ব্রেকিং:
পুষ্প প্রভাত টিভিতে স্বাগতম। পুষ্প প্রভাত টিভি বাংলা নিউজ চ্যানেলে পাবেন: ব্রেকিং নিউজ, রাজ্য ও জাতীয় খবর, আন্তর্জাতিক ও ইসলামী দুনিয়ার খবর, শিক্ষা, খেলা ও বিনোদন, আলোচনা ও ময়দানি প্রতিবেদন, সরাসরি মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন ও টক শো।সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকন চাপুন – গুরুত্বপূর্ণ কোনও খবর যেন বাদ না যায়! আমাদের অফিসিয়াল সাইটে: https://puspaprovat.com/ Links. FACEBOOK PAGE PUSPA PROVAT www.facebook.com/puspaprovattv. INSTAGRAM www.instagram.com/puspaprovat. TWITTER www.twitter.com/puspaprovat. Puspa Provat (Bengali news) https://puspaprovat.com/ LINKEDIN linkedin.com/company/puspaprovat. YOUTUBE www.youtube.com/@PuspaProvattv মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বেওয়া-২ পঞ্চায়েতের নিশিন্দ্রা গ্রামে ভোটার তালিকা ভুয়ো ভোটার। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার উদ্যোগে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা সভা। ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট এমকে ফাইজির গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সামশেরগঞ্জে পথসভা SDPI এর ফের সামশেরগঞ্জের হাউস নগর ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে পথদুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা গাড়িচালকের জামাইবাবুর হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা

শুক্রবার   ১৭ এপ্রিল ২০২৬   বৈশাখ ৪ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

সর্বশেষ:
পুষ্প প্রভাত টিভিতে স্বাগতম। পুষ্প প্রভাত টিভি বাংলা নিউজ চ্যানেলে পাবেন: ব্রেকিং নিউজ, রাজ্য ও জাতীয় খবর, আন্তর্জাতিক ও ইসলামী দুনিয়ার খবর, শিক্ষা, খেলা ও বিনোদন, আলোচনা ও ময়দানি প্রতিবেদন, সরাসরি মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন ও টক শো।সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকন চাপুন – গুরুত্বপূর্ণ কোনও খবর যেন বাদ না যায়! আমাদের অফিসিয়াল সাইটে: https://puspaprovat.com/ Links. FACEBOOK PAGE PUSPA PROVAT www.facebook.com/puspaprovattv. INSTAGRAM www.instagram.com/puspaprovat. TWITTER www.twitter.com/puspaprovat. Puspa Provat (Bengali news) https://puspaprovat.com/ LINKEDIN linkedin.com/company/puspaprovat. YOUTUBE www.youtube.com/@PuspaProvattv
সুতির কারবোলায় ভোট ডিলিটের দরুন ব্যাপক চাঞ্চল্য

সুতির কারবোলায় ভোট ডিলিটের দরুন ব্যাপক চাঞ্চল্য

সুতির কারবোলায় ভোট ডিলিটের দরুন ব্যাপক চাঞ্চল্য 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

অরঙ্গাবাদ: মুর্শিদাবাদ জেলার ৫৭ সুতি বিধানসভার ১৩০ নম্বর অংশের সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হয় গতকাল ৬ এপ্রিল। উক্ত অংশের ৫৫৮ জন বিচারাধীনের মধ্যে মাত্র ১৫২ জনের নাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছে, পুরুষ ৯৩ জন ও মহিলা ৫৯ জন। ৪০৬ জন ভোটারের নাম বর্জন অর্থাৎ ডিলিট করা হয়েছে, পুরুষ ২১৪ জন ও মহিলা ১৯২ জন। উক্ত অংশের ডিলিটেড ভোটারদের মধ্যে চাঞ্চল্য, আতঙ্ক ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা জানিয়েছেন যে তারা বৈধ ভোটার এবং ডকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও ভোট ডিলিট করা হয়েছে। উল্লেখ্য ডিলিটেড ভোটারদের লিস্ট প্রকাশের দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে। ইতিমধ্যে ট্রাইবুনালে আবেদন করে দিয়েছেন বলে অনেকে জানিয়েছেন। 

০৯:০৬ পিএম, ৭ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার

উদ্বোধন হল জঙ্গিপুর বইমেলার

উদ্বোধন হল জঙ্গিপুর বইমেলার


উদ্বোধন হল জঙ্গিপুর বইমেলার
মোঃ ইজাজ আহামেদ


জঙ্গিপুর: ১০ মার্চ উদ্বোধন হল জঙ্গিপুর বইমেলার, চলবে ১৭ তারিখ পর্যন্ত। এদিন দাদাঠাকুর মঞ্চ থেকে র‍্যালি বের হয়। উক্ত পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করে এলাকার বেশ কয়েকটি স্কুল যেমন ডঃ কালাম মডেল মিশন, গাইডেন্স একাডেমী, গাইডেন্স ফাউন্ডেশন, কিশলয় শিশু শিক্ষা কেন্দ্র, ওয়েজ ফ্যামিলি স্কুল, রঘুনাথগঞ্জ হাই স্কুল, রাণী ভবানী বিদ্যানিকেতন, সাইদপুর ইউ. এন.উচ্চ বিদ্যালয়।
বইমেলার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও চলচিত্র অভিনেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আখরুজ্জামান, সন্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ ও সমাজসেবী মহঃ সোহরাব, বিশিষ্ট কবি অশোক দাস, বিশিষ্ট লেখক আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক নূরুল মোর্তজা, আহবায়ক মোহাঃ হাসানুজ্জামান (লিটন), কবি আবদুস সালাম, স্মরণিকা উপসমিতির আহবায়ক রীনা কংশবনিক প্রমুখ। এদিন বইমেলার স্মরণিকা প্রকাশ হয় এবং কয়েকটি বইও প্রকাশ হয়। উল্লেখ্য, এই বইমেলাকে ভারতবর্ষের প্রথম বইমেলা হিসেবে দাবি করা হয়। 

১০:২৪ এএম, ১১ মার্চ ২০২৬ বুধবার

ইউপিএসসিতে চমক মুর্শিদাবাদের সানা আজমির

ইউপিএসসিতে চমক মুর্শিদাবাদের সানা আজমির

ইউপিএসসিতে চমক মুর্শিদাবাদের সানা আজমির 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

ইউপিএসসিতে চমক মুর্শিদাবাদের সাগরদীঘি ব্লকের কাবিলপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম পাকালপাড়ার মাইজুদ্দীন নামে এক কৃষকের মেয়ে সানা আজমির। ২০২৫ সালের UPSC পরীক্ষার ফলাফলে সারা ভারতবর্ষে ৭৬৪ তম স্থান অধিকার করে এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুসলিম কন্যা হিসেবে চমক দিলেন তিনি। তাঁর এই সাফল্যে মুর্শিদাবাদ জেলায় খুশির জোয়ার বইছে। তিনি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কাবিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। তারপর আল আমীন মিশনের শাখা শামসেরগঞ্জের রহমানিয়া অ্যাকাডেমি থেকে মাধ্যমিক দেন এবং উচ্চমাধ্যমিকও দেন আল আমীন মিশন থেকে। তারপর দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন এবং পড়াশোনার পাশাপাশি ইউপিএসসির জন্য প্রস্তুতি নেন। প্রথমবার বসেই তিনি এই সাফল্য লাভ করেন।

০১:১৩ পিএম, ৮ মার্চ ২০২৬ রোববার

অনুষ্ঠিত হল

অনুষ্ঠিত হল "নিখিলবঙ্গ মেধা উৎকর্ষ অভিযান-২০২৫"

অনুষ্ঠিত হল "নিখিলবঙ্গ মেধা উৎকর্ষ অভিযান-২০২৫"

 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, অরঙ্গাবাদ : আজ রবিবার সকাল ১০টায় নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (ABPTA), মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত সুতী চক্রের উদ‌্যোগে অরঙ্গাবাদ বয়েজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে "নিখিলবঙ্গ মেধা উৎকর্ষ অভিযান-২০২৫" অনুষ্ঠিত হল। এদিন দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত চারটি শ্রেণির ৪৯জন কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় একাডেমিক সাবকমিটির আহ্বায়ক মাহামুদাল হাসান। অনুষ্ঠানে প্রারম্ভে বক্তব‌্য পেশ করেন সমিতির চক্র সম্পাদক সুদেব হালদার। এরপর প্রধান অতিথির ভাষন দেন সমিতির মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটির সম্পাদক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চক্র সভাপতি সামিউল সেখ, ডিএনসি কলেজের বাংলা বিভাগের স্যাক্ট টিচার একলাচ মন্ডল, বিশিষ্ট শিক্ষক ও কবি মোঃ ইজাজ আহমেদ, শিক্ষক আবদুস শুকুর, শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ও অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ ও অভিভাবকগণ।

০৬:৪৭ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রোববার

আন্তর্জাতিক স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকার উন্মোচন‌

আন্তর্জাতিক স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকার উন্মোচন‌

অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক 'স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকা'র মোড়ক উন্মোচন ও সাহিত্যচর্চার আসর 

 

 

