অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচন: সম্ভাব্য ফলাফল
মজিবুর রহমান
প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১২ ১২ ৫৪ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১২ ১২ ৫৪
অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচন: সম্ভাব্য ফলাফল
মজিবুর রহমান
অনেক সময় একই ব্যক্তির হস্তরেখা বিচার করে তিনজন গণৎকারকে তিন রকম ভবিষ্যতবাণী করতে দেখা যায়। কোনো একজনের কথা মিলে যেতে পারে আবার কারোর কথাই হয়তো মিললো না, এমনও হতে পারে। নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়েও একই কথা প্রযোজ্য। ওপিনিয়ন অথবা এক্সিট পোলের হিসাব মিলা-না মিলার অনেক উদাহরণ রয়েছে। আবার সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে প্রায় সকলেই সহমত হলেও গণনায় সম্পূর্ণ উল্টো ফল ফলতে দেখা গেছে। যেমন, ২০০৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পুরো হাওয়া ছিল বিজেপির অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের পক্ষে। কিন্তু ওই নির্বাচনে এনডিএ হেরে যায় এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইউপিএ সরকার গঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী হন ডঃ মনমোহন সিং। ২০২১ সালে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রচারণা দেখে অনেকেরই মনে হয়েছিল, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। বাস্তবে তৃণমূলই আসন বাড়িয়ে তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করে। বিজেপির আসন সংখ্যা ৩ থেকে ৭৭ হয়। মাঝখান থেকে বিস্ময়করভাবে বাম-কংগ্ৰেস শূন্য হয়ে যায়। কাজেই একটা সাধারণ নির্বাচনের ফল কখন কী হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা খুব মুশকিল। তবু কিছু সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা যেতেই পারে।
তৃণমূল হারছে ও বিজেপি জিতছে, এরূপ ধারণার বশবর্তী হয়ে ২০২১ সালে নির্বাচনের আগে টিএমসি ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়েছিল। এবার সেটা নেই। এর ফলে টিএমসি-কে ঘর সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে না। বরং বাম-কংগ্ৰেসের অনেক নেতাকে টিএমসি-তে যোগদান করতে দেখা যাচ্ছে। এতে শাসকদলের শক্তি বাড়ছে। বিভিন্ন দলীয় ও সরকারি কর্মসূচির মাধ্যমে জনসংযোগ রক্ষার ব্যাপারে টিএমসি-র নেতাকর্মীরা ভালো জায়গায় আছেন। যুবসাথীর মতো অনুদানমূলক নতুন প্রকল্প প্রণয়ন এবং লক্ষ্মী ভাণ্ডারের মতো পুরনো প্রকল্পগুলোতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ভোট সর্বস্ব রাজনীতিতে টিএমসি-কে অবশ্যই মাইলেজ দেবে। এবার টিএমসি'র বিরুদ্ধে যাবে এমন কয়েকটি পয়েন্টের প্রতি দৃষ্টিপাত করা যাক। প্রথমত, কিছুটা হলেও নিয়োগ দুর্নীতির প্রভাব পড়বে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির যে ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছে তাঁরা কেউ অন্তত এই নির্বাচনে টিএমসি-কে ভোট দেবেন না। তবে আরজিকর কাণ্ডের প্রভাব পড়বে বলে মনে হচ্ছে না। দ্বিতীয়ত, ২০২১ সালের নির্বাচনে বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন বিজেপি-কে রুখতে যেভাবে টিএমসি'র পাশে দাঁড়িয়েছিল এবার তেমনটা ঘটবে না। বরং এরাজ্যে ওয়াকফ আন্দোলনের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির মনোভাব মুসলিম সম্প্রদায়কে অসন্তুষ্ট করেছে। ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকায় মুসলিম সমাজ হতাশ। ৩রা এপ্রিলের মোথাবাড়ি-সুজাপুর কাণ্ডে আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে সিআইডি দিয়ে গ্ৰেপ্তার করানো এবং তাঁকে 'মেইন কালপ্রিট' বলে নির্বাচনী জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে মুসলিম সমাজের অনেকেই মেনে নিতে পারেনি। মুসলিমপন্থী রাজনৈতিক দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো মমতা ব্যানার্জির 'দ্বিচারিতা'র বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে। এসআইআর-এ ১৭ লাখ বৈধ মুসলিম ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। সবমিলিয়ে ২০২১ সালের তুলনায় টিএমসি'র মুসলিম ভোট প্রাপ্তি কয়েক শতাংশ কমবে বলে মনে হয়। এহেন পরিস্থিতিতে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় বেশ কয়েকটি আসন টিএমসি'র হাতছাড়া হতে পারে।
বিভিন্ন রাজ্যে প্রধান প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে বিজেপি ইডি-সিবিআই-এনআইএ প্রভৃতি কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করে। কিন্তু এরাজ্যে এসব করে তারা টিএমসি'র মনোবল ভাঙতে পারেনি। এবার নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে খেলতে নেমেছে। কিন্তু খেলতে গিয়ে 'সেম সাইড' করে ফেলেছে। ১৭ লাখ মুসলমানের পাশাপাশি ১০ লাখ হিন্দুর নামও বাদ পড়েছে যাদের একটি বড় অংশ বিজেপির ভোটার বলে মনে করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। এর ফলে মতুয়া সম্প্রদায় অধ্যুষিত এলাকায় কয়েকটি আসন তাদের হাতছাড়া হতে পারে। তবে অন্যত্র বিজেপি'র পক্ষে হিন্দু ভোটের একত্রীকরণ (কনসোলিডেশন) বৃদ্ধি পেতে পারে। ২০১৯ সাল থেকে এরাজ্যে বিজেপি হিন্দু ভোটের ৫৫-৬০ শতাংশ পাচ্ছিল। এবার সেটা ৬০-৬৫ শতাংশ হতে পারে। এতে মুসলিম প্রধান এলাকার কিছু আসনে চতুর্মুখী লড়াইয়ে বিজেপির প্রার্থীরা বেরিয়ে যেতে পারেন। তবে ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোট পুরোপুরি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোটের সিংহভাগ পেয়ে বাংলায় বিজেপির মসনদ দখল করা এবারেও সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তি যত বেড়েছে ততই কমেছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের শক্তি। সাংগঠনিক দিক থেকে জাতীয় কংগ্রেস এখন সবচেয়ে দুর্বল দল। নেতৃত্বেও সংকট রয়েছে। এজন্য তারা সময়োপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে পারে না। বিগত কয়েক বছরের বাম-কংগ্ৰেস জোটের ব্যর্থতায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে জাতীয় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এবারের নির্বাচনে একলা লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অনেক দিন পর তারা ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে। তবে নেতৃত্বের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে প্রার্থীপদ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে বিধান ভবনে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটেছে। প্রার্থীপদ না পেয়ে কয়েকজন পুরানো কংগ্রেস নেতা দলত্যাগ করেছেন। দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা থাকা সত্ত্বেও এবারের নির্বাচনে টিএমসি-র যে মুসলিম ভোটটা কমবে তার একটা অংশ কংগ্রেস পাবে। এর ফলে ২০২১-এর থেকে কংগ্রেসের ভোট বাড়বে এবং তাদের প্রার্থীরা কয়েকটি আসনে জয়লাভ করবেন বলে মনে হচ্ছে।
