দেশে ডিজিটাল চৌকিদার, ইতিহাস জানেন?
উজির আলী
প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০১৯ ০৯ ০৯ ৫৯ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০১৯ ০৯ ০৯ ৫৯
কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী যেখানেই যাচ্ছেন, এই স্লোগান তুলছেন। মঞ্চ থেকে সনিয়া-পুত্র বলছেন চৌকিদার, নীচ থেকে জনতা চিৎকার করছে, ‘চোর হ্যায়।’ মালদহের চাঁচলেও দেখা গিয়েছিল সেই ছবি। মঙ্গলবার রাজস্থানের ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এমন ঘটনা ঘটে গেল। দেশজুড়ে চলছে এই স্লোগান। তার সাথে বের হয়েছে চৌকদারের টি শার্ট ও।
তবে জেনে নেওয়া যাক চৌকিদারের ইতিহাস।
চৌকিদার পুরনো আমলের গ্রাম পুলিশ। বর্তমানে গ্রামরক্ষী বা (গ্রাম রক্ষিবাহিনীর) সঙ্গে চৌকিদার প্রতিষ্ঠানের তুলনা করা যায়। প্রাক্-ব্রিটিশ যুগেও এ প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান ছিল। তখন গ্রামের নিরাপত্তার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল গ্রাম পঞ্চায়েতের ওপর। চৌকিদার ছিল পঞ্চায়েত কর্তৃক নিয়োজিত কর্মচারী। তার ওপর একটি বা একগুচ্ছ গ্রামের পাহারার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল। আঠারো শতকের শেষের দিকে যখন পঞ্চায়েত প্রথার মর্যাদা হ্রাস করা হয় এবং জমিদারি নিয়ন্ত্রণ নিরঙ্কুশ হয়, তখন চৌকিদার জমিদারের কর্মচারী হিসেবে পরিগণিত হয়। তার এলাকার নিরাপত্তা ও প্রহরা বিধানের বিনিময়ে চৌকিদারকে চাকরান জমি প্রদান করা হতো। সে জমিদারকে কোনোপ্রকার কর প্রদান ব্যতিরেকেই ওই জমি চাষাবাদ করতে পারত।
চাকরান ভূমির বিনিময়ে জমিদার কর্তৃক চৌকিদার পোষণ করার দায়িত্ব ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। কর্নওয়ালিস কোড (১৭৯৩)-এর আওতায় বিলুপ্ত পঞ্চায়েত প্রথা ১৮৫৬ সালের স্থানীয় পুলিশ আইন অনুসরণে পুনর্জীবিত করার একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পঞ্চায়েতের সদস্যদের মনোনয়ন দান এবং চৌকিদারদের নিয়োগ প্রদানের ক্ষমতা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের ওপর অর্পণ করা হয়। চৌকিদারদের ব্যয় নির্বাহের জন্য এ আইনের অধীনে কর আরোপ করার বিধান করা হয়েছিল। ১৮৭০ সাল পর্যন্ত চৌকিদারি প্রথা শহর এলাকা ও বড় বড় গ্রামে সীমাবদ্ধ ছিল। ১৮৭০ সালের আইন ৬ (বিসি)-এর অধীনে চৌকিদারি প্রথা পুনর্গঠিত হয় এবং বাংলার সকল গ্রামে তা সম্প্রসারণ করা হয়। তারপর চৌকিদারের ওপর জমিদারদের নিয়ন্ত্রণ বিলুপ্ত হয়। তাকে আর জমিদারি চাকরান অনুদানে পোষণ করা হতো না। তখন থেকে চৌকিদার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে নিয়মিত বেতন পেতে শুরু করে এবং পালাক্রমে জেলা প্রশাসক গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে জনসাধারণের ওপর চৌকিদারি কর আরোপ করতে শুরু করে।
১৮৮০-এর দশকে পল্লী অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে শুরু করে। কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা ছাড়াও সাধারণ অপরাধও বাড়তে থাকে। বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ১৮৯২ সালের আইন ১ (বিসি)-এর মাধ্যমে ১৮৭০ সালের চৌকিদারি আইন সংশোধন করা হয়। চৌকিদারদের সামাজিক মর্যাদা উন্নীত করাই ছিল এ আইনের লক্ষ্য। সমাজের নিম্নস্তরের লোকদের থেকে চৌকিদার নিয়োগ দেয়া হতো বলে সমাজে তার কোনো মর্যাদাও ছিল না। ফলে অপরাধকারীরা তার উপস্থিতির কোনো গুরুত্বই দিত না। প্রকৃতপক্ষে তখন তাকে জমিদার এবং পঞ্চায়েতের কায়িক শ্রমিক ও ব্যক্তিগত ভৃত্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এজন্য সমাজের মধ্যস্তর থেকে চৌকিদার নিয়োগের জন্য চৌকিদারি ট্যাক্স বৃদ্ধি করা হয় এবং তাদের বেতনও বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু এ কার্যক্রম চৌকিদারদের চিরাচরিত মর্যাদায় পরিবর্তন সাধনে কোনো ভূমিকা রাখে নি।