অরঙ্গাবাদ, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : আজ বুধবার ২ ঘটিকায় অরঙ্গাবাদের একান্ত আপন লজে স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকার ষষ্ঠ বর্ষের প্রথম সংখ্যার আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন ও সাহিত্যচর্চার আসর অনুষ্ঠিত হলো। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুর রৌফ, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সবুজ সরকার, অধ্যাপক ড. নূরুল ইসলাম, অধ্যাপক বিশ্বনাথ সাহা, মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন সহ- সভাধিপতি নেজামুদ্দিন আহমেদ, অমুহা কদমতলা হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও সহিত্যিক আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী। উপস্থিত ছিলেন পত্রিকার সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদ, সভাপতি আব্দুস সালাম, সহ - সম্পাদক আব্দুল মালেক, সহ সম্পাদক আজাদ রহমান, কবি স্বাগতা সান্যাল, হাউসনগর প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক মোঃ সাব্বির আলি ও সভাপতি মোঃ তৌসিক আহমেদ, সমাজসেবী গুলজার হোসেন, ভারতীয় বংশোদ্ভুত আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কবি সুলতানা বেগম, রিনা কংশবণিক, কবি ও বাচিক শিল্পী অন্যন্যা লাহিড়ী, কবি ইমতিয়াজ কবির, কবি মোঃ রেজাউল করিম, জালালউদ্দিন রেজা, সোমনাথ কর, কবি কালাম হাবিব, কবি আব্দুর রউফ, কবি মইদুল ইসলাম, কবি হিমেন্দু দাস, কবি রুবিনা আক্তার, কবি তাহাসিনুল ইশা, কবি শামীম শেখ, কবি উদয় মন্ডল, কবি তাসলিম আরিফ, কবি সুস্মিতা সরকার, গল্পকার জাবির হোসেন, সাংবাদিক মহম্মদ হোসেন ও হাবিবুর রহমান, শিক্ষক বাসির মোমিন ও ওবাইদুর রহমান প্রমুখ। অতিথিগণ সাহিত্যের উপর বক্তব্য রাখেন। কবিগণ কবিতা পাঠ করেন। এছাড়া তিনজন শিশু - অনেষ্ণা সরকার, তাসনিয়া আহমেদ, আতিকা আহমেদ ছড়া পাঠ করে। উপস্থিত সকল কবিদের হাতে বরণ করা হয় ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। আর্ন্তজাতিক স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকার এই দ্বিভাষিক সংখ্যায় ৬০ টি দেশের ২৮৩ জন কবি- লেখকগণ কলম ধরেছেন। আগামীতে আরও বেশি দেশের কবি - লেখকগণ অন্তর্ভুক্ত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন সম্পাদক। 

 

 

 

 

 

 

০৮:৪৪ পিএম, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার

সুতির ওবাইদুর রহমানের সাফল্য  WBCS -Aতে

সুতির ওবাইদুর রহমানের সাফল্য WBCS -Aতে

সুতির ওবাইদুর রহমানের সাফল্য WBCS -Aতে 

 মোঃ ইজাজ আহামেদ 

সুতি: সুতি থানার প্রত্যন্ত গ্রাম মহেশাইলের যদুপাড়ার ওবাইদুর রহমান এলাকা তথা মুর্শিদাবাদ জেলার নাম উজ্জ্বল করলেন WBCS পরীক্ষায় Group A তে সফলতা পেয়ে। West Bengal food and Supply Services পদে 13 Rank করেছেন। তিনি জঙ্গিপুরের Institution for WBCS কোচিং সেন্টারে কোচিং নিয়েছিলেন। তার এই সাফল্যের পেছনে ছিল কঠোর পরিশ্রম, অধ্যাবসায় ও জেদ। তিনি গণিতে অনার্স সম্পূর্ণ করার পর কয়েকটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতাও করেছেন। তার এই সাফল্যে এলাকায় খুশির জোয়ার বইছে। 

১০:৫৮ পিএম, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

মালদায় মোদির রেল উপহার

মালদায় মোদির রেল উপহার

০৮:৩৬ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার

সুতি ২ ব্লকের বিএলওগণের গণ-ইস্তফা

সুতি ২ ব্লকের বিএলওগণের গণ-ইস্তফা

সুতি ২ ব্লকের বিএলওগণের গণ-ইস্তফা
মোঃ ইজাজ আহামেদ

অরঙ্গাবাদ: এসআইআর মানুষের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। ভোটাররা অজানা আতঙ্ক ও হতাশায় দিন কাটাচ্ছে। অনেক ভোটার ভিন রাজ্যে কাজ ফেলে এসেছে এসআইআরের ডকুমেন্ট জমা দিতে। ভোটারের ডকুমেন্ট ও বিএলও ডিক্লারেশন আপলোড দেওয়ার পরও হিয়ারিং এসেছে যা নিয়ে হৈচৈ পড়ে গিয়েছে জনমানুষের মধ্যে। বারংবার বিএলও অ্যাপে কমিশনের নতুন নতুন সমস্যার আপডেট ও অবশেষে হিয়ারিং নোটিশ ভোটার ও বিএলওগণদের হয়রানির শিকার করছে। উল্লেখ্য কমিশন জানিয়েছিল যে কোনো ডকুমেন্ট লাগবে না কিন্তু ডকুমেন্ট চাওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ব্লকে বিএলওগণ ইস্তফা দিয়েছেন। হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গতকাল শুক্রবার সুতি ২ ব্লকের বিএলওগণ গণ-ইস্তফা দিলেন। তারা গত বুধবার বিডিওর সঙ্গে দেখা করার পর সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন এই ইস্তফার কথা। 

০৯:০৭ এএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার

সুতি ২ বিডিও অফিসে সিপিআইএম-এর বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন

সুতি ২ বিডিও অফিসে সিপিআইএম-এর বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন

সুতি ২ বিডিও অফিসে সিপিআইএম-এর বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন

 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

অরঙ্গাবাদ, ১৫ জানুয়ারি: এসআইআর -এর বেশ কিছু সমস্যা মানুষজনকে ভয় ও হয়রানির শিকার করে ফেলেছে। বিএলওদের মাধ্যমে ডকুমেন্ট আপলোড করার পরেও হিয়ারিং আসছে। ভোটাররা কাজ ও সময় নষ্ট করে বিএলওদের ডকুমেন্টস প্রদান করেছে তবুও তাদের হিয়ারিং আসছে। যার ফলে তারা হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। উল্লেখ্য নির্বাচন কমিশন প্রথমে জানিয়েছিল কোনো ডকুমেন্ট লাগবে না কিন্তু তা কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। একের পর এক বি এলও অ্যাপে আপডেট আসতেই আছে যা নিয়ে বিএলওগণ অতিষ্ঠ - প্রথমে ম্যাপিং, তারপর নামের ডিসক্রিপেন্সি, তারপর ছয়জন প্রোজেনির সমস্যা। এমনকি ছয়জন প্রোজেনি না হওয়া সত্ত্বেও অনেকের এই সমস্যা দেখাচ্ছে। ম্যাপিং করার সময়ও অনেকের নো রেকর্ড ফাউন্ড দেখাচ্ছিল। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ব্লকে বিএলওগণ ইস্তফা দিয়েছেন। গতকাল সুতি ২ ব্লকের বিএলওগণ বিডিওর সঙ্গে আলোচনার পর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে তারা আগামীকাল শুক্রবার গণ ইস্তফা দেবেন যা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে এলাকায়। এমত অবস্থায় আজ সিপিআইএম অরঙ্গাবাদ এরিয়া কমিটির ডাকে সুতি ২ বিডিও অফিসে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন অনুষ্ঠিত হল। এদিন উক্ত কমিটির দাবিসমূহ ছিল নিমরূপ - 

1.SIR নিয়ে প্রকৃত ভোটারদের হেনস্থা ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

2. Logical Discrepancy এর নামে প্রকৃত ভোটারদের SIR এর মূল ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া

যাবে না।

3. SIR এর শুনানি (HEARING) প্রত্যেক বুথে বুথে করতে হবে।

4. SIR এর শুনানির সময় ভোটারদের রিসিভ কপি দিতে হবে।

5. Mapping হওয়া ভোটারদের শুনানির নোটিশ ধরানো যাবে না।

উপস্থিত ছিলেন অরঙ্গাবাদ এরিয়া কমিটির সম্পাদক সামিউল সেখ। এরিয়া কমিটির সদস্য তোফিজুল ইসলাম, অমল চৌধুরী, রোকিব সেখ, প্রনব রায়, জুলফিকার আলী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ

০৫:১৬ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

নববর্ষে প্রেমের বিরুষ্কা

নববর্ষে প্রেমের বিরুষ্কা

০২:৪৫ পিএম, ১ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

উন্মোচিত হল `আন্তর্জাতিক দ্বিভাষিক কাব্য`

উন্মোচিত হল `আন্তর্জাতিক দ্বিভাষিক কাব্য`

উন্মোচিত হল 'আন্তর্জাতিক দ্বিভাষিক কাব্য' 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

ধুলিয়ান: আজকে মোঃ ইজাজ আহামেদ অনুবাদিত ও সম্পাদিত 'আন্তর্জাতিক দ্বিভাষিক কাব্য' (International Bilingual Poetry) বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচিত হল মাননীয় সাংসদ খলিলুর রহমান মহাশয়ের হাত দিয়ে। উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সাংসদ খলিলুর রহমান মহাশয়, অমুহা কদমতলা হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও সাহিত্যিক মাননীয় আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী মহাশয়, হাউসনগর প্রতিবন্ধী মঞ্চের সভাপতি তৌসিক আহমেদ মহাশয়, সমাজসেবী আনোয়ার হোসেন (অপু) মহাশয়, মোঃ ইজাজ আহামেদ প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ।

এই বইটিতে ৬২ টি দেশের ১৪৭ জন আন্তর্জাতিক কবি রয়েছেন। তার মধ্যে ৫ জন নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। বইটি শীঘ্রই অ্যামাজনে পাওয়া যাবে বলে জানান অনুবাদক ও সম্পাদক - মোঃ ইজাজ আহামেদ।

১২:০৭ পিএম, ২ নভেম্বর ২০২৫ রোববার

অরঙ্গাবাদে মসজিদের অভিনব উদ্যোগ

অরঙ্গাবাদে মসজিদের অভিনব উদ্যোগ

 

 

 

অরঙ্গাবাদে মসজিদের অভিনব উদ্যোগ

 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

সুতি, ১৭ আগস্ট ২০২৫: আজ রবিবার মুর্শিদাবাদ জেলার অরঙ্গাবাদের ডিহিগ্রাম পূর্ব - দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের উদ্যোগে এবং জনসেবা জবেদানেশা ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পরিচালনায় ও মানবতা ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের সহযোগিতায় ডিহিগ্রামে অনুষ্ঠিত হল 'স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির '। উপস্থিত ছিলেন সুতি ২ নং ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সম্মানীয় হুমায়ুন চৌধুরী, পঞ্চগ্রাম আই.এস.এ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. মহঃ মেহেবুব ঈশা, নিমতিতা জি.ডি ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক সহিদুল আলম, বিশিষ্ট শিক্ষক আব্দুল রাশিদ এবং মাওলানা মহঃ গিয়াসউদ্দিন সাহেব প্রমুখ। তাঁরা বক্তব্য রাখেন 'ইসলামে রক্তদানের গুরুত্ব' বিষয়ের উপর। প্রধান শিক্ষক ড. মহঃ মেহেবুব ঈশা বলেন, " প্রত্যেক ভালো কাজই ইবাদতের অংশ"। শিক্ষক আব্দুল রাশিদের বক্তব্যের নির্যাস হল যে ভালো কাজে মানুষকে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা করতে হবে। মাওলানা মহঃ গিয়াসউদ্দিন সাহেব কুরআনের উদ্ধৃতি তুলে ধরেন - " যে একজন ব্যক্তির জীবন রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানব জাতির জীবন রক্ষা করল"। এদিন সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সালার মুজফফর আহমদ মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আসলিম সেখ। সহযোগী হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক তথা জনসেবা জবেদানেশা ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের সম্পাদক আব্দুল জাব্বার হক । মসজিদের এই অভিনব উদ্যোগকে উপস্থিত ব্যক্তিগণ কুর্নিশ জানান। মোট আটষট্টি জন রক্তদাতা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বৃষ্টির মাঝেও তাঁরা এই শিবিরে যোগদান করে রক্তদান করেছেন। রক্ত সংগ্রাহক টিমের অন্যতম সদস্য মোহাঃ মাসুদ জানান, "এইরকম সুশৃঙ্খল এবং গ্রামীণ এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান খুবই প্রশংসনীয় আর মসজিদ-এর উদ্যোগে জঙ্গিপুর মহকুমায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন এক বিরল দৃষ্টান্ত।"

 

 

১০:০৭ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২৫ রোববার

জঙ্গীপুরে অনুষ্ঠিত হল ওম টিভি লাইভ চ্যানেলের গ্র্যান্ড ওপেনিং

জঙ্গীপুরে অনুষ্ঠিত হল ওম টিভি লাইভ চ্যানেলের গ্র্যান্ড ওপেনিং

ওম টিভি লাইভ চ্যানেলের গ্র্যান্ড ওপেনিং

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

জঙ্গীপুর: ১৬ই আগস্ট শনিবার জঙ্গীপুরে ওম টিভি লাইভ (OM TV live) চ্যানেলের গ্র্যান্ড ওপেনিং অনুষ্ঠিত হল। এদিন অনুষ্ঠান উপলক্ষে রক্তদান শিবির, দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, গুনীজন ও সাংবাদিকদের সংবর্ধণার আয়োজন করা হয়। ৩০ জন রক্তদাতা রক্ত দান করেন।  উপস্থিত ছিলেন- জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন, রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক তথা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আখরুজ্জামান, জঙ্গিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম ও ভাইস চেয়ারম্যান সন্তোষ, জরুল পঞ্চায়েতের প্রধান ইয়াকুব আলী, চৌধুরী, জঙ্গিপুর টাউন কংগ্রেস সভাপতি মোহন মাহাতো,  বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা গিনি হাউসের কর্ণধার রেজাউল করিম, সমাজসেবী তথা বিজয় হার্ডওয়্যার-এর কর্মধার বিজয় জৈন, কবি-সংবাদিক তথা স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকা'র সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদ, সাংবাদিক সবুজ বিশ্বাস,রাজেশ শেখ, মাসুদুল শেখ, শফিউল ইসলাম, আলমগীর, তরিকুল শেখ, চন্দন সরকার, সারোয়ার আলম, রনি শেখ, সুজয় ঘোষ, রিমেল সাবাব, শুভম বড়াল, মহম্মদ হোসেন ও ওম ওম টিভি লাইভ চ্যানেলের কর্ণধার রাজু শেখ প্রমুখ। উপস্থিত ব্যক্তিগণ সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল মিডিয়ার গুরুত্বের উপর বক্তব্য রাখেন।

 

 

০৭:৪৯ এএম, ১৭ আগস্ট ২০২৫ রোববার

অলিম্পিয়াডে আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্ক ৭ এবং পশ্চিমবঙ্গ জোন-২- এ ৪  নওরীন হাসানের

অলিম্পিয়াডে আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্ক ৭ এবং পশ্চিমবঙ্গ জোন-২- এ ৪ নওরীন হাসানের

অলিম্পিয়াডে আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্ক ৭ এবং পশ্চিমবঙ্গ জোন-২- এ ৪ নওরীন হাসানের 

 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

অরঙ্গাবাদ: মুর্শিদাবাদ জেলার অরঙ্গাবাদের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী নওরীন হাসান ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে অনুষ্ঠিত সায়েন্স অলিম্পিয়াড ফাউন্ডেশন আয়োজিত এসওএফ-আন্তর্জাতিক কম্পিউটার বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্ক ৭ এবং পশ্চিমবঙ্গ জোন-২-এ ৪ র‍্যাঙ্ক অর্জন করেছে। ৭২টি দেশের ৯৬৪৯৯টিরও বেশি স্কুল বিশ্বের বৃহত্তম অলিম্পিয়াডে নিবন্ধিত হয়েছিল এবং কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থী এসএফও দ্বারা পরিচালিত আটটি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এই কৃতিত্ব অর্জন করায় নওরীনকে রৌপ্য পদক, নগদ ৬২৫/- টাকা ও শংসাপত্র দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। তার বাবা শিমুল হাসান এলাকার একজন স্বনামধন্য অ্যাডভোকেট ও মা নাসরীন পারভীন একজন এএনএম স্বাস্থ্যকর্মী। 

০৮:৪৯ এএম, ১৬ আগস্ট ২০২৫ শনিবার

চলে গেলেন না ফেরার দেশে কবি ও কথা সহিত্যিক এস এম নিজাম উদ্দিন

চলে গেলেন না ফেরার দেশে কবি ও কথা সহিত্যিক এস এম নিজাম উদ্দিন

চলে গেলেন না ফেরার দেশে কবি ও কথা সহিত্যিক এস এম নিজাম উদ্দিন 

 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

জঙ্গিপুর, ৯ জুলাই ২০২৫: আজ ৯ জুলাই চলে গেলেন না ফেরার দেশে মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুরের গোফুরপুর বরজের বিশিষ্ট কবি ও কথাসাহিত্যিক এসএম নিজামউদ্দিন। গত পরশু থেকে অসুস্থতায় ভুগতে থাকেন। আজ বিকেল ৪.২৫ নাগাদ তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর জন্ম ১লা জানুয়ারি ১৯৪৭ সালে। দারিদ্র্যতাকে হার মানিয়ে জীবনযুদ্ধে বিজয়ী একজন সৈনিক ও শিক্ষাদরদী একজন মানুষ ছিলেন এই কবি ও লেখক। শিক্ষা প্রসারের জন্য নিজ এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেন গুলবার্গ অ্যাকাডেমি। অ্যাকাডেমি পরিচালনার পাশাপাশি নিরলসভাবে সাহিত্যচর্চা চালিয়ে যান। তাঁর লেখনীর মূল উপজীব্য বিষয় ছিল মেহনতী ও অবহেলিত মানুষের আলেখ্য তুলে ধরা। তাঁর কয়েকটি প্রকাশিত গ্রন্থ জীবনের রঙ বদল, আলোকবর্তিকা, শিকড়ের খোঁজে, ফেরারি আসামি'র দিনলিপি ইত্যাদি। 

১০:০৮ পিএম, ৯ জুলাই ২০২৫ বুধবার

আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় মুর্শিদাবাদ সেন্টারে চালু হল বিবিএ

আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় মুর্শিদাবাদ সেন্টারে চালু হল বিবিএ

 

আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের মুর্শিদাবাদ সেন্টারে চালু হল বিবিএ কোর্স 

