খুশির উৎসব ঈদ নিয়ে বিভাজন রাজনীতির তীব্র সমালোচনা
ফারুক আহমেদ
প্রকাশিত: ৬ জুন ২০১৯ ২৩ ১১ ৪৩ আপডেট: ৬ জুন ২০১৯ ২৩ ১১ ৪৩
খুশির উৎসব ঈদ নিয়ে বিভাজন রাজনীতির তীব্র সমালোচনা নাফা শান্তি চেতনা মঞ্চে
খুশির উৎসব ঈদ নিয়ে বিভাজন রাজনীতির তীব্র সমালোচনা করলেন নাফা শান্তি চেতনা মঞ্চের সভাপতি মৌসুমী বিশ্বাস। তিনি বললেন
"ঈদ উৎসব মিলন ও শান্তির বার্তা দেয়। উৎসব কোনও বিভাজন মানে না। ইসলাম শান্তি ও মিলনের কথা বলে, পবিত্রতার কথা কথা বলে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি রাজনীতি ও বিভাজনের কথা বলে উৎসবে মহিমা নষ্ট করেছেন। মুসলিম সমাজ দিদির বক্তব্যে বিরক্ত। মুসলিমরা শুধু তৃণমূলের নিজস্ব ভোটার এই ভাবনা মেরুকরণের ভাবনা। আমরা এই মেরুকরণ চাই না।
দিদি ভোটের আগে থেকেই কথাবার্তায় লাগামহীন। অনেক কুকথা বলছেন। তিনি একদিকে যখন 'জয় বাংলা' বলছেন আবার অন্য দিকে নিম্নমানের হিন্দি সিনেমার ডায়লগ দিয়ে উৎসব স্থলে যে ভাষায় ও ভঙ্গিতে কথা বলছেন, তা বেমানান। মানুষ এতে বিরক্ত হচ্ছেন। দিদি নিজেকে হাস্যষ্পদ করে তুলছেন। বাংলায় এই সব কুকথা বেমানান তাই বাংলার সংস্কৃতি, শিক্ষার পরিবেশেকে সুস্থ রাখতে বিভাজনের রাজনীতি বন্ধ হোক।"
হাসির মল্লিক, সভাপতি উদার ভুবন তিনি বললেন, "উৎসবে দিদির রাজনৈতিক এই বক্তব্য ও অযথা মুসলমান সমাজকে অভয়বাণী ও হিন্দি সিনেমার মতো ডায়ালগ -- ইদ উৎসবের পবিত্রতা ও মাধুর্য নষ্ট করেছে। কেন বার বার মুসলমানদের বিজেপি জুজু দেখাতে হবে? মুসলমানরা নিজেদের বাঁচাতে জানে। ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ নেই।
মুসলমানরা জেনে গেছে, মুসলমানরা দিদির উপকার করেছে, কিন্তু দিদি মুসলমানদের উপকার করেননি।
ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই রাজনৈতিক বক্তব্য ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানোর নির্মম দৃষ্টান্ত।
ইসলাম শান্তি ও পরধর্মকে সম্মান জানাতে বলেছে। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতেও বারণ করেছে।
ইদ একটি পবিত্র উৎসব। এক মাস রোজা রেখে আত্মশুদ্ধির পর এক মিলনবার্তা প্রচারক অনুষ্ঠান। এখানে রাজনীতি বেমানান।"
রোযা ভাঙার দিবস হচ্ছে ঈদুল ফিতর। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দুটো সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের একটি হলো ঈদুল ফিতর আর দ্বিতীয়টি হলো ঈদুল আযহা। মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ ঈদের দিন সকালে প্রথমে নতুন জামা-কাপড় পরে ঈদের নামাজ পড়তে যান। ঈদের নামাজ সবার জন্য আবশ্যিক। নামাজের পর সবাই একসাথে হয়ে কোলাকুলি করেন।
ঈদের নামাজের আগে গরিবদের ফেতরা মিটিয়ে দিতে হয়। সকলের ঈদ খুশির বার্তা বহন করে তাই গরিবদুঃখীদেরকে যাকাত দিতে হয় সমর্থন আছে যাদের।
ঈদের দিনে সেমাই, লাক্সা, বিভিন্ন মিঠাই, খুরমা সবচেয়ে প্রচলিত খাবার। এবং বিশেষ আরো অনেক ধরনের খাবার ধনি গরিব সকলের ঘরে তৈরী করেন। এ উৎসবের আরো একটি রীতি হল আশেপাশের সব বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া। এবং প্রত্যেক বাড়িতেই হালকা কিছু খাওয়া। এ রীতি পৃথিবীর বহু মুসলমান মেনে থাকেন।
