শ্বশুর Hemanta Mukhopadhyay-কে নলেন গুড় খেতে দেননি— জন্মদিনে স্মৃতিচারণে Ranjit Mallick
কড়া বৌমা মৌসুমীর গল্প
০৯:০১ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ রোববার
পরিবারের চাপে সিদ্ধান্ত, চলতি বছরেই বিয়ের জল্পনা জোরালো
বিয়েতে রাজি অনুষ্কা
০৮:১৭ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ রোববার
পরিবারের চাপে সিদ্ধান্ত, চলতি বছরেই বিয়ের জল্পনা জোরালো
বিয়েতে রাজি অনুষ্কা
০৮:১৭ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ রোববার
প্রণবন্দন বিদ্যাপীঠের মঞ্চে আইনজীবী রবিউল আলম, জমজমাট সাংস্কৃতিক আসর
১১:৩২ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ রোববার
অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচন: সম্ভাব্য ফলাফল
অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচন: সম্ভাব্য ফলাফল
মজিবুর রহমান
অনেক সময় একই ব্যক্তির হস্তরেখা বিচার করে তিনজন গণৎকারকে তিন রকম ভবিষ্যতবাণী করতে দেখা যায়। কোনো একজনের কথা মিলে যেতে পারে আবার কারোর কথাই হয়তো মিললো না, এমনও হতে পারে। নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়েও একই কথা প্রযোজ্য। ওপিনিয়ন অথবা এক্সিট পোলের হিসাব মিলা-না মিলার অনেক উদাহরণ রয়েছে। আবার সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে প্রায় সকলেই সহমত হলেও গণনায় সম্পূর্ণ উল্টো ফল ফলতে দেখা গেছে। যেমন, ২০০৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পুরো হাওয়া ছিল বিজেপির অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের পক্ষে। কিন্তু ওই নির্বাচনে এনডিএ হেরে যায় এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইউপিএ সরকার গঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী হন ডঃ মনমোহন সিং। ২০২১ সালে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রচারণা দেখে অনেকেরই মনে হয়েছিল, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। বাস্তবে তৃণমূলই আসন বাড়িয়ে তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করে। বিজেপির আসন সংখ্যা ৩ থেকে ৭৭ হয়। মাঝখান থেকে বিস্ময়করভাবে বাম-কংগ্ৰেস শূন্য হয়ে যায়। কাজেই একটা সাধারণ নির্বাচনের ফল কখন কী হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা খুব মুশকিল। তবু কিছু সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা যেতেই পারে।
তৃণমূল হারছে ও বিজেপি জিতছে, এরূপ ধারণার বশবর্তী হয়ে ২০২১ সালে নির্বাচনের আগে টিএমসি ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়েছিল। এবার সেটা নেই। এর ফলে টিএমসি-কে ঘর সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে না। বরং বাম-কংগ্ৰেসের অনেক নেতাকে টিএমসি-তে যোগদান করতে দেখা যাচ্ছে। এতে শাসকদলের শক্তি বাড়ছে। বিভিন্ন দলীয় ও সরকারি কর্মসূচির মাধ্যমে জনসংযোগ রক্ষার ব্যাপারে টিএমসি-র নেতাকর্মীরা ভালো জায়গায় আছেন। যুবসাথীর মতো অনুদানমূলক নতুন প্রকল্প প্রণয়ন এবং লক্ষ্মী ভাণ্ডারের মতো পুরনো প্রকল্পগুলোতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ভোট সর্বস্ব রাজনীতিতে টিএমসি-কে অবশ্যই মাইলেজ দেবে। এবার টিএমসি'র বিরুদ্ধে যাবে এমন কয়েকটি পয়েন্টের প্রতি দৃষ্টিপাত করা যাক। প্রথমত, কিছুটা হলেও নিয়োগ দুর্নীতির প্রভাব পড়বে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির যে ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছে তাঁরা কেউ অন্তত এই নির্বাচনে টিএমসি-কে ভোট দেবেন না। তবে আরজিকর কাণ্ডের প্রভাব পড়বে বলে মনে হচ্ছে না। দ্বিতীয়ত, ২০২১ সালের নির্বাচনে বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন বিজেপি-কে রুখতে যেভাবে টিএমসি'র পাশে দাঁড়িয়েছিল এবার তেমনটা ঘটবে না। বরং এরাজ্যে ওয়াকফ আন্দোলনের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির মনোভাব মুসলিম সম্প্রদায়কে অসন্তুষ্ট করেছে। ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকায় মুসলিম সমাজ হতাশ। ৩রা এপ্রিলের মোথাবাড়ি-সুজাপুর কাণ্ডে আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে সিআইডি দিয়ে গ্ৰেপ্তার করানো এবং তাঁকে 'মেইন কালপ্রিট' বলে নির্বাচনী জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে মুসলিম সমাজের অনেকেই মেনে নিতে পারেনি। মুসলিমপন্থী রাজনৈতিক দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো মমতা ব্যানার্জির 'দ্বিচারিতা'র বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে। এসআইআর-এ ১৭ লাখ বৈধ মুসলিম ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। সবমিলিয়ে ২০২১ সালের তুলনায় টিএমসি'র মুসলিম ভোট প্রাপ্তি কয়েক শতাংশ কমবে বলে মনে হয়। এহেন পরিস্থিতিতে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় বেশ কয়েকটি আসন টিএমসি'র হাতছাড়া হতে পারে।
বিভিন্ন রাজ্যে প্রধান প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে বিজেপি ইডি-সিবিআই-এনআইএ প্রভৃতি কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করে। কিন্তু এরাজ্যে এসব করে তারা টিএমসি'র মনোবল ভাঙতে পারেনি। এবার নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে খেলতে নেমেছে। কিন্তু খেলতে গিয়ে 'সেম সাইড' করে ফেলেছে। ১৭ লাখ মুসলমানের পাশাপাশি ১০ লাখ হিন্দুর নামও বাদ পড়েছে যাদের একটি বড় অংশ বিজেপির ভোটার বলে মনে করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। এর ফলে মতুয়া সম্প্রদায় অধ্যুষিত এলাকায় কয়েকটি আসন তাদের হাতছাড়া হতে পারে। তবে অন্যত্র বিজেপি'র পক্ষে হিন্দু ভোটের একত্রীকরণ (কনসোলিডেশন) বৃদ্ধি পেতে পারে। ২০১৯ সাল থেকে এরাজ্যে বিজেপি হিন্দু ভোটের ৫৫-৬০ শতাংশ পাচ্ছিল। এবার সেটা ৬০-৬৫ শতাংশ হতে পারে। এতে মুসলিম প্রধান এলাকার কিছু আসনে চতুর্মুখী লড়াইয়ে বিজেপির প্রার্থীরা বেরিয়ে যেতে পারেন। তবে ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোট পুরোপুরি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোটের সিংহভাগ পেয়ে বাংলায় বিজেপির মসনদ দখল করা এবারেও সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তি যত বেড়েছে ততই কমেছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের শক্তি। সাংগঠনিক দিক থেকে জাতীয় কংগ্রেস এখন সবচেয়ে দুর্বল দল। নেতৃত্বেও সংকট রয়েছে। এজন্য তারা সময়োপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে পারে না। বিগত কয়েক বছরের বাম-কংগ্ৰেস জোটের ব্যর্থতায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে জাতীয় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এবারের নির্বাচনে একলা লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অনেক দিন পর তারা ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে। তবে নেতৃত্বের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে প্রার্থীপদ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে বিধান ভবনে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটেছে। প্রার্থীপদ না পেয়ে কয়েকজন পুরানো কংগ্রেস নেতা দলত্যাগ করেছেন। দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা থাকা সত্ত্বেও এবারের নির্বাচনে টিএমসি-র যে মুসলিম ভোটটা কমবে তার একটা অংশ কংগ্রেস পাবে। এর ফলে ২০২১-এর থেকে কংগ্রেসের ভোট বাড়বে এবং তাদের প্রার্থীরা কয়েকটি আসনে জয়লাভ করবেন বলে মনে হচ্ছে।
