ব্রেকিং:
পুষ্প প্রভাত টিভিতে স্বাগতম। পুষ্প প্রভাত টিভি বাংলা নিউজ চ্যানেলে পাবেন: ব্রেকিং নিউজ, রাজ্য ও জাতীয় খবর, আন্তর্জাতিক ও ইসলামী দুনিয়ার খবর, শিক্ষা, খেলা ও বিনোদন, আলোচনা ও ময়দানি প্রতিবেদন, সরাসরি মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন ও টক শো।সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকন চাপুন – গুরুত্বপূর্ণ কোনও খবর যেন বাদ না যায়! আমাদের অফিসিয়াল সাইটে: https://puspaprovat.com/ Links. FACEBOOK PAGE PUSPA PROVAT www.facebook.com/puspaprovattv. INSTAGRAM www.instagram.com/puspaprovat. TWITTER www.twitter.com/puspaprovat. Puspa Provat (Bengali news) https://puspaprovat.com/ LINKEDIN linkedin.com/company/puspaprovat. YOUTUBE www.youtube.com/@PuspaProvattv মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বেওয়া-২ পঞ্চায়েতের নিশিন্দ্রা গ্রামে ভোটার তালিকা ভুয়ো ভোটার। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার উদ্যোগে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা সভা। ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট এমকে ফাইজির গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সামশেরগঞ্জে পথসভা SDPI এর ফের সামশেরগঞ্জের হাউস নগর ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে পথদুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা গাড়িচালকের জামাইবাবুর হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা

শুক্রবার   ১৬ অক্টোবর ২০২৬   কার্তিক ১ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

সর্বশেষ:
পুষ্প প্রভাত টিভিতে স্বাগতম। পুষ্প প্রভাত টিভি বাংলা নিউজ চ্যানেলে পাবেন: ব্রেকিং নিউজ, রাজ্য ও জাতীয় খবর, আন্তর্জাতিক ও ইসলামী দুনিয়ার খবর, শিক্ষা, খেলা ও বিনোদন, আলোচনা ও ময়দানি প্রতিবেদন, সরাসরি মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন ও টক শো।সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকন চাপুন – গুরুত্বপূর্ণ কোনও খবর যেন বাদ না যায়! আমাদের অফিসিয়াল সাইটে: https://puspaprovat.com/ Links. FACEBOOK PAGE PUSPA PROVAT www.facebook.com/puspaprovattv. INSTAGRAM www.instagram.com/puspaprovat. TWITTER www.twitter.com/puspaprovat. Puspa Provat (Bengali news) https://puspaprovat.com/ LINKEDIN linkedin.com/company/puspaprovat. YOUTUBE www.youtube.com/@PuspaProvattv
নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কিত কিছু ভাবনা 

নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কিত কিছু ভাবনা 

নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কিত কিছু ভাবনা 

মজিবুর রহমান, প্রধানশিক্ষক, কাবিলপুর হাইস্কুল 

 

      সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার সংসদীয় শাসনব্যবস্থার প্রাণস্বরূপ। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতে লোকসভা, বিধানসভা ও পঞ্চায়েত বা পৌরসভা- এই তিনটি প্রধান ভোট।অর্থাৎ, দেশের প্রতিটি শহর ও গ্ৰামে প্রতি পাঁচ বছরে অন্তত তিনবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনকে এখন গণতন্ত্রের উৎসব বলা হচ্ছে। এদিক থেকে দেখলে লোকসভা নির্বাচন দেশের বৃহত্তম উৎসব।একইভাবে বিধানসভার ভোট সংশ্লিষ্ট রাজ্যের এবং পঞ্চায়েত নির্বাচন গ্ৰামীণ এলাকার সবচেয়ে বড় উৎসব।রাষ্ট্র, রাজ্য অথবা স্থানীয় এলাকার সরকার গঠনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত উৎসব অনেকসময়ই উপভোগ্য থাকে না। নানাবিধ কারণে অনেকের কাছেই এই উৎসব আনন্দদায়ক হওয়ার পরিবর্তে বিরক্তিকর ও আতঙ্কজনক হয়ে ওঠে। এজন্য সমগ্ৰ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কিভাবে আরও সহজ, সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করা যায় সে বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করার অবকাশ রয়েছে।   