মুসলিম-প্রধান দেশে ঈদুল ফিতরই হলো বৃহত্তম বাৎসরিক উৎসব। ঈদ উপলক্ষে সারা রমজান মাস ধরে সন্ধ্যাবেলা কেনাকাটা ও খাওয়া দাওয়া চলে। অধিকাংশ পরিবারে ঈদের সময়েই নতুন পোশাক কেনা হয়। পত্র-পত্রিকাগুলো ঈদ উপলক্ষে ঈদ সংখ্যা নামে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে থাকে। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলগুলো ঈদের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েকদিন বিশেষ অণুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করে সকলকে মুগ্ধ করে। ঈদের দিন ঘরে ঘরে সাধ্যমত বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়।
শহরগুলো হতে ঈদের ছুটিতে প্রচুর লোক নিজেদের আদি নিবাসে বেড়াতে যান। এ কারণে ঈদের সময়ে রেল, সড়ক, ও নৌপথে প্রচণ্ড ভিড় দেখা যায়।
দেশ ও বিশ্ব জুড়ে অসহিষ্ণুতা বাড়ছে, সম্প্রীতির বন্ধন অগ্রাহ্য করে বেড়ে চলেছে হানাহানি। সংবাদমাধ্যমেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উৎসব ও সাংস্কৃতিক আদান প্রদানের খবর প্রচারের সময় আমরা সমদৃষ্টির পরিচয় দেখতে পাই না। এ এক ট্রাজেডি।
পশ্চিমবঙ্গে প্রায় চার ভাগের এক ভাগ মানুষই মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত। এই সম্প্রদায়ের বড় উৎসব ঈদ। কিন্তু শারদ উৎসবের সংবাদ যেমন প্রচার পায়, তার ছিটেফোঁটা সংবাদ ঈদ উৎসবকে ঘিরে হয় না কেন? শারদ উৎসবকে ঘিরে যত শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হয় তাতে চোখ রাখলে দেখতে পাই, ঈদ সংখ্যাগুলোতে সংখ্যাগুরুদের অবাধ প্রবেশ ঘটলেও, শারদ সংখ্যাগুলোতে মুসলমান লেখক কবি সাহিত্যিকদের নাম প্রায় দেখতেই পাওয়া যায় না। ব্যতিক্রমী দু’এক জনের নাম মাত্র দেখতে পাই।
ঈদের দিন পশ্চিমবাংলায় শুধু মাত্র একদিন সরকারি ছুটি থাকে কেন? এই বঞ্চনা ও বৈষম্য দূর করতে সরকার বাহাদুর সরকারি ছুটি অন্তত দুই অথবা তিন দিনের জন্য বরাদ্দ করুক। মুসলমান সম্প্রদায়ের এটা বিনীত অনুরোধসহ আবেদন। সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ, বিশ্বিবদ্যালয় সহ অন্য সব প্রতিষ্ঠান নির্দেশ জারি করে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করুক। প্রতি বছর একটু সযত্নে সজাগ হয়ে ঈদের আগের দিন ও ঈদের পরের দিন কোনও পরীক্ষা রাখা না হলেই ভালো হয়। পরীক্ষার রুটিন করার সময় শিক্ষা গুরুরা একটু যেন সজাগ হয়ে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেন। কারণ রোজার ঈদ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে। যেমন ধরুন এবছরের রোজার ঈদ হলো ৫ জুন। ৪ জুন চাঁদ দেখা যায় তাই ৫ জুন ঈদের নামাজ হলো।
আর যদি ৫ জুন ঈদের চাঁদ দেখা যেতো তাহলে ঈদের নামাজ হতো ৬ জুন। রাজ্যের ও দেশের বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা নেওয়া হবে ৪, ৬ জুন বা ৭ জুন। আবার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই নিধারিত তারিখ পরিবর্তন করেছে।
৩০ শতাংশ সংখ্যালঘুরদের মধ্যে মুসলমানদের যোগ্য দাবী পূরণ করতে সরকার বাহাদুর এগিয়ে এলে খুশির উৎসব সবার মনে সহজেই আনবে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা।