কংগ্রেস জোটের মধ্যে না থাকলেও বামেরা একাধিক মুসলিম পন্থী দলকে সঙ্গে নিয়ে এই নির্বাচনে লড়ছে। নীতি নৈতিকতার সূক্ষ্ম প্রশ্নে বামেদের অস্বস্তি অবশ্য কাটছে না। বিজেপি'র বিরুদ্ধে বামফ্রন্ট যথেষ্ট সরব নয়, এই অভিযোগে এতদিন মুসলমানরা বামেদের ওপর অসন্তুষ্ট ছিল। এবারের নির্বাচনে ব্যাপারটা উল্টো হচ্ছে। বামফ্রন্টের হিন্দু সমর্থকরা অনেকেই এখন মনে করছে যে, সিপিআই(এম) সংখ্যালঘুপ্রেমী হয়ে গেছে। বেলডাঙ্গায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবীরের 'মন বুঝতে' নিউ টাউনের একটি পাঁচ তারা হোটেলে মহঃ সেলিমের গোপন গমন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এসডিপিআই-এর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা সিপিআই(এম)-কে বাংলার বুকে আরও ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে পারে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সখ্যতা বৃদ্ধি করে সিপিআই(এম) নিজের অসাম্প্রদায়িক তথা ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির আদর্শিক ভিতে আঘাত হানছে। চাকরিচ্যুত ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য-ফিরদৌস শামীমদের ওপর ক্ষেপে রয়েছেন। এর একটি নেতিবাচক প্রভাব বামফ্রন্টের ভোট বাক্সে পড়বে। তবে এই নির্বাচনে তৃণমূলের যে মুসলিম ভোটটা কমবে তার একটা অংশ কংগ্রেসের মতো বামফ্রন্টও পাবে। ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও জোটের প্রার্থী হওয়ার সুবাদে কয়েকজন বাম প্রার্থী জিতে গেলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। অনেকেই মনে করেন শূন্যের শ্লেষ থেকে বামেদের মুক্তি পাওয়া উচিত।
নওসাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আইএসএফ-এর আসন ও ভোট সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নবগঠিত আমজনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) সর্বময় কর্তা হুমায়ুন কবীর অনেক প্রচার পাচ্ছেন। জেলা ভিত্তিক দল গঠন করলেও হেলিকপ্টার চড়ছেন। তাঁর বিতর্কিত ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর অবশ্য অনেকেই তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করেছেন। তৎসত্ত্বেও তিনি নিজে একটি আসনে জিততে পারেন এবং কয়েকটি আসনে টিএমসি-র আশাভঙ্গের কারণ হতে পারেন।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দিনকে দিন খারাপ হচ্ছে। রাজনীতির কারবারিদের মান(স্ট্যান্ডার্ড) নেমে যাচ্ছে। প্রথাগত ও রাজনৈতিক শিক্ষা ছাড়াই বাহুবল ও অর্থবলের সাহায্যে অনেকেই জনপ্রতিনিধি হচ্ছেন। আইনসভায় ব্যবসায়ী ও বাহুবলীদের সংখ্যা বৃদ্ধি সংসদীয় শাসনব্যবস্থা ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে। নির্বাচন শেষে সরকার গঠিত হবে। কিন্তু অপশাসন অথবা আগ্ৰাসন থেকে মুক্তি মিলবে বলে মনে হয় না। রাজ্যের টেকসই উন্নয়নের সম্ভাবনাও খুব কম।
- প্রতিমা বিসর্জনে অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে তৎপর পুলিশ, মাঝিদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক
- সামশেরগঞ্জের বেতবোনায় প্রশাসনের উদ্যোগে বস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
- ধুলিয়ানে পুজোর উপহার, শতাধিক শিশুর হাতে নতুন পোশাক তুলে দেওয়ার উদ্যোগ চুন্নুর।
- ঘৃণার আগুন নিভিয়ে দাও মৈত্রীর প্রদীপ জ্বেলে দাও
- ভেজাল হলুদ কাণ্ডে ধৃতকে আদালতে পাঠাল সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ
- এনটিপিসি ফরাক্কার প্রশিক্ষণে ৩০ জনেরই চাকরি বৈষ্ণবন
- সামশেরগঞ্জে ভেজাল হলুদ তৈরির কারখানায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার এক
- রঘুনাথগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার, গ্রেফতার চার
- পাকুড়-বাংলা সীমান্তে ফের চালু টোটো স্ট্যান্ড, স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় সীমান্তবাসী
- অনুষ্ঠিত হলো নিখিলবঙ্গ মেধা অন্বেষণ উৎকর্ষ অভিযান ২০২৬
- আয়না
- রাজ্য স্কুল অ্যাথলেটিক্সে মালদার সাফল্য: ঝুলিতে ৬ সোনাসহ ১২ পদক
- সবজির ব্যাগে কোটি টাকার হেরোইন! সামশেরগঞ্জে পুলিশের জালে ১৮ বছরের যুবক
- ভাষাইপাইকড় পঞ্চায়েতে খারিজ স্টে অর্ডার, বহাল প্রধান-উপপ্রধান