 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

৬ জুলাই, জঙ্গিপুর: আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের মুর্শিদাবাদ ও কেরালার মালাপ্পুরম সেন্টারে চালু হল বিবিএ কোর্স। উল্লেখ্য মুর্শিদাবাদ সেন্টারে বিএ এলএলবি, বিএড ও এমবিএ চালু রয়েছে। বিবিএ কোর্সে ভর্তির জন্য ৪ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নোটিস প্রকাশিত হয়েছে। উভয় সেন্টারে ৬০টি করে আসন রয়েছে। ৪ জুলাই অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে এই জুলাই মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত আর লেট ফী দিয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। লেট ফী ছাড়া আবেদনের জন্য ৮৫০ টাকা আর লেট ফীর জন্য আরও অতিরিক্ত ৩০০ টাকা লাগবে।  সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অর্থাৎ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অন্তত ৫০% মার্কস থাকতে হবে। ভর্তির জন্য পরীক্ষা হবে ১০০ মার্কসের, প্রশ্ন থাকবে অবজেক্টিভ টাইপের এই চারটি বিষয়ে - ভাষা দক্ষতা (২৫), সংখ্যাগত ক্ষমতা (২০), রিজনিং (৩০), সাধারণ সচেতনতা (২৫)। পরীক্ষা হবে ২০ আগষ্ট সকাল ১০ টায়। ভর্তির পর সেমিস্টার প্রতি ২০০০০ টাকা এবং ট্রেনিং বা শিক্ষামূলক ভ্রমণের জন্য প্রতি সেমিস্টার প্রতি ৫০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে ।মুর্শিদাবাদ সেন্টারে আরও একটি কোর্স চালু হওয়ায় এলাকাবাসীদের মনে খুশির হাওয়া বইছে তবে বিএ, বিএসসি, বিকম, এমএ, এমএসসি, এমকম চালু হলে এলাকাবাসীরা আরও খুশি হবেন বলে জানান স্থানীয়রা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সাচার কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর ২০১০ সালে সুতির আহিরণে মুর্শিদাবাদ সেন্টারের শিলান্যাস হয় এবং ২০১১ সালে মঙ্গলজনে কেটলি বাড়ি নামে পরিচিত একটি ভাড়া বাড়িতে পঠন-পাঠন শুরু হয়

। 

০৪:০৫ পিএম, ৬ জুলাই ২০২৫ রোববার

বিজেপির শাসন ও সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ 

বিজেপির শাসন ও সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ 

বিজেপির শাসন ও সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ 
মজিবুর রহমান, প্রধানশিক্ষক, কাবিলপুর হাইস্কুল 

         ব্রিটিশ ভারতে ১৮৮৫ সালে একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। এটা ছিল হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান ও শিখ সহ সকল সম্প্রদায়ের একটি সম্মিলিত সংগঠন। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ভারতের সমস্ত মানুষের হয়ে ব্রিটিশ প্রশাসনের কাছে দাবি দাওয়া উত্থাপন করার একটা 'কমন প্ল্যাটফর্ম'। মুসলমানদের একাংশ ১৯০৬ সালে গঠন করে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ। নামকরণের মধ্যেই সংগঠনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট; শুধুমাত্র মুসলিম সমাজের স্বার্থ রক্ষা। মুসলিম লীগ লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে। মুসলিম লীগের পাল্টা হিসেবে ১৯১৫ সালে গড়ে ওঠে অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা। এক্ষেত্রেও নামকরণেই পরিষ্কার হয়ে যায় যে, সকল ভারতীয় নয়, শুধুমাত্র হিন্দুদের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করাই হল এদের উদ্দেশ্য। ১৯২৫ সালে গঠিত হয় হিন্দুত্ববাদী সাংস্কৃতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। পরাধীন ভারতে ১৯৩৫ সাল থেকে যে নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হয় সেগুলোতে মুসলমান অধ্যুষিত এলাকায় মুসলিম লীগ মোটামুটি ভালো ফল করলেও হিন্দু মহাসভা কিন্তু খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। স্বাধীন ভারতে ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের ঠিক আগে ১৯৫১ সালে গঠিত হয় আরেকটি হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনসঙ্ঘ। ১৯৮০ সাল থেকে এটিরই নাম হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আরএসএস-বিজেপি হিন্দুদের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার পাশাপাশি মতাদর্শগতভাবে কমিউনিস্টদের আর জাতিগতভাবে মুসলমানদের বিষ-নজরে দেখে। এর কারণ হল, কমিউনিস্টরা জাতি-ধর্মের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে বিভাজন করার ঘোরতর বিরোধী এবং সবসময়ই ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সওয়াল করে। অন্যদিকে, কয়েক শত বছর ধরে মুসলমানরা হিন্দুদের প্রধান প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস করছে। ধর্মভিত্তিক ভিন্নতার কারণে হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে তাকে বিভেদ ও বিদ্বেষে পর্যবসিত করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলা এবং অহিন্দুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে রূপান্তরিত করে ভারতকে একটা মনুবাদী হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করাই হল সঙ্ঘ পরিবারের চূড়ান্ত লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই তারা কাজ করে যাচ্ছে এবং সাফল্যও পাচ্ছে। এই সাফল্যের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বিজেপি সরকারকে হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলার পাশাপাশি দেশবাসীর মধ্যে উগ্ৰ দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের সঙ্গে সামরিক সংঘর্ষ আহ্বান করতে দেখা যায়। দেশের অভ্যন্তরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হলে এবং সীমান্তে অশান্তি দেখা দিলে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা  বৃদ্ধি পায়। কয়েকটা উদাহরণ দেওয়া যাক।
         ১৯৯৬ সালে ১৩ দিন প্রধানমন্ত্রী থাকার পর সঙ্ঘ পরিবারের সন্তান অটলবিহারী বাজপেয়ী ১৯৯৮ সালের মার্চ মাসে আবার সরকার গঠন করেন। কিন্তু জোট সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে সূচনা থেকেই সংশয় দেখা দেয়। সেজন্য দেরি না করে তিনি মে মাসেই রাজস্থানের পোখরানে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু যে পাকিস্তানকে ভয় দেখাতে বোমা ফাটানো হয়, সেই পাকিস্তানের অন্নের অভাব থাকলেও অস্ত্র রয়েছে যথেষ্ট। সেও একটি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র এবং সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদ তার নিত্যসঙ্গী। প্রকৃতপক্ষে, পাকিস্তানে এখনও গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেনি। সেজন্য, সেখানে সেনাবাহিনী প্রায়ই রাষ্ট্র ক্ষমতার দখল নেয়। সুতরাং, গোলাবারুদের লড়াইয়ে পাকিস্তানের অরুচি নেই। তাই তারা পোখরানের পাল্টা বিস্ফোরণ ঘটাতে বিলম্ব করেনি। এরপর ১৯৯৯ সালের মে-জুলাইয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কার্গিলে কাজিয়া চলে আর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয় লোকসভার অন্তর্বর্তী নির্বাচন। বিজেপির হিসাব মিলে যায় এবং তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। প্রচুর সেনার প্রাণের বিনিময়ে কার্গিল যুদ্ধে অর্জিত সাফল্য বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে প্রভূত পরিমাণে সাহায্য করে। তবে একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা না থাকলেও কার্গিল যুদ্ধের কাহিনী কিন্তু সমর বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য হয়নি। শুধু তাই নয়, কার্গিল যুদ্ধের শহীদ সেনাদের জন্য কফিন কেনা নিয়েও আর্থিক কেলেঙ্কারি ঘটে। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে পাক-জঙ্গিরা ভারতের একটি যাত্রীবাহী বিমান অপহরণ করে কাঠমাণ্ডু থেকে কান্দাহারে নিয়ে যায়। এটাই ছিল ভারতের কোনো অসামরিক বিমান অপহরণের প্রথম ঘটনা। ২০০১-এর ডিসেম্বরে খোদ সংসদ ভবনের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়। ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গায় ব্যাপকভাবে জীবনহানি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। বিজেপির নেতানেত্রীরা প্রত্যক্ষভাবে এই দাঙ্গায় জড়িত ছিলেন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মহারাষ্ট্রের মালেগাঁও বিস্ফোরণের অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রী বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞার মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা এন আই এ।
         ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দশ বছর কংগ্রেসের ডঃ মনমোহন সিং পরিচালিত সরকারের আমলে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে দেখা যায়নি এবং ভারত-পাক সম্পর্ক অনেকটাই স্বাভাবিক থেকেছে। কিন্তু বিজেপির নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হবার পর কাশ্মীরে একের পর এক সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ঘটতে থাকে এবং ভারত-পাক সম্পর্কে চাপান-উতোর শুরু হয়। ভারতের ভ্রমণপ্রিয় ও 'নন- বায়োলজিক্যাল' প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিনা আমন্ত্রণেই বিরিয়ানি খেতে ইসলামাবাদ চলে যান। কিন্তু মোদীজির এই 'মাস্টার স্ট্রোক'-এর কয়েকদিন পরেই ২০১৬ সালের পয়লা জানুয়ারি 'নববর্ষের শুভেচ্ছা' জানাতে পাঞ্জাবের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে পাক-জঙ্গিরা হামলা চালায় এবং কয়েকদিন ধরে গোলাগুলি চলে। ওই বছরই সেপ্টেম্বর মাসে জম্মু-কাশ্মীরের উরির সেনা ছাউনিতে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়। কয়েক দিনের মাথায় মোদী সরকার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে জঙ্গি হানার বদলা নেওয়ার দাবি করে। কিন্তু সেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরেও কুপওয়ারা, নাগরোটা প্রভৃতি সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলা হতে দেখা যায়।
         সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের এপ্রিল-মে মাসে। ঠিক তার কয়েক দিন আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি 'প্রেম দিবস'-এ পুলওয়ামা কাণ্ড ঘটে। ২৫০০ সেনা ও ৭৮টি গাড়ির কনভয়ের মধ্যে একজন জঙ্গি বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়ে এবং ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে প্রাণ হারান প্রায় অর্ধশত সৈনিক, আহত হন আরও অনেকেই। নরেন্দ্র মোদীর আমলে ফ্রিজের মধ্যে থাকা সামান্য গোমাংসের সন্ধান পাওয়া যায় কিন্তু বিভিন্ন সেনানিবাস ও সীমান্ত সন্ত্রাসবাদী হামলার নিশানা হলে তা সময় থাকতে টের পাওয়া যায় না! পুলওয়ামা কাণ্ডে শহীদের মৃত্যুবরণ করলেন সেনারা আর তার রাজনৈতিক ফায়দা তুললেন নরেন্দ্র মোদী। বিজেপির আসনসংখ্যা বাড়ল এবং তিনি পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত ওই ঘটনার সরকারি তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়নি। বরং অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তির বিশ্লেষণে ওই ঘটনায় সরকারি ষড়যন্ত্রের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়। কাশ্মীরের মানুষের বিক্ষোভকে দমন করে 'শ্মশানের শান্তি' কায়েম করা হয়। এহেন কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে গত ২২শে এপ্রিল জঙ্গিহানায় প্রাণ হারালেন অন্তত ২৬জন পর্যটক। জঙ্গিদের তল্লাশিতে বেরিয়ে ২৪ তারিখ শহীদ হলেন ঝণ্টু আলী শেখ নামের একজন জওয়ান। প্রশ্ন হল, সীমান্ত সহ সমগ্ৰ জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র বিভাগের। বলা হয় থাকে, উপত্যকায় প্রতি দশজন মানুষ পিছু একজন সেনা মোতায়েন  রয়েছেন। তারপরও জঙ্গিহানা হতে পারছে কি করে? জঙ্গিরা কোথা থেকে আসছে? কোথায় লুকাচ্ছে? এতদিন জঙ্গিদের ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করা হত। এবার মৃত ব্যক্তিদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও প্রচার করা শুরু হল। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার দামামা যথারীতি বাজছে। আসলে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির কারবারীরা ভালোভাবেই জানে যে, ভূস্বর্গে সত্যিকারের শান্তি বিরাজ করলে পাকিস্তানের সঙ্গে বিবাদ করার সুযোগ সংকুচিত হবে আর পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষ না হলে অথবা সেই সংঘর্ষে ভারতীয় সেনাদের প্রাণহানি না হলে দেশজুড়ে জাতীয়তাবাদের তীব্র আবেগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না। ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে ভারতীয় মুসলমানদের পাকিস্তানপন্থী বলে দেগে দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি ও বৃদ্ধি করা সহজ হয়। ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে আরও প্রান্তিক করে দেওয়ার চেষ্টা সফল হয়। অন্যদিকে, দেশবাসীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, কর্মসংস্থান সহ সামগ্ৰিক উন্নয়নের মৌলিক বিষয়গুলোকে আলোচনার অগ্ৰাধিকার থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে সরকারের সমালোচনা করা থেকে সকলেই বিরত থাকে। সুতরাং, শাসক বিজেপির একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কায়েম করতে দেশে সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রয়োজন রয়েছে!
            গত এগারো বছরে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে মোদী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। বিদেশ থেকে হিসাব বহির্ভূত সম্পদ উদ্ধার করে প্রতিটি নাগরিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পনেরো লাখ টাকা দেওয়া সহ অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি 'জুমলা' বলে প্রমাণিত হয়েছে। নোট বন্দির মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদীদের কোমর ভেঙে দেওয়ার দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু ঘটেনি। বরং নোট বন্দির ফলে দেশের সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্ৰস্ত হয়েছে। দেশে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ হয়েছে। আর্থিক বৈষম্য বেড়েছে। বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারতের অবনমন ঘটেছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচকেও বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রটির পতন হয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন প্রণয়ন করে ভারতীয় সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে জলাঞ্জলি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন, সিবিআই, ইডি প্রভৃতি স্বশাসিত সংস্থার স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্ৰহণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। ওয়াকফ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে মুসলিম সমাজকে তাদের ধর্মীয় সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আগেই তিন তালাক আইন প্রণয়ন করে মুসলমানদের বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এরপর হয়তো অভিন্ন দেওয়ানী বিধি প্রবর্তন করার চেষ্টা করা হবে। মুখে 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ'-এর কথা বলা হলেও সত্যিকারের উন্নয়ন ও সুশাসন কোনো সাম্প্রদায়িক সরকারের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। তাই সঙ্ঘ পরিবার যতদিন শক্তিশালী থাকবে ততদিন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি হিন্দু-মুসলমান, মন্দির-মসজিদ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও সন্ত্রাসবাদী হামলার চক্রব্যূহ থেকে বেরোতে পারবে না। হিন্দুত্ববাদীদের হিংস্রতা বাড়লে মুসলিম মৌলবাদী সংগঠনগুলোর সক্রিয়তাও বৃদ্ধি পায়। এজন্য হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের অতিরিক্ত ধর্মীয় আবেগের অন্তর্ধান অত্যন্ত জরুরি। 'হিন্দু ঐক্য জিন্দাবাদ' অথবা 'মুসলিম ঐক্য জিন্দাবাদ' বিপজ্জনক স্লোগান। কোনো রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক অথবা সামাজিক সংগঠন যেন ধর্মের নামে মানুষকে 'মুরগি' বানাতে না পারে, এই সচেতনতা অর্জন করতে হবে। অন্ধ আবেগ নয়, প্রতিটি বিষয়কে যুক্তির আধারে বিচার বিবেচনা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