দূরদূরান্ত থেকে বহু মুসলিম ঈদের নামাজ পড়ার জন্য এবং ঈদের উৎসব পালন করতে ঘরে ফেরেন এবং সকলের সঙ্গে মিলেমিশে আনন্দে মেতে উঠেন। তাই শুভবুদ্ধির মানুষেরা একটু সহনশীল মনে বিষয় টা গুরুত্ব দিয়ে বোঝার শক্তি অর্জনের চেষ্টা করবেন এই আশায় বুক বাঁধেন ভারতীয় মুসলিম সম্প্রদায়।
সম্প্রীতির মেলবন্ধন জরুরি। আমরা পরিবর্তন চাই মননে ও কার্যক্ষেত্রে। আমাদের মধ্যে যে বিভেদের প্রাচীর তোলার অশুভ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে তা ব্যর্থ করতে আমাদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। নইলে যতই আমরা মুখে সম্প্রীতির বার্তা শোনাই না কেন, সব আয়োজন গঙ্গার ভাঙনের মতো তলিয়ে যাবে। আমরা ছদ্ম ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিসর্জন দিতে চাই। প্রকৃত ধর্মবোধে যারা বলীয়ান তাদের স্বাগত জানিয়ে সকলে মিলে ধর্মনিরপেক্ষতাকে পরিপূর্ণ করে তুলতে চাই। বিভিন্ন ইফতার অনুষ্ঠানে আমরা সংখ্যাগুরু সমাজের মানুষদের উদার আহ্বান জানিয়ে গর্ববোধ করেছি। কিন্তু বিভিন্ন পুজোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমরা আজও ব্রাত্যই থেকে গেলাম কেন?
আমরা বঞ্চনা চাই না। যে বঞ্চিত, সে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান হোক আর মুসলমান হোক, সেই আমাদের দুঃখের সমভাগী।
মুর্শিদাবাদ জেলার আমতলা গ্রামের মাস্টার পাড়ার ঈদগাহে নামাজ শুরু হয় ৭.১৫-তে নামাজ পড়ার সময়কার ছবি তুলেছেন রিয়াম্ভিতা মন্ডল।
লেখক: ফারুক আহমেদ
গবেষক, ইতিহাস বিভাগ, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়।
কথা ৭০০৩৮২১২৯৮
- অনাস্থা ডেকেও টলল না চেয়ার, ফের বহাল শাহনাজ বিবি
- পায়েলের জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ
- শিক্ষক দিবসে অভিনব উদ্যোগ
- ফরাক্কায় রেললাইন ধস, মেরামত চলছে জোরকদমে
- পাহাড়ি ঢলে জলমগ্ন নিশিন্দ্রা কাটান, বন্ধ ফরাক্কা-ঝাড়খণ্ড সড়ক যোগাযোগ
- পুলিশের গাড়ি থেকে দুই বাংলাদেশি বন্দি উধাও! ধাওয়া করে ধৃত এক, পলাতক অন্যজন
- নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আপ-ডাউন দুই লাইনেই ব্যাহত ট্রেন চলাচল
- পুঁটিমারি ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে ভয়াবহ ধস, রাস্তা জুড়ে মরণফাঁদ! চরম দুর্ভোগে ধুলিয়ান-ঝাড়খণ্ডগামী যাত্রীরা
- ১৫–০ ভোটে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান অপসারিত
- দুর্নীতির অভিযোগে ১৭ ভোটে অপসারিত প্রধান, ভাষাইপাইকড় পঞ্চায়েতে ভাঙল বোর্ড!
- মালদায় সমাজসেবায় দৃষ্টান্ত রোটারি ক্লাব অব সিল্ক সিটি
- হারানো ফোনের সন্ধানে পুলিশের সাফল্য, একসঙ্গে ৩০টি মোবাইল উদ্ধার
- সুতিতে টোটো থামাতেই চক্ষু চড়কগাছ! উদ্ধার ৭১২ বোতল ফেনসিডিল
- ধুলিয়ান পৌরসভায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল
- ডাঙায় উঠলেই অসহ্য জ্বালা, ৪ বছর ধরে পানিতেই ১৭ বছরের ইকবাল
- তিরঙ্গা যাত্রায় সামনের সারিতে হাঁটা নিয়ে বচসা, হাতাহাতি! আহত বিজেপি কর্মী
- নেতাজিকে নিয়ে মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজের ‘বঙ্গবিভূষণ’ প্রত্যাহার
- স্ত্রীর ভালবাসায় আস্ত ‘তাজমহল’ বানালেন প্রৌঢ়, খরচ আড়াই কোটি!