কংগ্রেস জোটের মধ্যে না থাকলেও বামেরা একাধিক মুসলিম পন্থী দলকে সঙ্গে নিয়ে এই নির্বাচনে লড়ছে। নীতি নৈতিকতার সূক্ষ্ম প্রশ্নে বামেদের অস্বস্তি অবশ্য কাটছে না। বিজেপি'র বিরুদ্ধে বামফ্রন্ট যথেষ্ট সরব নয়, এই অভিযোগে এতদিন মুসলমানরা বামেদের ওপর অসন্তুষ্ট ছিল। এবারের নির্বাচনে ব্যাপারটা উল্টো হচ্ছে। বামফ্রন্টের হিন্দু সমর্থকরা অনেকেই এখন মনে করছে যে, সিপিআই(এম) সংখ্যালঘুপ্রেমী হয়ে গেছে। বেলডাঙ্গায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবীরের 'মন বুঝতে' নিউ টাউনের একটি পাঁচ তারা হোটেলে মহঃ সেলিমের গোপন গমন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এসডিপিআই-এর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা সিপিআই(এম)-কে বাংলার বুকে আরও ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে পারে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সখ্যতা বৃদ্ধি করে সিপিআই(এম) নিজের অসাম্প্রদায়িক তথা ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির আদর্শিক ভিতে আঘাত হানছে। চাকরিচ্যুত ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য-ফিরদৌস শামীমদের ওপর ক্ষেপে রয়েছেন। এর একটি নেতিবাচক প্রভাব বামফ্রন্টের ভোট বাক্সে পড়বে। তবে এই নির্বাচনে তৃণমূলের যে মুসলিম ভোটটা কমবে তার একটা অংশ কংগ্রেসের মতো বামফ্রন্টও পাবে। ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও জোটের প্রার্থী হওয়ার সুবাদে কয়েকজন বাম প্রার্থী জিতে গেলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। অনেকেই মনে করেন শূন্যের শ্লেষ থেকে বামেদের মুক্তি পাওয়া উচিত।
নওসাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আইএসএফ-এর আসন ও ভোট সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নবগঠিত আমজনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) সর্বময় কর্তা হুমায়ুন কবীর অনেক প্রচার পাচ্ছেন। জেলা ভিত্তিক দল গঠন করলেও হেলিকপ্টার চড়ছেন। তাঁর বিতর্কিত ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর অবশ্য অনেকেই তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করেছেন। তৎসত্ত্বেও তিনি নিজে একটি আসনে জিততে পারেন এবং কয়েকটি আসনে টিএমসি-র আশাভঙ্গের কারণ হতে পারেন।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দিনকে দিন খারাপ হচ্ছে। রাজনীতির কারবারিদের মান(স্ট্যান্ডার্ড) নেমে যাচ্ছে। প্রথাগত ও রাজনৈতিক শিক্ষা ছাড়াই বাহুবল ও অর্থবলের সাহায্যে অনেকেই জনপ্রতিনিধি হচ্ছেন। আইনসভায় ব্যবসায়ী ও বাহুবলীদের সংখ্যা বৃদ্ধি সংসদীয় শাসনব্যবস্থা ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে। নির্বাচন শেষে সরকার গঠিত হবে। কিন্তু অপশাসন অথবা আগ্ৰাসন থেকে মুক্তি মিলবে বলে মনে হয় না। রাজ্যের টেকসই উন্নয়নের সম্ভাবনাও
খুব কম।
১২:৩৪ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ রোববার
প্রয়াত হলেন কবি ও লেখক ডা. এস. এম. মইনুল হক
প্রয়াত হলেন কবি ও লেখক ডা. এস. এম. মইনুল হক
মোঃ ইজাজ আহামেদ