- খড়দহে বিজেপির দলীয় কর্মসূচিতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ ও বোমাবাজির অভিযোগ, আহত ৪; আটক ৬
- SIR আবাস ও অন্নপূর্ণা—৮ দফা দাবিতে ফরাক্কা BDO-কে কংগ্রেসের ডেপুটেশন
- বোমা-গুলি নেই, চলছে নিঃশব্দ সন্ত্রাস’, রেজিনগরের ভোট নিয়ে তোপ অধীরের
- দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে হুমায়ুনকে ‘আটক’, রেজিনগর উপনির্বাচনে উত্তেজনা
- মানবিকতার নজির! সাগরদিঘি থেকে দুর্গাপুরে গিয়ে ৭ ইউনিট রক্তদান করলেন সাত যুবক।
- আড়াই মাস পর রাজস্থান থেকে নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার সামশেরগঞ্জ পুলিশের
- বিপদের সময় কী করণীয়? সামশেরগঞ্জে NDRF-এর প্র্যাকটিক্যাল প্রশিক্ষণ
- মালদা জেলা কবিতা কার্নিভাল
- গঙ্গায় স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়া।
- ভাঙড় হাইস্কুলের আদর্শ শিক্ষক গিয়াসউদ্দিন হালদারকে সংবর্ধনা
- অনুষ্ঠিত হল আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি মুর্শিদাবাদ সেন্টারে বিবিএ-তে ভর্তি সংক্রান্ত আলোচনাসভা
- পুরনো প্রধান অপসারণের পর ভাসাইপাইকড়ে নতুন প্রধান আব্দুল রউফ, নেপথ্যে নুর আলমের নেতৃত্ব
- ডিলিট ভোটার ইস্যুতে সরব নুর আলম, সামশেরগঞ্জে বিশাল মিছিল-ডেপুটেশন
- আক্রমণ থেকে প্রশংসা—শুভেন্দুর দীর্ঘায়ু কামনা করে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শুভেচ্ছা হুমায়ুনের
- ২৯৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার, সুতি পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার যুবক
- পালিত হল ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম জয়ন্তী
- সামশেরগঞ্জের বেতবোনায় প্রশাসনের উদ্যোগে বস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
- ভেজাল হলুদ কাণ্ডে ধৃতকে আদালতে পাঠাল সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ
- এনটিপিসি ফরাক্কার প্রশিক্ষণে ৩০ জনেরই চাকরি বৈষ্ণবন
- ঘৃণার আগুন নিভিয়ে দাও মৈত্রীর প্রদীপ জ্বেলে দাও
- ধুলিয়ানে পুজোর উপহার, শতাধিক শিশুর হাতে নতুন পোশাক তুলে দেওয়ার উদ্যোগ চুন্নুর।
- পাকুড়-বাংলা সীমান্তে ফের চালু টোটো স্ট্যান্ড, স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় সীমান্তবাসী
- রঘুনাথগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার, গ্রেফতার চার
- সামশেরগঞ্জে ভেজাল হলুদ তৈরির কারখানায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার এক
- প্রতিমা বিসর্জনে অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে তৎপর পুলিশ, মাঝিদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক
- স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির ও বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা
- হাইলাকান্দিতে অজ্ঞাত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার
- বিজেপি কর্মীদের ওপর নৃশংস গণহত্যার প্রতিবাদে মৌন মিছিল
- রাজ্যে নতুন মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
- প্রশাসক পদ থেকে তরুন নেতার অপসারণ,ক্ষুদ্ধ তরুণ প্রজন্ম
- যদুপুরে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি
- কর্মস্থলে যাওয়ার পথে আক্রান্ত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন
- চাঁচলে নিখোঁজ গৃহবধু, দুশ্চিন্তায় স্বামী
- পিঠার পসরা নিয়ে হাজির খাবারের দোকানে
- প্রিয়রঞ্জন দশমুন্সির ক্যারিশমা লোকসভা নির্বাচনে ব্রাত্য?
- মেয়েটির কান্নার আওয়াজ শুনে পাশে কে দাঁড়াবে
- ইউপিএসসিতে চমক মুর্শিদাবাদের সানা আজমির
- সাবিরের ডাক্তার হয়ে গরিবের সেবা করাই বাধা অর্থসঙ্কট
- উচ্চমাধ্যমিকে অষ্টম কালিয়াগঞ্জের মধুরিমা
- উত্তর মালদার সিপিএম প্রার্থী বিশ্বনাথের ভোট প্রচারে বিমান বসু