      লক্ষ্য করলে দেখা যায়, স্বাধীন ভারতে ১৯৫২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৭২ বছরে নির্বাচনী ব্যবস্থায় বেশকিছু নিয়মের রদবদল করা হয়েছে।যেমন, ৬১তম সংবিধান সংশোধনী, ১৯৮৯-এর মাধ্যমে ভোটাধিকারের ন্যূনতম বয়স ২১ থেকে কমিয়ে ১৮ বছর করা হয়। ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এন শেষনের সময়ে (১৯৯০-১৯৯৬) একাধিক উল্লেখযোগ্য সংস্কার সাধন হতে দেখা যায়। আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার দিন থেকে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য আদর্শ আচরণবিধি (মডেল কোড অব কনডাক্ট) কার্যকর করা হয়। প্রচারণার জন্য প্রার্থীদের ব্যয়ের উর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করা হয়। প্রচারণায় সাম্প্রদায়িক ও বর্ণভিত্তিক মন্তব্য নিষিদ্ধ করা হয়। ভোট প্রচারের সময় মন্ত্রিসভা তথা আইনসভার সদস্যদের সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়।১৯৯৩ সালে সকল ভোটারের জন্য সচিত্র পরিচয় পত্র বা এপিক চালু করা হয়। এখন ভোটার লিস্টেও ভোটারের ফটো থাকে। বাড়ি বাড়ি ভোটার স্লিপ পৌঁছে দেওয়া হয়। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোটগ্ৰহণ করা হচ্ছে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে ভোটগ্ৰহণ কেন্দ্রে গিয়েও একজন ভোটারের কোনো প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ইভিএম-এ 'নোটা' বোতাম সংযুক্ত করা হয়। ভিভিপ্যাট থেকে ভোটার দেখে নিতে পারেন তিনি যে প্রার্থীকে ভোট দিলেন তিনিই সেই ভোট পেলেন কিনা। আগে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটপ্রদান পর্ব শেষ হবার অব্যবহিত পরে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রেই ভোট গণনা করা হতো, এখন তা দিন কয়েক পর বিডিও অফিসের তত্ত্বাবধানে করা হয়। আগে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ভোটকর্মীদের ব্যক্তিগত ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হতো, এখন ভোটকর্মীদের নিজ নিজ বিধানসভা এলাকায় ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়। গত শতক পর্যন্ত এক দিনেই ভোট গ্ৰহণ করা হয়েছে, এখন তা অধিকাংশ রাজ্যে একাধিক দফায় করা হয়। ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন রাজ্য পুলিশ এবং তাৎক্ষণিক ভাবে নিযুক্ত লাঠিধারী ভলান্টিয়ার। এখন লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া করা হয় না। কাজেই বলা যায়, আমাদের দেশে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নানান সংযোজন-বিয়োজন বা পরিবর্তন ঘটেই চলেছে।

      নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কারের ধারাবাহিকতায় আরও কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার বলে মনে হয়।যেমন- এক, ভোটাধিকারের ন্যূনতম বয়স কয়েক বছর বাড়ানো উচিত কারণ একজন ব্যক্তির মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হওয়ার জন্য আঠারো বছর বয়স যথেষ্ট নয়। প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষা শেষ করতেই সাধারণত একজন শিক্ষার্থীর বয়স ২৪-২৫ বছর হয়ে যায়। আমাদের দেশে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর। ভোটাধিকারের ন্যূনতম বয়সও ওটাই করা যেতে পারে। দুই, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা হোক যাতে মানুষ বিভিন্নভাবে এতে সামিল হতে পারে। ১৯৫২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কোনো লোকসভা নির্বাচনে ভোট প্রদানের জাতীয় গড় ৭০ শতাংশ অতিক্রম করেনি। ৩০ শতাংশ ভোটারের ভোটদানে বিরত থাকা সংসদীয় শাসনব্যবস্থার পক্ষে স্বাস্থ্যকর পরিসংখ্যান হতে পারে না। একজন ভোটার ব্যস্ততা, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পারলেও যাতে সে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেই ব্যবস্থাও করা দরকার। অনলাইনে আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করি। তাহলে 'ডিজিটাল' ভারতে অনলাইনে ভোট গ্ৰহণে অসুবিধা কোথায়? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কলকাতা হাইকোর্ট ই-মেল ও হটসআপের মাধ্যমে মনোনয়ন পত্র পেশ করার অনুমতি দিয়েছিল। তিন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে একটা ন্যূনতম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হোক। যেটা ছাড়া একজন নাগরিকের পক্ষে কোনো সরকারি চাকরি পাওয়া সম্ভব নয় সেটা ছাড়া একজন নাগরিক আইনসভার সদস্য হবেন কেন? ছোটবেলা থেকে স্কুল-কলেজে লেখাপড়া না শিখে সমাজবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপ করতে করতেই অনেকের রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ ঘটছে এবং তারা জনপ্রতিনিধিও হয়ে যাচ্ছে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। চার, ভোট প্রক্রিয়ার দীর্ঘীকরণ রোধ করা হোক। ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করা হয়েছে ১৬.৩.২৪ তারিখ।মোট সাত দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে।প্রথম দফা (১৯.৪.২৪) থেকে অন্তিম দফার (১.৬.২৪) ব্যবধান ৬ সপ্তাহ। ভোট গণনা হবে ৪.৬.২৪ তারিখ। অর্থাৎ নির্ঘণ্ট ঘোষণা থেকে গণনা দীর্ঘ ৮০ দিনের ব্যাপার। ১৭তম লোকসভা নির্বাচনও সাত দফায় অনুষ্ঠিত হয়।নির্ঘণ্ট ঘোষণা থেকে গণনা চলে ৭২ দিন ধরে। ভোটদান পর্বকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থেই এমন প্রলম্বিত সূচির প্রয়োজনীতার কথা বলা হলেও বাস্তবে উল্টোটাই ঘটতে দেখা যায়। ভোট প্রক্রিয়া যত দীর্ঘমেয়াদী হয় প্রার্থীদের পক্ষে বাহুবল ও অর্থবল দেখানোর সময় ও সুযোগ তত বৃদ্ধি পায়। নির্বাচন পর্ব কম সময়ের মধ্যে সাঙ্গ হলে সাধারণ ভোটাররা অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত বা বিভ্রান্ত না হয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি অনুযায়ী ভোট দিতে পারেন।সমগ্ৰ ভোট প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে জনজীবন ও প্রশাসনিক কাজকর্মকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা উচিৎ। পাঁচ, অন্তর্বর্তী নির্বাচন রোধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা দরকার।বিকল্প সরকার গঠনের নিশ্চয়তা তৈরি না করে কোনো ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটানো যাবে না, এই মর্মে আইন প্রণয়ন করতে হবে। ঘন ঘন ভোট যজ্ঞের আয়োজন দেশের আর্থিক স্বাস্থ্য ও স্থায়ী উন্নয়নের পরিপন্থী।ছয়, ভোট গ্রহণ করতে গিয়ে ভোটকর্মীদের অমানসিক চাপ সহ্য করতে হয়। তাই কোনো সরকারি কর্মচারী-শিক্ষকই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকর্মী হতে চান না। প্রিসাইডিং অফিসার নানান ধরণের ফর্ম পূরণ করতে করতেই নাজেহাল হয়ে পড়েন।এত বেশি নিয়মাবলী প্রয়োগ করার কথা বলা হয় যে, বুথের মধ্যে সেসব মনে রাখা ও কার্যকর করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ এগুলোর সঙ্গে ভোটকর্মীদের নিরপেক্ষ ভাবে দায়িত্ব পালন ও সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করার খুব একটা সম্পর্ক নেই। অজস্র অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের হিসেব রাখার পরিবর্তে ভোট গণনা করার জন্য যেটুকু তথ্য দরকার ভোটকর্মীদের কেবল সেটুকুই প্রস্তুত করতে বলা হোক। লক্ষ্যের থেকে উপলক্ষ্যকে বড় করে ভোটকর্মীদের অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে ফেলা বন্ধ হোক। সাত, ইভিএম ও অন্যান্য কাগজপত্র ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া এবং ভোট গ্রহণ শেষে সেগুলো সংগ্ৰহ করার দায়িত্ব সেক্টর অফিসারের ওপর ন্যস্ত করা যেতে পারে। অর্থাৎ ডিসি-আরসি'র কাজ করবেন সেক্টর অফিসার আর সেক্টর অফিসারের সঙ্গে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটকর্মীদের বোঝাপড়া হবে। আট, কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার জন্য অথবা সামগ্ৰিকভাবে ভোটের কাজে দীর্ঘদিন ধরে পঠনপাঠন বন্ধ রেখে স্কুল-কলেজ ব্যবহার করা উচিৎ নয়। আমরা যেন মনে না করি- সবার উপরে ইলেকশন সত্য তাহার উপরে নাই।

       সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় দেশের সকল নাগরিকেরই কমবেশি রাজনীতি সচেতন হওয়া দরকার।এই সচেতনতা শুধু ভোটের সময় রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের ভাষণ শুনে তৈরি হয় না। সারা বছর চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়ে পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে হবে। ভোটের সময় তার প্রয়োগ ঘটাতে হবে। সরকার গঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে সহজ ভাবে গ্ৰহণ করতে হবে। রাজনীতিতে শাসক পক্ষ ও বিরোধী পক্ষ উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মানুষ ঠিক করবে কোন দল কোন দায়িত্ব পালন করবে। ভোট নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতি ভালো নয়। আজকের দিনে রাজনীতিতে চরম অবক্ষয়ের জন্য জনগণের অজ্ঞতাও অনেকাংশে দায়ী।

০২:০৫ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৪ শনিবার

অরঙ্গাবাদের মহেন্দ্রপুর ঈদগাহে ঈদ উদযাপন

অরঙ্গাবাদের মহেন্দ্রপুর ঈদগাহে ঈদ উদযাপন

১০:৪০ এএম, ১১ এপ্রিল ২০২৪ বৃহস্পতিবার

জঙ্গীপুরে শুরু হলো নাট্য উৎসব -২০২৪

জঙ্গীপুরে শুরু হলো নাট্য উৎসব -২০২৪

জঙ্গীপুর, ১ মার্চ ২০২৪: প্রত্যেক বছরের ন্যায় এইবছর গতকাল ২৯শে ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় রঘুনাথগঞ্জের রবীন্দ্রভবনে রঘুনাথগঞ্জ থিয়েটার গ্রুপ ও বাগানবাড়ি ড্রামাটিক ক্লাব পরিচালিত পাঁচদিন ব্যাপী বাৎসরিক নাট্য উৎসব ২০২৪ - এর উদ্বোধন হয়। উপস্থিত ছিলেন থিয়েটার গ্রুপের পৃষ্টপোষক মোহাঃ হাসানুজ্জামান (লিটন) , সভাপতি রেজাউল করিম, সহ-সভাপতি বিজয় কুমার জৈন, সম্পাদক অজিত সরকার, সাহিত্যিক কাজী আমিনুল ইসলাম, কবি মোঃ ইজাজ আহামেদ, বাংলাদেশ থেকে আগত নাট্য ব্যক্তিত্ব মোহাঃ রফিক, রাজনীতিবিদ হালিমা বিবি, রঘুনাথগঞ্জ থিয়েটার গ্রুপ ও বাগানবাড়ি ড্রামাটিক ক্লাবের সদস্যবৃন্দ। উপস্থিত অতিথিদের বরণ করা হয় এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। এছাড়া অতিথিদের, নাট্য গ্রুপ ও সাংবাদিকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সোমনাথ কর। এদিন দুটি নাটক মঞ্চস্থ করা হয়। প্রত্যেকদিন দুটি করে নাটক মঞ্চস্থ করা হবে বলে উদ্যোক্তারা জানান। 

 

 

১১:১৬ এএম, ১ মার্চ ২০২৪ শুক্রবার

মহান সূফী সাধক হজরত আলা হুজুরের ১৬০তম ঊরুষ  খানকাহ শরীফ মেদিনীপুরে

মহান সূফী সাধক হজরত আলা হুজুরের ১৬০তম ঊরুষ খানকাহ শরীফ মেদিনীপুরে

মহান সূফী সাধক হজরত আলা হুজুরের ১৬০তম ঊরুষ খানকাহ শরীফ মেদিনীপুরে

 

মেদিনীপুর, ২৪ফেব্রুয়ারি,২০২৪: মহান তাপস সৈয়েদো হবনা হযরত সৈয়দ শাহ মেহের আলী আল কাদেরির ১৬০ তম বাৎসরিক উরস শরীফ তাঁরই প্রপৌত্র মেদিনীপুর খানকাহ শরীফের সাজ্জাদানশীন পীরসাহেব হযরত মওলানা সৈয়দ শাহ জেলাল মুরশেদ আল কাদেরির তত্ত্বাবধানে ৬ ফাল্গুন ( 19 ফেব্রুয়ারি), সোমবার মেদিনীপুর খানকাহ