১১:১৮ এএম, ৪ মে ২০২৫ রোববার

মৌলবী গড়ার নয়, মানুষ গড়ার ভাষা উর্দূ

মৌলবী গড়ার নয়, মানুষ গড়ার ভাষা উর্দূ

মৌলবী গড়ার নয়, মানুষ গড়ার ভাষা উর্দূ

খগেন্দ্রনাথ অধিকারী

 

যখন আমি ছাত্র ছিলাম, তখন গ্রীক চিন্তাবিদ "Aristotle"-এর উপর আমার খুব রাগ হোত। সে আজ থেকে প্রায় ষাট বছর আগের কথা। রাষ্ট্র বিজ্ঞানের অনার্স ক্লাসে ষাট ও সত্তর দশকের গোধূলি লগ্নে আমার স্যারেরা এরিষ্টটলের"Politics" গ্রন্থ পড়াতে পড়াতে বলতেন যে এই গ্রীক চিন্তাবিদ গণতন্ত্রকে "নিকৃষ্টতম শাসন ব্যবস্থা" বলে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর মতে গণতন্ত্র হোল "অজ্ঞ, অশিক্ষিত, ও মুর্খ" দের শাসন ব্যবস্থা। তরতাজা সেই তারুণ্যের দিনগুলিতে "Aristotle" এর এই বক্তব্যকে খুবই প্রতিক্রিয়াশীল বলে মনে হয়েছিল এবং হতো। কিন্তু আজ যখন জীবন সূর্য্য অস্তাচলে, তখন ব্যালট বাক্সের সন্তান রাজনৈতিক প্রশাসক--প্রশাসিকাদের (কেউ মুখ্যমন্ত্রী, কেউ উপ-মুখ্যমন্ত্রী) মুখনিসৃত "অমৃতবাণী" শুনে মনে হয় যে এই প্রাজ্ঞ গ্রীক চিন্তাবিদ ঠিক কথাই বলেছিলেন ,কারণ, তা না হলে কেউ কি ভোটে জিতে রাজ্যপটে বসে সরস্বতী পূজোর অঞ্জলি মন্ত্র, কিংবা মীর্জা গালিবের লেখা বা রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের কবিতা নিলর্জ্জের মতো ভুলভাল আওড়িয়ে চলে? সব লাজ লজ্জার মাথা খেয়ে উত্তর প্রদেশের এক জন রাজনৈতিক প্রশাসক তো বলেই দিয়েছেন অন্ধ মুসলিম বিদ্বেষে কলূর বলদের মতো চোখে ঠুলি বেঁধে যে "উর্দূ হোল মৌলবী বানানোর ভাষা"। গৈরিক পতাকাধারী এই নেতার বলিহারী কাণ্ডজ্ঞান! এঁরা সমাজ, সভ্যতা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, কিছুই জানেন না। এঁরা ভারতবর্ষকে জানেন না। এঁরা অশোক--আকবর--দারাশিকো--বিবেকানন্দ--রবীন্দ্রনাথকে জানেন না। তাই এইসব দায়িত্বজ্ঞানহীন উক্তি করে এঁরা দেশ ও দেশবাসীর সর্ব্বোনাশ করছেন। 