চৌকিদারি ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য অর্থসংস্থান এবং সামাজিক মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের চৌকিদারি কাজ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে চৌকিদারি গ্রাম তহবিল নামে একটি তহবিল গঠন করতে হতো। ১৮৯২ সালের আইনের অধীনে বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদন নিয়ে জেলা প্রশাসক তার সম্পূর্ণ বা আংশিক ক্ষমতা মহকুমার দায়িত্বে নিয়োজিত তার অধীনস্থ কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারের নিকট হস্তান্তর করতে পারতেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ভৃত্য হিসেবে চৌকিদারদের ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
গ্রাম পাহারা দেওয়ার কাজ ছাড়াও একজন চৌকিদারকে আরও কিছু কাজ করতে হতো। ১৮৭০-এর দশক থেকে বিভিন্ন ধরনের কয়েক দফা পরিসংখ্যান তৈরির প্রচলন করা হয়, যেমন, ফসলের পরিসংখ্যান, জন্ম ও মৃত্যুর হিসাব সংগ্রহ, অপরাধ প্রবণতা, জিনিসপত্রের বাজার দর পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি। একজন চৌকিদারকে তার দায়িত্বাধীন গ্রাম বা গ্রামসমূহের এসকল বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন পেশ করতে হতো। কিন্তু প্রতিবেদন প্রদানে কোনো সময়েই সে নির্ভরশীলতার পরিচয় দিতে পারে নি। কারণ, অনুমান ও শোনা কথাই ছিল তার তথ্য সংগ্রহের উৎস। ১৮৯২ সালে পুনর্গঠিত চৌকিদারি প্রতিষ্ঠান উপনিবেশিক শাসন আমলের শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে।
পূর্ব পাকিস্তানে মুখ্যত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ইউনিয়ন কাউন্সিলকে সহায়তা করার জন্য চৌকিদারদের স্থানীয় সরকার সংস্থার অধীনে ন্যস্ত করা হয়। চৌকিদারি প্রথাকে পুনর্গঠিত করার উদ্দেশ্যে বহু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়; কিন্তু তাদের অধিকাংশই অকার্যকর প্রমাণিত হয়। কোনো সুপরিকল্পিত স্থানীয় সরকার পদ্ধতির সঙ্গে এ প্রথাকে একীভূত করা সম্ভব হয় নি। ১৯৭৬ সালে সরকার পরিকল্পিত গ্রাম সরকার পদ্ধতির অংশ হিসেবে পল্লী অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি বা গ্রাম রক্ষীদলগঠন করেন। গ্রাম সরকার পদ্ধতি কখনও প্রবর্তন করা সম্ভব হয় নি। এখনও চৌকিদারগণ ইউনিয়ন কাউন্সিলের অধীনে থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং তাদের মাসিক বেতন স্থানীয়ভাবে আদায়কৃত অর্থ থেকে পরিশোধ করা হচ্ছে।
- সামসেরগঞ্জে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার, গ্রেপ্তার এক
- মাউন্টিং পাবলিক স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় পড়ুয়াদের ঢল
- মিঠুন-শ্রাবন্তীর উপস্থিতিতে জমজমাট ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ও SIR-এর নামে সই সংগ্রহ, এলাকাবাসীকে সতর্ক করলেন পঞ্চায়েত প্রধান
- ৫০০ পিস ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার মালদার যুবক
- উচ্চ মাধ্যমিকে বাতিল হচ্ছে সেমেস্টার?