শরীফে মহা সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার ভক্ত ও শিষ্যের সমাগম ঘটে। এই মহান তাপস 'আলা হুজুর' নামে সমধিক প্রসিদ্ধ। 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী, সম্মানীয় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো, অন্যান্য বিশিষ্ট মাননীয় ব্যাক্তি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিধায়ক কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মহঃ আব্দুল গনি। 

 

কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মীর দারাশেকো, লোকসভার সাংসদ খলিলুর রহমান, মেদিনীপুরের স্থানীয় 

 বিধায়ক জুন মালিয়া, বিধায়ক ও রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি মোশারফ হোসেন, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুজয় হাজরা, জেলা তৃনমূল সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক মেরাজ আহমেদ,

 স্থানীয় পৌর প্রতিনিধি অর্পিতা নায়েক, সমাজসেবী বিশ্বেশ্বর নায়েক, কাদেরী টাইমস এর সম্পাদক সৈয়দ মিনহাজ হুসেন আল হুসেনী, কলম পত্রিকার কাজী আলি আকবর প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। 

এই উরস শরীফে কাদেরী টাইমস পত্রিকার বার্ষিক ঊরুষ সংখ্যা উদ্ভোধন করেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী মাননীয় স্নেহাশীষ চক্রবর্তী।

আলা হুজুরের ১৬০তম বাৎসরিক উরস উৎসব উপলক্ষে সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতি শান্তি ও জাতীয় ঐক্য শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সমস্ত অতিথিবর্গ তাদের বক্তব্যে আলা হুজুরের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন। 

 

পবিত্র এই অনুষ্ঠানের সুচনা করেন দরবার শরীফ কলকাতা ও মেদিনীপুর খানকাহ শরীফের নায়েব সাজ্জাদানশীন পীরজাদা মওলানা অধ্যাপক ড. সৈয়দ মুস্তাফা মুরশেদ জামাল শাহ আল কাদেরী বিভাগীয় প্রধান আরবি বিভাগ মওলানা আজাদ কলেজ কলকাতা। তিনি তাঁর বক্তব্যে আলা হুজুরের

সুমহান জীবনাদর্শের উপর আলোকপাত করেন। 

 

অনুষ্ঠান শেষে পীরসাহেব মানব কল্যান ও বিশ্ব শান্তির জন্য ভক্তদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দেন।

১০:১৮ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার

সামসেরগঞ্জে পালিত হলো অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নাট্য উৎসব

সামসেরগঞ্জে পালিত হলো অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নাট্য উৎসব

সামসেরগঞ্জে পালিত হলো অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নাট্য উৎসব 

 

মুর্শিদাবাদ, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রত্যেক বছরের ন্যায় এবারও ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার সমশেরগঞ্জ ব্লকের কাঁকুরিয়ার সাহেবনগর হাই স্কুল প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ধুলিয়ান নাট্যসৃজন এবং দৈনিক জয় বাংলা পত্রিকার যৌথ প্রয়াসে পালিত হলো অমর একুশে ফেব্রুয়ারি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জেলা ব্যাপী নাট্য উৎসব। এই মঞ্চে কবিতা পাঠ ও নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার সাথে সাথে একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সমাজসেবী, সংবাদিক, টলিউডের অভিনেতা- অভিনেত্রী ও রাজনৈতিক পদস্থ ব্যক্তিরা। সম্মানীত হন দ্বিভাষিক কবি মোঃ ইজাজ আহামেদ, কবি মোহঃ হাসানুজ্জামান (লিটন), কবি আবদুস সালাম, গোলাম কাদের, রফিকুজ্জামান খান ও দ্বিভাষিক কবি ইমদাদুল ইসলাম, কবি জালালউদ্দিন রেজা, রুবিনা আকতার সহ অনেকেই। উপস্থিত ছিলেন টলিউডের চিত্র পরিচালক দাইদ হোসেন, চিত্র অভিনেতা দেবা ব্যানার্জী, অভিনেতা ও প্রযোজক মেরাজ শরীফ, অভিনেতা চিন্টু, হাউস নগর প্রতিবন্ধী মঞ্চের সভাপতি তৌসিক আহমেদ ও সম্পাদক সাবির হোসেন প্রমুখ।