সভ্যতা ও সংস্কৃতির বাস্তবতা হোল এই যে ভাষা কোন ধর্মগুরু বা ধর্মীয় পরিচয় যুক্ত লোককে তৈরী করে না, কি পুরোহিত, কি পাদ্রী, কি "মৌলবী", কাউকেই তৈরী করে না। ভাষা হোল স্বচ্ছতোয়া নদীর মতো। এ হোল কপোতাক্ষ, এ হোল গঙ্গা, এ হোল নীল, এ হোল জর্ডান, এ হোল তাইগ্রিস, এ হোল ইউফ্রেটিস, এ হোল রাইন, এ হোল ভল্গা, এ হোল বৈতরিণী, এ হোল ডন, এ হোল কাবেরী, এ হোল ফল্গু। এদের কারোর জলই ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টিকারী দানব তৈরী করে না, করে মানব। বাংলা ভাষা বিবেকানন্দ--নজরুল--রবীন্দ্রনাথ--জসিমউদ্দিন--সুকান্ত--সুভাষকে তৈরী করেছে। ঠিক তেমনিভাবে উর্দূ ভাষা মুন্সী প্রেমচাঁদ, মীর্জা গালিব, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রমুখদের তৈরী করেছে। মহামতি দারাশিকো প্রমুখ পণ্ডিতরা উর্দূ ভাষায় মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন। মুন্সী প্রেমচাঁদ তো মৌলবী বা মুসলিম কোনটিই ছিলেন না। তিনি ছিলেন হিন্দু ব্রাহ্মণ। তাঁর অমর সৃষ্টির অনেকগুলি উর্দূ ভাষায় লেখা। সম্রাট দারাশিকো ফারসিতে রামায়ণ অনুবাদ করেন এবং তাঁর রামায়ণের শুরু "বিসমিল্লাহ" কথাটি দিয়ে। আরব দুনিয়ায় উর্দূ ও আরবিতে রামায়ণ মহাভারতকে ঢালাওভাবে অনুবাদ করা হয়েছে। সর্ব্বোপরি প্রখ্যাত বাগ্মী ও সাংসদ অধ্যাপক হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় যখন ইংরাজী বাংলা ও উর্দূতে ভারতের লোকসভায় বক্তৃতা করতেন তখন নেহেরু থেকে শুরু করে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ , সবাই নীরব হয়ে সেই ভাষণ শুনতেন।

সুতরাং যিনি বা যাঁরা উর্দূকে "মৌলবী" বানানোর ভাষা বলছেন তাঁরা ইতিহাসের লজ্জা। আসলে এই ভাষা-আন্দোলন পক্ষকালে আমাদের মনে রাখতে হবে যে মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধ বিশ্বের সর্ব্বদেশের, সর্ব্বকালের মানুষের থাকে। তবে এখানে মনে রাখতে হবে যে ভাষাগত প্রশ্ন নিয়ে দুইটি দৃষ্টিকোণ আছে: একটি হোল একত্ববাদী দৃষ্টিকোণ, অন্যটি হোল বহুত্ববাদী দৃষ্টিকোণ। একত্ববাদী দৃষ্টিকোণ ভাষাগত উদারতার উপর তথা সহনশীলতার উপর জোর দেয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় যে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন (যার শহীদ হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বরকত, সালাম, প্রমুখ) নিয়ে চর্চা করতে গিয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনেকে এটিকে উর্দূ বিরোধী আন্দোলন হিসাবে কার্যতঃ দাঁড় করান পশ্চিম পাকিস্থানের বাহুবলী শাসকবর্গের উর্দূ চাপানোর প্রচেষ্টার নিন্দা করতে গিয়ে। এই প্রসঙ্গে মনে রাখতে হবে যে পাক গণপরিষদে পূর্ব্ব পাকিস্থান থেকে নির্বাচিত সভ্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বহুত্ববাদী দৃষ্টিকোণে উর্দূকে একটি সমৃদ্ধশালী ভাষা হিসাবে সম্মান জানিয়েই বলেন যে অবিভক্ত পাকিস্থানে সংখ্যা গরিষ্ঠের ভাষা যেহেতু বাংলা, সেই হেতু বাংলাকেই গোটা পাকিস্থানের রাষ্ট্রভাষা করা হোক এবং এর পাশাপাশি উর্দূ, বালুচি, সিন্ধ্রী প্রমুখ আঞ্চলিক বা প্রাদেশিক ভাষাগুলির পূর্ণাঙ্গীন বিকাশের উপর জোর দেওয়া হোক। ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান, সীমান্ত গান্ধী খান আব্দুল গফুর খানের পুত্র, NAP বা ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির-নেতা ওয়ালি খান, পাকিস্থানের বিশিষ্ট কবি ও চিন্তাবিদ ফয়েজ আহম্মদ ফয়েজ প্রমুখ।কিন্তু পশ্চিম পাকিস্থানের শাসক গোষ্ঠী এসব পরামর্শে কান দিলেন না। ভাষাগত একাত্ববাদের ভাবনা তাঁদেরকে চেপে বসলো।

ফলে যা হবার তাই হয়েছে। ১৯৫২ সালের পূর্ব্বপাকিস্থানের ভাষা আন্দোলন শেষ হোল ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। প্রকাশ থাকে যে ভাষাগত প্রশ্ন নিয়ে শুধু পূর্ব্ব পাকিস্থানেই নয়। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন হয়েছে ও হচ্ছে। ভারতবর্ষের বুকে বাংলা ভাষার প্রশ্নে সিংভূম, কাছাড় প্রমুখস্থানে ভাষাগত আন্দোলন হয়েছে এবং সকল ভাষার মর্যাদা রক্ষার ও ভাষাগত স্বাতন্ত্র্য রক্ষার ও তার পূর্ণ বিকাশের সুযোগ নিয়ে সোচ্চার দাবী উঠেছে। আমাদের দেশ ভারতবর্ষের সংবিধানের ২৯ ও ৩০ নং ধারায় প্রত্যেক ভাষার স্বাতন্ত্র্য রক্ষার ও পূর্ণ বিকাশের অধিকার স্বীকৃতি লাভ করেছে। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের "Ecosoc"-এর শাখা সংগঠন UNESCO প্রতিটি, ভাষাভাষী মানুষের ভাষাগত স্বাতন্ত্র্য রক্ষার উপর জোর দিয়েছে এবং ২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বলা বাহুল্য যে বিশ্বশান্তি তথা বিশ্ব মৈত্রী রক্ষার এটি একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। 

কিন্তু, এসব সত্ত্বেও দুর্ভাগ্যের বিষয় হোল যে কিছু দায়িত্বজ্ঞানহীন রাজনৈতিক ফেরিওয়ালা অত্যন্ত নীচ ও হীনভাবে ভাষাগত প্রশ্নটিকে উপস্থাপন করছেন। তাঁরা নিজ মাতৃভাষাকে সম্মান জানাতে গিয়ে অন্যের মাতৃভাষাকে অবমাননা করছেন। এটা অন্যায়। এক জন বাঙালী হিসাবে বোলবো যে এই ভাষার সম্মান রক্ষায় পূর্ব্বোল্লিখিত শহীদরাসহ আসাম, ঝাড়খণ্ড ইত্যাদি স্থানে বহু মানুষ শহীদ হয়েছেন। এইসব শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সর্ব্বোৎকৃষ্ট পথ হোল বাংলা ভাষাসহ সকল ভাষার প্রতি সমানভাবে শ্রদ্ধাশীল থাকা। নিজের মাতৃভাষাকে সম্মান জানাতে গিয়ে অন্যের মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করা মানুষের মতো কাজ নয়, পশুর মতো কাজ। এই পাশবিকতার বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে, আপন মাতৃভাষার সম্মান রাখার পাশাপাশি অন্যের মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করার প্রবণতাকে রুখতে গিয়ে অনেক মহান মানুষকে বহু লাঞ্ছনা সহ্য করতে হয়েছে। পাক উর্দূ কবি ফয়েজ আহম্মদ ফয়েজ, উর্দূভাষী পাক বামপন্থী রাজনীতিবিদ ওয়ালিখান প্রমুখ মানুষরা আপন মাতৃভাষা উর্দূর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেও অবিভক্ত পাকিস্থানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেবার জন্য মহম্মদ আলি জিন্না থেকে শুরু করে ইস্কান্দার মীর্জা, লিয়াকৎ আলি খান, সবার কাছেই দাবী রাখেন, কারণ বাংলা ভাষীরাই অবিভক্ত পাকিস্থানে ছিলেন সংখ্যা গরিষ্ঠ। তাঁরা উর্দূসহ অন্যান্য ভাষাগুলিকে মর্যাদাপূর্ণভাবে বিকাশের দিকে নজর দিতে আহ্বান করেন।