মুর্শিদাবাদ: ১৭ এপ্রিল রাত ১১.৩০ মিনিটে নিজ বাড়িতে ইহজগতের মায়া ত্যাগ করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মুর্শিদাবাদের বিশিষ্ট কবি ও লেখক ডা এস. এম. মইনুল হক। তিনি স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকা সহ দিনদর্পন, পুবের কলম, বাংলাদেশের সাময়িকী ইত্যাদি পত্রিকায় গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ প্রায় নিয়মিত লিখতেন। খুব ছোট থেকে লেখালেখির জন্য হাতে কলম খাতা তুলে নেন। ২০০৪ সালে কলকাতা বইমেলায় তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস "মণিবাগিচা" প্রকাশীত হয়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফুলসহরী গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা গোলাম আম্বিয়া ১৯৯৪ সালের ৮ই ডিসেম্বর পরলোক গমন করেন। মাতা নুরজাহান বেবি একজন ধার্মিক ও দানশীলা মহিলা। একমাত্র মেয়ে শবণম সালমা জাহান হক, বড় ছেলে মোমাইজুল হক ও ছোট ছেলে সানিউল হক, স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন।
০৭:২৬ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার
- দুই বোনের অদ্ভুত আবেদন, অপহরণ মামলা খারিজ
স্বামী বদলের আর্জি, হতভম্ব হাই কোর্ট - রাজ্যে ৭৭ কেন্দ্রে গণনা, আইপিএলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ
ভোট গণনার প্রস্তুতি, কেকেআরের লড়াই আজ - উত্তর, রাঢ় ও দক্ষিণে বিজেপির বাড়তি আশা, ১৫৫–১৮০ আসনের দাবি
তিন বলয়ে পদ্মের অঙ্ক - গণনার আগে এনআইএ তলব
- ফলতায় পুনর্ভোটে তীব্র তরজা
- কবিতা - মেহনতি মানুষদের মে দিবস
- এনটিপিসি ফারাক্কায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা
- বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: মুর্শিদাবাদ জেলার সম্ভাব্য ম্যান্ডেট
- আইপিএলে মাঝপথে অধিনায়ক বদলের জল্পনা
- ,‘এআই চিপ’ নিয়ে কটাক্ষ
- ক্রিকেটে প্রস্তুতি সপ্তশ্রীর
- প্রিয়ঙ্কার প্রভাবে রাঘব
- প্রিয়ঙ্কার প্রভাবে রাঘব
- প্রিয়ঙ্কার প্রভাবে রাঘব
- প্রিয়ঙ্কার প্রভাবে রাঘব
- প্রিয়ঙ্কার প্রভাবে রাঘব
- দাউদ মন্তব্যে বিতর্কে মমতা
- দাউদ মন্তব্যে বিতর্কে মমতা
- দাউদ মন্তব্যে বিতর্কে মমতা
- সলমনকে ‘সরি’ ফেরেরা
- সলমনকে ‘সরি’ ফেরেরা
- সলমনের রাগে বাবার সাফাই
- বুথে ঘুরে মমতার অভিযোগ
- শ্বশুর Hemanta Mukhopadhyay-কে নলেন গুড় খেতে দেননি— জন্মদিনে স্মৃতিচারণে Ranjit Mallick
কড়া বৌমা মৌসুমীর গল্প - অজমেরে শাহরুখে ভিড় আতঙ্ক
- পরিবারের চাপে সিদ্ধান্ত, চলতি বছরেই বিয়ের জল্পনা জোরালো
বিয়েতে রাজি অনুষ্কা - পরিবারের চাপে সিদ্ধান্ত, চলতি বছরেই বিয়ের জল্পনা জোরালো
বিয়েতে রাজি অনুষ্কা - মায়ের জন্য বাড়ি, নিজে ভাড়ায়
- নিসার সঙ্গে কাজলের দ্বন্দ্ব
- রাজ্যসভায় এনডিএর অগ্রগতি
- কবিতা - মেহনতি মানুষদের মে দিবস
- এনটিপিসি ফারাক্কায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা
- পরিবারের চাপে সিদ্ধান্ত, চলতি বছরেই বিয়ের জল্পনা জোরালো
বিয়েতে রাজি অনুষ্কা - শ্বশুর Hemanta Mukhopadhyay-কে নলেন গুড় খেতে দেননি— জন্মদিনে স্মৃতিচারণে Ranjit Mallick
কড়া বৌমা মৌসুমীর গল্প - রাজ্যসভায় এনডিএর অগ্রগতি
- বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: মুর্শিদাবাদ জেলার সম্ভাব্য ম্যান্ডেট
- শ্রেয়স কি পরবর্তী নেতা
- অজমেরে শাহরুখে ভিড় আতঙ্ক
- নিসার সঙ্গে কাজলের দ্বন্দ্ব
- পরিবারের চাপে সিদ্ধান্ত, চলতি বছরেই বিয়ের জল্পনা জোরালো
বিয়েতে রাজি অনুষ্কা - মায়ের জন্য বাড়ি, নিজে ভাড়ায়
- প্রিয়ঙ্কার প্রভাবে রাঘব
- সলমনকে ‘সরি’ ফেরেরা
- আইপিএলে মাঝপথে অধিনায়ক বদলের জল্পনা
- বুথে ঘুরে মমতার অভিযোগ
- সলমনের রাগে বাবার সাফাই
- সলমনকে ‘সরি’ ফেরেরা
- দাউদ মন্তব্যে বিতর্কে মমতা
- প্রিয়ঙ্কার প্রভাবে রাঘব
- প্রিয়ঙ্কার প্রভাবে রাঘব






