মঞ্চে নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছিল একটি নতুন সিনেমার প্রোমো লঞ্চ। ওই অনুষ্ঠানে ফুলকি এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত বাসার শেখ- এর কাহিনী অবলম্বনে এবং তরুণ প্রতিভাবান পরিচালক দাউদ হোসেনের চিত্রনাট্য সংলাপ ও পরিচালনায় 'তুই কে আমার' ছবির ট্রেলার দেখানো হয়। ছবিটি মূলত দুজন ছোট ছেলে মেয়ের ঘাত প্রতিঘাতের জীবন কাহিনী অবলম্বনে গড়ে উঠেছে। গ্রাম বাংলা থেকে উঠে আসা এক গ্রাম্য কাহিনী অবলম্বনে নতুন ছেলে মেয়েদের নিয়ে ছবিটি তুলে ধরেছে নানাবিধ ঘটনা প্রবাহ। দুই কিশোর কিশোরীর গল্প অবলম্বনে 'তুই কে আমার' ছবিটি দর্শক মহলে সাড়া ফেলবে বলে আশা করছেন পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা। 

০৮:৩৬ এএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার

গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী এক মহিলা, তদন্তে পুলিশ

গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী এক মহিলা, তদন্তে পুলিশ

০৮:৩৭ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রোববার

অনুষ্ঠিত হলো স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকার সাহিত্য সভা

অনুষ্ঠিত হলো স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকার সাহিত্য সভা

 

অরঙ্গাবাদ, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আজকে অরঙ্গাবাদের একান্ত আপন লজে অনুষ্টিত হলো স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকার চতুর্থ সংখ্যার উন্মোচন, সাহিত্য সম্মেলন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। এই সংখ্যায় ২২টি দেশের বাংলা ও ইংরেজি ভাষার ২০০ জন কবি - লেখক কলম ধরেছেন। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৫০ জন কবি - সাহিত্যিক। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ দিল বাদশা, মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন সহ সভাধিপতি নিজামউদ্দিন আহমেদ, সহিত্যিক এস এম নিজামউদ্দিন, সহিত্যিক আনওয়ার হোসেন সিদ্দিকী, কবি ও লেখক মোহাঃ হাসানুজ্জামান, শিক্ষাবিদ গুলজার হোসেন, কবি স্বপন কুমার, কবি ও লেখক আসিকুল আলম বিশ্বাস, কবি ও পত্রিকার সহ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, কবি মোঃ মুরসালীন হক, কবি রাফিকুজ্জামান খান, কবি মোহাঃ আলিউল হক, কবি গোলাম কাদের, কবি মাহতাব হোসেন, কবি মেহেজাবিন আফরোজা, কবি উমার সিদ্দিক রিন্টু, শিক্ষিকা সায়েদা মুসফেকা ইসলাম, শিশু শিল্পী মাহমুদ হোসেন, প্রচ্ছদ শিল্পী হুমায়ূন কবীর, কবি উমার ফারুক, কবি উমার সিদ্দিক রিনটু, কবি খালিদা খাতুন, কবি সব্যসাচী দাস, কবি জালালউদ্দিন রেজা, কবি পারভীন খাতুন, কবি সামসুদ্দিন বিশ্বাস, কবি বিশ্বজিৎ সাঠিয়ার, কবি ইমতিয়াজ কবি, কবি অসিত প্রামাণিক, কবি গৌড় চন্দ্র পাল, কবি জালালউদ্দিন রেজা, কবি এম আব্দুল করিম,সাংবাদিক মইদুল ইসলাম, সাংবাদিক রাজু আনসারি, সংবাদিক মেহেদি হাসান, সাংবাদিক রাজু সেখ,

সাংবাদিক হাবিবুর রহমান, সাংবাদিক ও কবি নাজমুস সাহাদাত প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন পত্রিকার সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদ, সভাপতি আবদুস সালাম, সহ সম্পাদক আব্দুল মালেক, সারিফুল ইসলাম প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন সব্যসাচী দাস। কবি কণ্ঠে কবিতা পাঠ, বক্তব্য ও সঙ্গীতে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠান। এদিন পত্রিকার কবি লেখকদের পাশাপাশি উপস্থিত কবি - লেখক ও সাংবাদিকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

 

০৮:০৫ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রোববার

`ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা`র অংশ হিসেবে সুতিতে রাহুল গান্ধী

`ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা`র অংশ হিসেবে সুতিতে রাহুল গান্ধী