কিন্তু, উর্দূভাষাগত সংকীর্ণতাবাদ উল্লিখিত শাসকদের এমনই গিলে ফেলে যে এই অপরাধের জন্য এঁদেরকে "হিন্দুস্থানের দালাল" অপবাদ দিয়ে যথেষ্ঠ হেনাস্থা করার ব্যবস্থা করা হয়। অপর দিকে পাকগণপরিষদের ভিতরে ও বাইরে যিনি বাংলা ভাষাকে পাকিস্থানের রাষ্ট্রভাষা করার জন্য আপোষহীনভাবে লড়েছেন, তিনি অর্থাৎ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত কিন্তু উর্দূ সম্পর্কে কোন অসম্মান তো দূরে থাক, যথেষ্ঠ শ্রদ্ধাশীল ছিলেন এই সুসমৃদ্ধ ভাষার প্রতি। উগ্র মুসলিম মৌলবাদে অন্ধ হয়ে বাংলাকে যেমন লিয়াকৎ আলি--ইস্কান্দার মীর্জারা "কাফের এর ভাষা" বলে আখ্যাত করেছিলেন, ঠিক তেমনি কিছু লোক হিন্দু মৌলবাদে অন্ধ হয়ে উর্দূকে "মৌলবী বানানোর ভাষা" বলে আখ্যাত করছেন ।ধিক শত ধিক এঁদেরকে ।কোন ভাষা কোন ধর্মগুরু বানানোর যন্ত্র নয়, এসব বানানোর হাতিয়ার আলাদা। কেউ কেউ আবার উর্দূ ভাষা ইকবালের মাতৃভাষা হওয়ায়, ইকবাল বিরোধীতা থেকে উর্দূ বিরোধীতার পথে হাঁটেন। বাস্তবিকই তো দেশ ভাগের জন্য তিনি অর্থাৎ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত, জিন্না ও ইকবালকে সমভাবে ঘৃণা করতেন যেমন ঘৃণা করতেন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ এঁদেরকে ও আম্বেদকরকে ।কারণ "পাকিস্থান" নামটি ইকবালের দেওয়া। আর ১৯৩২ সালের যে লণ্ডন বৈঠকে গান্ধিজী ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবী তোলেন, সেই বৈঠক ভেস্তে যায় আম্বেদকর ও জিন্নার জাতপাতভিত্তিক ও ধর্ম ভিত্তিক সংরক্ষণের দাবী তোলার জন্য তথাকথিত অনুন্নত সম্প্রদায় ও মুসলিমদের স্বার্থে। এঁদের এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ও গান্ধীজীর "সর্ব্বোদয়" বা সবার কল্যাণের পক্ষে ছিলেন আজাদ, খান আব্দুল গফুর খান, ডঃ রাধাকৃষ্ণান, ভি. ভি. গিরি, প্রমুখরা এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা। 

কিন্তু কোন ভাষা তো কারোর পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। ভাষা হোল নদী। সেখানে পাপী ও পূণ্যাত্মা সবাই স্নান করে। এর জন্য তো নদীর কিছু করার নেই। ইকবাল দেশ ভাগের জন্য অবশ্যই দায়ী। কিন্তু বাংলা ভাগের জন্য তো বাংলাভাষী শ্যামাপ্রসাদ কিংবা ভারত বিভক্তির জন্য মারাঠি ভাষী সাভারকারও দায়ী। তাহলে কি বাংলা ভাষা, বা মারাঠি ভাষা অচ্ছূৎ হয়ে যাবে? মোট কথা উদার, ধর্মনিরপেক্ষ ও মানবিক দৃষ্টিতে সবাইকে ভাষাগত প্রশ্নকে বিবেচনা করতে হবে এবং সমাজতান্ত্রিক অসমাজতান্ত্রিক নির্বিশেষে আমেরিকা, সুইজারল্যাণ্ড, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারতবর্ষ প্রমুখ বহুভাষাভাষী মানুষের বাসস্থান বৃহৎ যুক্তরাষ্ট্রগুলিতে যেভাবে একাধারে সংখ্যাগুরু--ভাষাভাষী মানুষদের ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করে অন্যান্য ছোট-বড়--মাঝারি সব ভাষার উপযুক্ত সম্মান ও বিকাশের ব্যবস্থা করা হয়েছে বা হয়েছিল, সেই মডেল "বিশ্বের সর্বত্র চালু হওয়া বিশ্বশান্তি, মৈত্রী ও নিরাপত্তার জন্য একান্ত জরুরী। এই প্রসঙ্গেই বলতে চাই যে "হিন্দী, হিন্দু, হিন্দুস্থান" ধ্বনির আওয়াজকারী ভারতের বর্তমান শাসক দল বি. জে. পি. জোর করে হিন্দী ভাষাকে অহীন্দিভাষীদের উপর চাপাতে চেষ্টা করছে। এটা তারা আগুন নিয়ে খেলছে। তাদের মনে রাখা দরকার যে হিন্দী অবশ্যই একটি শ্রদ্ধাস্পদ সমৃদ্ধ ভাষা। কিন্তু এটা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা নয়, আপেক্ষিক সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা। ষাট শতাংশের মত ভারতবাসী বিভিন্ন অ-হিন্দী ভাষায় কথা বলেন। তাদের ভাষাগত ভাবাবেগের দিকে লক্ষ্য রেখে, এবং ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের দেশের শাসক গোষ্ঠী ভাষা প্রশ্নে একত্ববাদী-আধিপত্যবাদী পথ ছেড়ে, বহুত্ববাদের পথকেই সম্মান করুন--এটাই সময়ের দাবী। 

 

      

লেখক পরিচিতি

অধ্যাপক খগেন্দ্রনাথ অধিকারী রাষ্ট্রীয় বিদ্যাসরস্বতী পুরস্কার ও এশিয়া প্যাসিফিক পুরস্কার সহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহু পুরস্কার প্রাপ্ত একজন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ। ইনি কোলকাতার সাউথ সিটি (দিবা) কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ।

ঠিকানা-শরনিয়ার বাগান

পোষ্ট-টাকী, পিন-৭৪৩৪২৯

পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

*লেখকের কাছ থেকে মোঃ ইজাজ আহামেদ - এর দ্বারা সংগ্রহ করা হয়েছে*

০৯:০৮ এএম, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শুক্রবার

অনুষ্ঠিত হল সুতি চক্রের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

অনুষ্ঠিত হল সুতি চক্রের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

অনুষ্ঠিত হল সুতি চক্রের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা 

 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

ছাবঘাটি, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫: আজ সোমবার ছাবঘাটি কে. ডি বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হল সুতি চক্রের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। এদিন এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সুতি চক্রের ৮৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪৬টি এসএসকে বিদ্যালয়ের মোট ২৯৭ জন প্রতিযোগী ৩৪টি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। উপস্থিত ছিলেন সুতি চক্রের এস আই অরিন্দম দত্ত, সুতির বিডিও হুমায়ুন চৌধুরী, শিক্ষা কর্মাধক্ষ্য জানেহুর খাতুন, পার্থ সারথী কর্মকার, শাহ রশিদ আলম, মহঃ তৈরুল ইসলাম, তিলক দাস, তাপস কুমার দাস, সুদেব হালদার, মৃদুল চৌধুরী, মুর্শিদুল হক, সামসুদ্দিন বিশ্বাস, স্বপন কুমার সরকার, মোহাঃ নাসিরুদ্দিন, নবীরুল ইসলাম, মোহাঃ বাদিরুদ্দিন, সহিদুল আলম, তৈমুর ইসলাম, মেহেবুব আলম প্রমুখ ও বিদ্যালগুলির শিক্ষক-শিক্ষিকামণ্ডলী। এদিন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাটি সঞ্চালনা করেন সব্যসাচী দাস ও পলাশ দাস। খুব সুন্দরভাবে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। বরণ, মশাল জ্বালানো, প্যারেড ও জাতীয় সঙ্গীতের পর খেলার পর্ব শুরু হয়। উপস্থিত সকলে আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

 

 

 

১১:০০ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ সোমবার

শুরু হল সামশেরগঞ্জ বইমেলা ( ২য় বর্ষ) - ২০২৫

শুরু হল সামশেরগঞ্জ বইমেলা ( ২য় বর্ষ) - ২০২৫

শুরু হল সামশেরগঞ্জ বইমেলা ( ২য় বর্ষ) - ২০২৫ 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

ধুলিয়ান, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫: আজ ২৭শে জানুয়ারী সোমবার বেলা দুটোর সময় কাঞ্চনতলা জে. ডি. জে ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গনে শুরু হল সামশেরগঞ্জ বইমেলা -২০২৫, চলবে ২রা ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। বেলা দুটোর সময় বইমেলার মিছিল বের হয়। অংশগ্রহণ করে এলাকার স্কুলগুলির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকামণ্ডলী, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও রাজনীতিবিদগণ। উপস্থিত ছিলেন এই বইমেলার প্রধান উদ্যোক্তা ও সামশেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম, আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় মুর্শিদাবাদ সেন্টারের পরিচালক ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান, মুর্শিদাবাদ জেলার সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা, বইমেলার স্মরণিকার সম্পাদক তথা ডি.এন.সি কলেজের লাইব্রেরিয়ান মহঃ নুরুল ইসলাম, কাঞ্চনতলা জে. ডি. জে ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই মাসুদ রহমান, চাচন্ড বি.জে হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মেজাউর রহমান, ডি.এন.সি কলেজের এনসিসির কো-অরডিনেটর রামকৃষ্ণ মহান্তি,  আমুহা কদমতলা হাই স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সাহিত্যিক আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, কবি, লেখক ও সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদ, কল্যাণ গুপ্ত প্রমুখ।

 

 

০৯:২৪ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ সোমবার

শুরু হল অরঙ্গাবাদ বইমেলা-২০২৫

শুরু হল অরঙ্গাবাদ বইমেলা-২০২৫

শুরু হল অরঙ্গাবাদ বইমেলা-২০২৫

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

অরঙ্গাবাদ, ২১ জানুয়ারী, ২০২৫: সুতি নাগরিক মঞ্চের আয়োজনে ২১শে জানুয়ারী মঙ্গলবার শুরু হল অরঙ্গাবাদ বইমেলা-২০২৫, চলবে ২৬ জানুয়ারী পর্যন্ত। বেলা দুটোর সময় ডিএনসি কলেজ মাঠ থেকে বইমেলার মিছিল বের হয়। এই মিছিলে অংশগ্রহণ করে শিক্ষাবিদ জুলফিকার আলি, মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন সহ - সভাধিপতি নিজামুদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক ড. সুনীল কুমার দে,  ডিএনসি কলেজ ও  স্কুলগুলির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকামণ্ডলী। এদিন বইমেলার শুভ উদ্বোধন করেন সুতির বিধায়ক ঈমানী বিশ্বাস। এছাড়া উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সুনীল কুমার দে, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, প্রাক্তন শিক্ষক দিলবাদশা, ভারত সেবাশ্রম সংঘের মহারাজ , ড. সামন্ত, ডিএনসি কলেজের এনসিসির কো-অরডিনেটর রামকৃষ্ণ মহান্তি, পতাকা ইন্ডাস্ট্রিজ অরঙ্গাবাদ শাখার ম্যানেজার আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

