ব্রেকিং:
পুষ্প প্রভাত টিভিতে স্বাগতম। পুষ্প প্রভাত টিভি বাংলা নিউজ চ্যানেলে পাবেন: ব্রেকিং নিউজ, রাজ্য ও জাতীয় খবর, আন্তর্জাতিক ও ইসলামী দুনিয়ার খবর, শিক্ষা, খেলা ও বিনোদন, আলোচনা ও ময়দানি প্রতিবেদন, সরাসরি মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন ও টক শো।সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকন চাপুন – গুরুত্বপূর্ণ কোনও খবর যেন বাদ না যায়! আমাদের অফিসিয়াল সাইটে: https://puspaprovat.com/ Links. FACEBOOK PAGE PUSPA PROVAT www.facebook.com/puspaprovattv. INSTAGRAM www.instagram.com/puspaprovat. TWITTER www.twitter.com/puspaprovat. Puspa Provat (Bengali news) https://puspaprovat.com/ LINKEDIN linkedin.com/company/puspaprovat. YOUTUBE www.youtube.com/@PuspaProvattv মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বেওয়া-২ পঞ্চায়েতের নিশিন্দ্রা গ্রামে ভোটার তালিকা ভুয়ো ভোটার। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার উদ্যোগে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা সভা। ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট এমকে ফাইজির গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সামশেরগঞ্জে পথসভা SDPI এর ফের সামশেরগঞ্জের হাউস নগর ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে পথদুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা গাড়িচালকের জামাইবাবুর হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা

বৃহস্পতিবার   ৩০ এপ্রিল ২০২৬   বৈশাখ ১৭ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

সর্বশেষ:
পুষ্প প্রভাত টিভিতে স্বাগতম। পুষ্প প্রভাত টিভি বাংলা নিউজ চ্যানেলে পাবেন: ব্রেকিং নিউজ, রাজ্য ও জাতীয় খবর, আন্তর্জাতিক ও ইসলামী দুনিয়ার খবর, শিক্ষা, খেলা ও বিনোদন, আলোচনা ও ময়দানি প্রতিবেদন, সরাসরি মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন ও টক শো।সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকন চাপুন – গুরুত্বপূর্ণ কোনও খবর যেন বাদ না যায়! আমাদের অফিসিয়াল সাইটে: https://puspaprovat.com/ Links. FACEBOOK PAGE PUSPA PROVAT www.facebook.com/puspaprovattv. INSTAGRAM www.instagram.com/puspaprovat. TWITTER www.twitter.com/puspaprovat. Puspa Provat (Bengali news) https://puspaprovat.com/ LINKEDIN linkedin.com/company/puspaprovat. YOUTUBE www.youtube.com/@PuspaProvattv

বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: মুর্শিদাবাদ জেলার সম্ভাব্য ম্যান্ডেট

মজিবুর রহমান

প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৭ ০৫ ১৩   আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৭ ০৫ ১৩

বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: মুর্শিদাবাদ জেলার সম্ভাব্য ম্যান্ডেট 
মজিবুর রহমান, প্রধানশিক্ষক, কাবিলপুর হাইস্কুল 