- এনআরএসে কর্তব্যরত নার্সের রহস্যমৃত্যু, তদন্ত শুরু স্বাস্থ্য দফতরের
- আবাস যোজনায় ৭০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ
- সাংবাদিক বাবুল হকের জীবনপঞ্জি:
মফস্বল সাংবাদিকতা থেকে সংবাদ প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার - মহাদেবনগর পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা হুঁশিয়ারি প্রধানের
- মহাদেবনগর পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা হুঁশিয়ারি প্রধানের
- সুতিতে আগ্নেয়াস্ত্র-বোমা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
- আহমদপুরে এডিআরএম-কে স্মারকলিপি
- ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা
- বাড়েনি বেতন, স্থায়ীকরণ দাবিতে সরব KGBV কর্মীরা
- কাদুয়া বিট হাউস পুলিশের অভিযানে ৪০টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার, ধৃত এক যুবক
- এক ব্যাগ রক্তে বাঁচল জীবন, সাগরদিঘীতে প্রশংসায় সিভিক কর্মী উদায়ুল ইসলাম
- ‘সাগরদিঘি সুপার কাপ’ ফুটবলের উন্মাদনা
- ১৫–০ ভোটে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান অপসারিত
- নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আপ-ডাউন দুই লাইনেই ব্যাহত ট্রেন চলাচল
- ফরাক্কায় রেললাইন ধস, মেরামত চলছে জোরকদমে
- পায়েলের জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ
- পুঁটিমারি ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে ভয়াবহ ধস, রাস্তা জুড়ে মরণফাঁদ! চরম দুর্ভোগে ধুলিয়ান-ঝাড়খণ্ডগামী যাত্রীরা
- পুলিশের গাড়ি থেকে দুই বাংলাদেশি বন্দি উধাও! ধাওয়া করে ধৃত এক, পলাতক অন্যজন
- পাহাড়ি ঢলে জলমগ্ন নিশিন্দ্রা কাটান, বন্ধ ফরাক্কা-ঝাড়খণ্ড সড়ক যোগাযোগ
- শিক্ষক দিবসে অভিনব উদ্যোগ
- অনাস্থা ডেকেও টলল না চেয়ার, ফের বহাল শাহনাজ বিবি
- আসামে ১৭ টি জেলায় নতুন ডিসি
- হেডিংঃসরনা ধর্মের স্বীকৃতির দাবী আদিবাসী সমাজের সভায়
- মালে শুরু হলো সপ্তদশ বার্ষিকী সাংস্কৃতিক বিচিত্রানুষ্ঠান
- চাঁচলকে পুরসভা করার প্রস্তাব মৌসমকে
- শীতের মরশুম শুরু হতেই খেঁজুর গাছের রস সংগ্রহে ব্যাস্ত গাছিরা
- মৌসম বেনেজির নুরের নির্দেশে বুথে বুথে জনসংযোগ যাত্রা শুরু
- আন্তর্জাতিক যোগদিবস পালিত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে
- বিদ্যুতের তার ছিড়ে তরিৎপিষ্ট হয়ে চার গরুর মৃত্যু নাগরাকাটায়
- প্রধান শিক্ষকের অবসরের বিদায় অনুষ্ঠানে কান্নায় ভেঙে পড়েন ছাত্রর
- দুই লক্ষ টাকার জালনোট সহ গ্রেফতার এক
- অসমের ২৫ জেলায় বন্যা
- লোকপূরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা আদিবাসী মহিলার
- ক্রাইম মনিটরিং সেলের পুলিশের জালে কোটি টাকা মূল্যের বিষসহ গ্রেফতা
- পার্থেনিয়াম নিধনে হাতে মাঠে নামলেন তুলসীহাটা পঞ্চায়েত
- পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে শুরু হলো দেবীপক্ষের সূচনা,