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

অরঙ্গাবাদ, ০১.০২.২০২৪: 'ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা'র অংশ হিসেবে সুতিতে রাহুল গান্ধীর আগমন ঘটল আজ। এদিন সুতির সাজুরমোড় বাসস্ট্যান্ড থেকে ধলারামচন্দ্রপুর হয়ে চাঁদের মোড় পর্যন্ত বাসযাত্রা হয়। এই যাত্রায় শরিক ছিলেন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী, সুতির মতিউর রহমান ও কংগ্রেস নেতৃবৃন্দগণ সহ সদস্যগণ তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য জমায়েত হন। তাঁকে এক পলক দেখার জন্য জনসাধারণেরও উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। 'ভারত জোড়ো যাত্রার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় নতুন বছরের ১৪ জানুয়ারি মণিপুর থেকে এবং চলবে ২০ মার্চ মুম্বই পর্যন্ত। ১৪টি রাজ্যের ৮৫টি জেলায় এই পদযাত্রা ও বাসযাত্রা অনুষ্টিত হবে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য 'ভারত জোড়ো যাত্রা'র প্রথম পর্ব শুরু হয়েছিল ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে কন্যাকুমারী থেকে এবং শেষ হয় ৩০ জানুয়ারী ২০২৩ সালে। 

 

০৭:০৭ পিএম, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বৃহস্পতিবার

অরঙ্গাবাদ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক মিলন উৎসবের উদ্বোধন

অরঙ্গাবাদ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক মিলন উৎসবের উদ্বোধন

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

অরঙ্গাবাদ, ১৮ জানুয়ারি: গতকাল ১৭ই জানুয়ারি বুধবার ডি এন সি কলেজ মাঠে সুতি নাগরিক মঞ্চের আয়োজনে শুরু হলো অরঙ্গাবাদ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক মিলন উৎসব - ২০২৪। এদিন ডি এন সি কলেজ মাঠ থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করে অরঙ্গাবাদ অ্যাঞ্জেলস অ্যাকাডেমি, ব্রাইট ফিউচার অ্যাকাডেমি, আইডিয়াল এডুকেশন মিশন স্কুল, বাসুদেব পাবলিক স্কুল, প্রণবানন্দ বিদ্যাপীঠ, অরঙ্গাবাদ হাই স্কুল, অরঙ্গাবাদ বালিকা বিদ্যালয়, ডি এন সি কলেজ ও গোঠা হাই স্কুলের এন সি সি টিম। উপস্থিত ছিলেন সুতির বিধায়ক ঈমানী বিশ্বাস, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার এস পি আনন্দ রায়, শিক্ষাবিদ জুলফিকার আলি, পতাকা ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষ থেকে সওকাত আলি, মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন সহ সভাধিপতি নিজাম উদ্দিন আহমেদ, লোকসংস্কৃতি গবেষক ও প্রাবন্ধিক ড.গদাধর দে, গবেষক ও লেখক ড.জয়দেব বিশ্বাস, বিশিষ্ট সাহিত্যিক নীহারুল ইসলাম, বিশিষ্ট ছোট গল্পকার কুণাল কান্তি দে, বিশিষ্ট কবি মনিরুদ্দিন খান, অধ্যাপক ড. সুনীল কুমার দে, সাহিত্যিক ও প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, প্রধান শিক্ষক সহিদুল আলম, আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের মুর্শিদাবাদ শাখার কয়েকজন অধ্যাপক ও অধ্যাপিকা, সুতি নাগরিক মঞ্চের সদস্যগণ। বইমেলার উদ্বোধন করেন সুতির বিধায়ক ঈমানী বিশ্বাস। বইমেলা চলবে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত। বইয়ের স্টল থাকছে ৩৮টি। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যে এই বইমেলার আয়োজন বলে জানান আয়োজকরা।

১০:৩৮ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ বৃহস্পতিবার

বেপরোয়া পাথর বোঝাই লরির ধাক্কায় আহত মা ও ছেলে।

বেপরোয়া পাথর বোঝাই লরির ধাক্কায় আহত মা ও ছেলে।

০৫:১৬ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২৩ শনিবার

দার্জিলিং কে টেক্কা দিচ্ছে দিল্লির ঠান্ডা

দার্জিলিং কে টেক্কা দিচ্ছে দিল্লির ঠান্ডা

০৪:৫৯ পিএম, ৬ জানুয়ারি ২০২৩ শুক্রবার

Puspaprovat Patrika