     ২৩শে এপ্রিল মুর্শিদাবাদ জেলার ২২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট পড়েছে ৯৪ শতাংশ। কোনো প্রাণহানি বা রক্তারক্তির ঘটনা ঘটেনি। ভোটাররা নিজের ভোট নিজে দিয়েছে। ভোটগ্ৰহণ কেন্দ্রে কাউকে জোরজবরদস্তি করতে দেখা যায়নি। এবারের ভোট হিংসাত্মক হয়ে না ওঠার একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, সকলেই এসআইআর-এ নাম তোলা নিয়ে ব্যস্ত ও দুশ্চিন্তায় ছিল। কেউ ভোটে অশান্তি সৃষ্টি করার মানসিক প্রস্তুতি নিতে পারেনি। দ্বিতীয়ত, মার্চ মাসের শুরুতেই কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী চলে আসে। টহলদারি চলে। বাহুবলী রাজনৈতিক কর্মীরা সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে সাহস করেনি। তৃতীয়ত, ভোট গ্ৰহণের দিন প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় ছিলেন। কোথাও কোনো জটলা তৈরি হয়নি। ভোটাররা সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে এসে ভোট দিয়ে বেরিয়ে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থেকেছে, কখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি।
      উল্লেখযোগ্য ভাবে ভোট প্রদানের হার বৃদ্ধির প্রধান কারণ এসআইআর। এসআইআর-এ বৈধ ভোটারদের অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়ার বহর দেখে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে উঠেছে। ভোট না দিলে পরে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে মনে করে অনিবার্য কারণ ছাড়া কেউ ভোটদানে বিরত থাকেনি। আগে ইচ্ছে করে ভোট দিতে যেত না কিন্তু এবার গেছে এমন ভোটারের সংখ্যা ৩-৪ শতাংশ। আবার, ভোটার তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা কমে যাওয়ায় ভোট প্রদানের হার বেড়েছে প্রায় ১০-১২ শতাংশ। উদাহরণ স্বরূপ ধরা যাক, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে কোনো একটি বুথের ভোটার সংখ্যা ছিল ১০০০।  ৮০০ জন ভোট দিয়েছিল। অর্থাৎ ভোট পড়েছিল ৮০ শতাংশ। এসআইআর-এ ১৫০ জনের নাম বাদ পড়ে ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫০। এবারও ৮০০ জন ভোট দিয়েছে। অর্থাৎ পোলিং পার্সেন্টেজ হলো ভোট ৯৪। 
      এবার মুর্শিদাবাদ জেলার বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে টাকার বিনিময়ে প্রার্থীপদ বিক্রি হওয়ার বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। সকালে দলে যোগদান করিয়ে বিকালে প্রার্থী ঘোষণা করার মতো ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েক বছর ধরে এই জেলার রাজনীতিতে বড় ব্যবসায়ী তথা বিত্তশালীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নিকট আত্মীয়রা রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছে। সৎ, শিক্ষিত রাজনৈতিক নেতাকর্মীর অভাব দেখা দিয়েছে। ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মী উঠে আসছে না। সাধারণ মানুষেরও ভয়ভীতি ও লোভ-প্রলোভন জয় করার ক্ষমতা কমছে। সামগ্ৰিকভাবে রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবনমন ঘটছে।
    একটা সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে ধারণা তৈরির একাধিক মানদণ্ড থাকে। একটা হল বিভিন্ন দলের সাংগঠনিক অবস্থা। এ ব্যাপারে মুর্শিদাবাদ জেলায় শাসকদল টিএমসি অন্যদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। বামপন্থীরা সারা বছর কর্মসূচির মধ্যে থাকে। কিন্তু ভোট বাক্সে তার প্রতিফলন ঘটে না। কংগ্রেস ও বিজেপি'র কর্মসূচির তুলনায় ভোট কেন্দ্রিক সাফল্য বেশি। সরকারের অনুদানমূলক প্রকল্পগুলো নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলো পেয়ে সাধারণ মানুষ খুশি। তবে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী সরকারের কাজকর্ম নিয়ে রুষ্ট। জাতিগত দিক থেকে মুসলমানরা এতদিন মমতা ব্যানার্জির কট্টর সমর্থক ছিল। সম্প্রতি তারা একাধিক কারণে তাঁর ওপরে বিরক্ত। বিজেপির প্রতি হিন্দুদের আসক্তি মোটামুটি একই রকম আছে। একটু অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখলেই এগুলো বোঝা যায়। তবে ভোটের ফলাফলের সুনির্দিষ্ট ধারণা পেতে সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা দরকার। একটা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটি গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকার অর্ধেক বুথের অন্তত এক শতাংশ ভোটারের সঙ্গে কথা বললে একটা সঠিক আভাস পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সেটা সাধারণত করা হয় না। খুবই কম সংখ্যক জানাশোনা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কথা বলে প্রার্থীদের মার্কশিট তৈরি করা হয়। এরূপ পরিস্থিতিতে অনুমান মেলার সম্ভাবনার ওপর জোর দেওয়া যায় না। তবুও সম্ভাব্য ফলাফল জানতে অনেকেই আগ্ৰহবোধ করে। তাই একটা চেষ্টা করা হলো।
(১) ফারাক্কা: কংগ্রেস, টিএমসি ও বিজেপির ত্রিমুখী লড়াইয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মাহতাব শেখের জয়লাভের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।
(২) সামশেরগঞ্জ: কংগ্রেসের নাজমে আলম টিএমসি'র নূর আলমকে পরাজিত করবেন বলে জানা যাচ্ছে।
(৩) সুতি: বিদায়ী বিধায়ক টিএমসি'র ইমানি বিশ্বাস কংগ্রেসের আলফাজুদ্দিন বিশ্বাসকে পরাজিত করে পুনর্নির্বাচিত হবেন বলে মনে হচ্ছে।
(৪) জঙ্গিপুর: টিএমসি, কংগ্রেস ও বিজেপির ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠেছে। শাসকদলের প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক জাকির হোসেন পার্টির সহকর্মীদের সঙ্গে সংঘাতের জেরে পৌরসভা এলাকায় ভোট কম পাবেন। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির লিড থাকা এই আসনটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবার প্রচারে এসেছিলেন। কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা 'বৃদ্ধ' প্রার্থী চিত্ত মুখার্জিকে নিয়ে খুশি নয়। কংগ্রেস প্রার্থী ইমরান আলীর জোরদার উপস্থিতি রয়েছে। শেষ পর্যন্ত সারা বছর দান খয়রাত করার সুবাদে হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে বেশ কিছু মানুষের ভালোবাসার ভোট পেয়ে জাকির হোসেন পুনর্নির্বাচিত হতে পারেন।
(৫) রঘুনাথগঞ্জ: কংগ্রেস প্রার্থী নাসের শেখ জেলার একমাত্র মন্ত্রী তথা টিএমসি প্রার্থী আখেরুজ্জামানকে হারাতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে না।
(৬) সাগরদীঘি: এটি জেলার মধ্যে সবথেকে নীতিহীন ও উলটপালট রাজনীতির একটি আসন। এই আসনে ২০২১ সালের নির্বাচনে টিএমসি'র প্রার্থী সুব্রত সাহা ৫০ হাজার ভোটে বাম-কংগ্ৰেসের জোটপ্রার্থীকে পরাজিত করেন। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণের পর ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে বাম-কংগ্ৰেসের জোটপ্রার্থী হন ধুলিয়ানের ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান বাইরন বিশ্বাস যাঁকে সাগরদীঘিতে কেউ চিনতো না। তিনি ছিলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর চয়েস। বাইরন বিশ্বাস ৫০ হাজার ভোটে হারা আসন ২৩ হাজার ভোটে জিতলেন। বঙ্গ রাজনীতিতে 'সাগরদীঘি মডেল' নিয়ে অনেক কথা হলো। কিন্তু 'দিদির উন্নয়ন'-এ সামিল হতে তিনি একশো দিনও অপেক্ষা করলেন না। ২০২৬-এ তিনিই টিএমসি'র প্রার্থী। এসডিপিআই, আইএসএফ ও বাম জোটের প্রার্থী মসিউর রহমান এখনও টিএমসি'র পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। ইভিএম থাকা স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বাইরন বলছেন, তিনি হারছেন। তাঁর কথা জোটপন্থীরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করছেন। তবে বাইরনের অনুগামীরা মনে করছেন একটু 'হাইপার' হয়ে তিনি তাঁর হারের কথা বলে ফেলেছেন মাত্র। ৪ঠা মে 'বাইরন জিতছে' ক্যাসেট বাজবে। আপাতত মসিউর হাসছেন। কংগ্রেসের মনোজ ও বিজেপির তাপস, দুই চক্রবর্তী তৃতীয় স্থানের জন্য লড়ছেন।