১২:০৯ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৫ বুধবার

মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে  শেষ হল সর্ব-ভারতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে শেষ হল সর্ব-ভারতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

 

মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে শেষ হল সর্ব-ভারতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট 

 

মোঃ ইজাজ আহামেদ 

 

 

জঙ্গিপুর: ১৯ জানুয়ারী রবিবার জঙ্গিপুরের রঘুনাথগঞ্জ ম্যাকেঞ্জি মাঠে শেষ হল সর্ব- ভারতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এমপি গোল্ড কাপ অল ইন্ডিয়া সিনিয়ার সুপার সেভেন ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫ - এর ফাইনাল ম্যাচ। এদিন ঝাড়খন্ড ৪৮ রানে পরাজিত হয় এমপি- ৭ এর কাছে। স্থানীয় দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় জঙ্গিপুরবাসীদের মনে আনন্দের জোয়ার উঠে। উপস্থিত ছিলেন জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান, বিধায়ক তথা শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুহাম্মদ আখরুজ্জামান, বিধায়ক কানাইচন্দ্র মণ্ডল, বিধায়ক আমিরুল ইসলাম, মুর্শিদাবাদ জেলার সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা, প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার শ্রীকান্ত শর্মা, টলিউডের নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী প্রমুখ। উল্লেখ্য এদিন ফাইনাল ম্যাচের আগে তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় জম্মু কাশ্মীর ও ওড়িশার মধ্যে। ওড়িশা বিজয়ী হয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করে।

 

 

১০:৪৮ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ সোমবার

মরক্কো ও চীন থেকে সম্মাননা  কবি মোঃ ইজাজ আহামেদকে

মরক্কো ও চীন থেকে সম্মাননা কবি মোঃ ইজাজ আহামেদকে

 

 

মরক্কো ও চীন থেকে সম্মাননা কবি মোঃ ইজাজ আহামেদকে 

 

নিজস্ব সংবাদাতা: 

 

মুর্শিদাবাদ জেলার অরঙ্গাবাদের কবি, লেখক ও সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদকে মরক্কোর ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর ক্রিয়েটিভিটি এন্ড হিউম্যানিটি (আই এফ সি এইচ) দি কিংডম অব মরক্কো, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ফিডিয়া মরক্কো ৪৩/২০১৮ থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন। এর আগেও বেশ কয়েকবার বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সাম্মানিক ডক্টরেট পেয়েছেন। কয়েকদিন আগেও চীনের ইন্টারন্যাশনাল পোয়েট্রি ট্রান্সলেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, দ্যা জার্নাল অফ রেন্ডিশন অফ ইন্টারন্যাশনাল পোয়েট্রি (মাল্টিলিঙ্গুয়াল), দ্যা বোর্ড অফ ডাইরেক্টরস অফ ওয়ার্ল্ড ইউনিউন অফ পোয়েট্রি ম্যাগাজিন আয়োজিত 'প্রাইজস ২০২৪: দ্যা ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট পোয়েটস্ অ্যান্ড ট্রান্সলেটরস্' -এ বিভিন্ন দেশ থেকে বেস্ট পোয়েটস্ অ্যান্ড ট্রান্সলেটরস্ হিসেবে ১৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে তিনি একজন এবং ভারত থেকেও একজন। তাঁর লেখা দেশবিদেশের বিভিন্ন জার্নাল, পত্রপত্রিকা, ম্যাগাজিন ও যৌথ বইয়ে প্রকাশিত হয়ে আসছে। তাঁর কবিতা আরবী, চীনা, কোরীয়, তুর্কী, ইতালীয়, আলবেনীয়, তাজিক, পোলিশ, হিন্দী, রুশ, বসনিয়ান, কিরগিজ, ডাচ, জার্মান ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।    উল্লেখ্য গত ১২ জানুয়ারী ৬৪ টি দেশের কবি - লেখকদের লেখায় সমৃদ্ধ স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করলেন অরঙ্গাবাদ থেকে। মফস্বল থেকেও যে আন্তর্জাতিক মানের কাজ করা যায় তা দেখিয়ে যাচ্ছেন তিনি। 

 

 

 

০৫:২৭ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ রোববার

অনুষ্ঠিত হলো স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকা উৎসব-২০২৫

অনুষ্ঠিত হলো স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকা উৎসব-২০২৫

 

অনুষ্ঠিত হলো স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকা উৎসব-২০২৫

নিজস্ব সংবাদাতা

 

১২ই জানুয়ারী, ২০২৫: আজ অরঙ্গাবাদের একান্ত আপন লজে ১২ই জানুয়ারী রবিবার অনুষ্ঠিত হলো স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকা উৎসব-২০২৫। এদিন স্বপ্নের ভেলা সাহিত্য পত্রিকার ৬৪টি দেশের কবি- লেখকের লেখায় সমৃদ্ধ পঞ্চম বর্ষের পঞ্চম সংখ্যাটির মোড়ক উন্মোচন, সাহিত্য সম্মেলন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রৌফ, বিশেষ অতিথি হিসেবে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সবুজ সরকার, অতিথি হিসেবে ছিলেন ভাষা আন্দোললনের শহীদ আবুল বরকতের ভাগ্নে ও শহীদ আবুল বরকত স্মৃতি সংঘের কর্ণধার সৈয়দ সিয়াদত আলী,  মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন সহ-সভাধিপতি নিজামুদ্দিন আহমেদ, প্রাক্তন শিক্ষক দিলবাদশা, কবি ও লেখক এস এম নিজামুদ্দিন, প্রাক্তন শিক্ষক ও সহিত্যিক আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী যিনি অনুষ্ঠানে সভাপতির আসন অলংকৃত করেন। উপস্থিত ছিলেন কবি ও প্রাক্তন অধ্যাপক বিশ্বনাথ সাহা, কবি ও লেখক বদরুদ্দোজা হারুন, মা জহুরা লাইব্রেরি ও রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ শাহ গোলাম হায়দার, কবি দুলাল প্রামানিক, লেখক মনিরুজ্জামান বিট্টু, কবি স্বাগতা সান্যাল, কবি নুর মোহাম্মদ, কবি তসলিম আরিফ, কবি রিনা কংসবনিক, কবি পারভীন খাতুন, কবি সামসুদ্দিন বিশ্বাস, কবি, সুলতানা পারভীন, কবি সৈয়দ সোফিয়া নওয়ার, কবি রবিউল আলম, কবি মাহাতাব হোসেন, কবি মাহজাবিন আফরোজা, কবি মাহমুদ হোসেন, কবি সায়েদা মুসফেক ইসলাম, কবি আজিজুল হাকিম, কবি রাফিকুজ্জামান খান, কবি পারভেজ সেখ, চান্স বাংলার কর্ণধার মিঠুন সেখ, কবি আব্দুল করিম, কবি ইমতিয়াজ কবীর, সাংবাদিক সৈয়দুল ইসলাম, মিডিয়া ব্যক্তি হাবিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুদ্দিন, এফ এস হেলথ কেয়ার অ্যান্ড অপটিক্যাল-এর কর্ণধার ও চক্ষু পরীক্ষক সেখ মামুন আল হাসান, পত্রিকার সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদ, সভাপতি আবদুস সালাম, সহ-সম্পাদক আব্দুল মালেক, সহ-সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক আব্দুল মালেক, পত্রিকার প্রচ্ছদ ডিজাইনার হুমায়ুন কবির, পত্রিকার অক্ষরবিন্যাসকারী আজাদ রহমান, পত্রিকার সদস্য হুমায়ূন শেখ, ইফতিকার হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষবিদ গুলজার হোসেন। এদিন উপস্থিত সকল কবি - লেখকদের ব্যাচ ও সম্মাননাপত্র দিয়ে সম্মানিত করা হয় এবং এইবছর থেকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই বছর যাঁরা সাহিত্যে স্বপ্নের ভেলা সাহিত্যাচার্য সম্মাননা পুরস্কার পান তাঁরা হলেন - 

ড. আজিজ মৌনতাসির (কবি, সদস্য - নাসা, মরক্কো)

বিশ্বনাথ সাহা (কবি, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক)

বদরুদ্দোজা হারুন (সাহিত্যিক, অবসরপ্রাপ্ত ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস আধিকারিক), মোহাঃ হাসানুজ্জামান (সাহিত্যিক) ও স্বাগতা সান্যাল (কবি)।

সাংবাদিকতায় 'স্বপ্নের ভেলা সাংবাদিকতা সম্মাননা' পেলেন

সৈয়দ মিনহাজ হুসেইন আল-হুসেইনী (সম্পাদক - কাদেরী টাইমস্ পত্রিকা) ও সমাজসেবায় 'স্বপ্নের ভেলা সমাজব্রতী সম্মাননা' পেল হাউসনগর প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সমিতি।

 

 

 

 

১০:৪৯ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০২৫ রোববার

Puspaprovat Patrika
এই বিভাগের জনপ্রিয়