শুনানিতে হাজির হয়েছি। আমার ও আমার পরিবারের সব নথি সঠিক আছে। সত্যিটা সামনে আসবেই।

 

উল্লেখ্য,তিনবারের বিধায়ক ও বর্তমান রাজ্যের মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও হেয়ারিংয়ের নোটিস পাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও এই নোটিসের পিছনের কারণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Puspaprovat Patrika
এই বিভাগের আরো খবর