(৭) লালগোলা: ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো হাতছাড়া আসনটি ২০২৬-এ হাতেই ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু প্রার্থীদের অর্থবলের ফারাক এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হচ্ছে। কংগ্রেস প্রার্থী যুবনেতা তৌহিদুর রহমান সুমন টিএমসি প্রার্থী তরুণ চিকিৎসক আব্দুল আজিজের কাছে হেরে যাবেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
(৮) ভগবানগোলা: উপনির্বাচনে জেতা টিএমসি'র বিধায়ক রিয়াত হোসেন সরকার এবারের পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনেও জিততে চলেছেন।
(৯) রানিনগর: কংগ্রেস, সিপিআই(এম) ও টিএমসি'র ত্রিমুখী লড়াইয়ে শেষোক্ত দলের প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক সৌমিক হোসেন শেষ হাসি হাসবেন।
(১০) মুর্শিদাবাদ: জেলার মধ্যে বিজেপি'র সবচেয়ে নিশ্চিত আসন। গৌরী শঙ্কর ঘোষ পুনর্নির্বাচিত হবেন।
(১১) নবগ্ৰাম: এই এসসি সিটটিতে টিএমসি-কে হারিয়ে বিজেপির জেতার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
(১২) খড়গ্ৰাম: তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত এই আসনে টিএমসি প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক আশিস মার্জিতের পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
(১৩) বড়োঞা: এই তফসিলি আসনটি এবার বিজেপির দখলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
(১৪) কান্দি: এখানে টিএমসি'র প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক অপূর্ব সরকার ডেভিডের হেরে যাওয়ার গুরুতর কারণ দেখা যাচ্ছে না।
(১৫) ভরতপুর: হুমায়ুন কবীরের ছেড়ে যাওয়া এই আসনটিতে কংগ্রেসের জেতার সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে।
(১৬) রেজিনগর: আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা ভূমিপুত্র হুমায়ুন কবীর জিততে চলেছেন।
(১৭) বেলডাঙ্গা: বিজেপি, কংগ্রেস, এজেইউপি ও টিএমসি'র চতুর্মুখী লড়াইয়ে প্রথমোক্ত দলের প্রার্থী ভরত ঝাওর জিতে যাবেন বলে মনে হচ্ছে।
(১৮) বহরমপুর: কংগ্রেস, বিজেপি ও টিএমসি'র ত্রিমুখী লড়াই হচ্ছে। বহরমপুর বিজেপির কাঞ্চন মৈত্রের বদলে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের স্বনামধন্য নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে তিন দশক পর আবার বিধায়ক হিসেবে বরণ করতে চলেছে।
(১৯) হরিহর পাড়া: বিদায়ী বিধায়ক টিএমসি'র নিয়ামত শেখ পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পথে খুব বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হবেন বলে মনে হয় না।
(২০) নওদা: এখানেও আমজনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর জিততে পারেন।
(২১) ডোমকল: টিএমসি ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাম-এসডিপিআই-আইএসএফ জোটের প্রার্থী সিপিআই(এম) নেতা মুস্তাফিজুর রহমান রানা জয়লাভ করতে পারেন।
(২২) জলঙ্গি: সিপিআইএমের প্রাক্তন বিধায়ক ইউনুস আলী সরকার দেড় দশক পর আবারও বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হতে পারেন।
সম্ভাব্য সংক্ষেপিত ফলাফল: টিএমসি-১০, কংগ্রেস-৪, বিজেপি-৪, বাম জোট-২, এজেইউপি-২

Puspaprovat Patrika
এই বিভাগের আরো খবর