- উচ্চ মাধ্যমিকে বাতিল হচ্ছে সেমেস্টার? পালাবদলের পর পুরোনো নিয়মে ফেরার জল্পনা
- সুজিত মণ্ডল খুনকাণ্ডে বড় মোড়! পালানোর চেষ্টার অভিযোগ, পুলিশের গুলিতে মৃত্যু অভিযুক্ত সামাউন শেখের
- কবিতা - টাকা
- সিসিটিভি ও মোবাইল ডেটার সূত্রে ২৪ ঘণ্টায় ফরাক্কা খুনের কিনারা, গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত
- সামশেরগঞ্জে আগ্নেয়াস্ত্র-কার্তুজ-সহ গ্রেফতার যুবক, উদ্ধার ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২ রাউন্ড কার্তুজ
- পরকীয়ার সন্দেহে স্বামীকে খুনের অভিযোগ,সাংবাদিক বৈঠক পুলিশের
- রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনা, প্রায় ২০০ মিটার ছেঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পরিবারের; মৃতের বাড়িতে শোকের ছায়া
সামশেরগঞ্জের চকসাপুরে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, ১৪ চাকা লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু এক ব্যক্তির - ফারাক্কায় ধানখেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের গলাকাটা দেহ উদ্ধার, ঝাড়খণ্ড সীমান্তে চাঞ্চল্য
- ধুলিয়ান গঙ্গাঘাটে কড়া নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জন, তৎপর পুলিশ-প্রশাসন
- প্রতিমা বিসর্জনে অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে তৎপর পুলিশ, মাঝিদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক
- সামশেরগঞ্জের বেতবোনায় প্রশাসনের উদ্যোগে বস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
- ধুলিয়ানে পুজোর উপহার, শতাধিক শিশুর হাতে নতুন পোশাক তুলে দেওয়ার উদ্যোগ চুন্নুর।
- ঘৃণার আগুন নিভিয়ে দাও মৈত্রীর প্রদীপ জ্বেলে দাও
- ভেজাল হলুদ কাণ্ডে ধৃতকে আদালতে পাঠাল সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ
- এনটিপিসি ফরাক্কার প্রশিক্ষণে ৩০ জনেরই চাকরি বৈষ্ণবন
- সামশেরগঞ্জে ভেজাল হলুদ তৈরির কারখানায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার এক
- রঘুনাথগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার, গ্রেফতার চার
- পাকুড়-বাংলা সীমান্তে ফের চালু টোটো স্ট্যান্ড, স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় সীমান্তবাসী
- অনুষ্ঠিত হলো নিখিলবঙ্গ মেধা অন্বেষণ উৎকর্ষ অভিযান ২০২৬
- আয়না
- রাজ্য স্কুল অ্যাথলেটিক্সে মালদার সাফল্য: ঝুলিতে ৬ সোনাসহ ১২ পদক
- সবজির ব্যাগে কোটি টাকার হেরোইন! সামশেরগঞ্জে পুলিশের জালে ১৮ বছরের যুবক
- ভাষাইপাইকড় পঞ্চায়েতে খারিজ স্টে অর্ডার, বহাল প্রধান-উপপ্রধান
- খড়দহে বিজেপির দলীয় কর্মসূচিতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ ও বোমাবাজির অভিযোগ, আহত ৪; আটক ৬
- মিঠুন-শ্রাবন্তীর উপস্থিতিতে জমজমাট ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬
- ৫০০ পিস ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার মালদার যুবক
- মাউন্টিং পাবলিক স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় পড়ুয়াদের ঢল
- উচ্চ মাধ্যমিকে বাতিল হচ্ছে সেমেস্টার?
- উচ্চ মাধ্যমিকে বাতিল হচ্ছে সেমেস্টার? পালাবদলের পর পুরোনো নিয়মে ফেরার জল্পনা
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ও SIR-এর নামে সই সংগ্রহ, এলাকাবাসীকে সতর্ক করলেন পঞ্চায়েত প্রধান
- সামসেরগঞ্জে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার, গ্রেপ্তার এক
- তৃণমূলের অফিস দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে
- বিজেপি নেতাকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে
- এরশাদের নেতৃত্বে সোমবার সন্ধ্যায় গণভবনে সংলাপে যাবে জাপা
- চাই স্থায়ী সভাপতি নয় বদল তৃনমুল শ্রমিক সভার দাবী। স
- বীরভূমের রাজনগর থানা ও বিডিওকে ডেপুটেশন বিজেপির
- কালিয়াগঞ্জে লোকসভা নির্বাচনের তৃণমূলের অফিস উদ্বোধন
- তৃণমূলে যোগদান মৌসম বেনজির নুরের
- মালদা জেলা তৃণমূল সভাপতি হয়ে মালদা ফিরলেন মৌসম বেনজির নূর
- সংলাপ চেয়ে চিঠি দিয়েছে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স
- রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় খালেদা জিয়া কারাগারে
- কলকাতায় পৌছাল চাঁচল,হরিশ্চন্দ্রপুর কলেজের তৃনমুল ছাত্র সংগঠন
- বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ৩ সদস্য
- ভারতীয় সংবিধানের ৩০ নং ধারা ও ধর্মনিরপেক্ষ আমরা
- মাল পৌর এলাকার একাধিক সমস্যা নিয়ে রাস্তায় বাম ছাত্র যুব সংগঠন
- হরিশ্চন্দ্রপুরে ১৬ দফা দাবিতে পাটগোলা শ্রমিকদের ধর্মঘট
