POEM - HOW MUCH I MISS YOU
KUJTIM HAJDARI is a writer, poet, editor, literary critic, translator, publisher, and promoter. His poetry volume, The Waves of Life, is a finalist for the Best Book of 2025 award in Hollywood, which will be held in October 2025.
He writes in Albanian, Italian, and English.
So far, he has published 18 volumes of poetry and translated six volumes by other authors into English. Additionally, he has participated in 144 national and international anthologies and magazines.
He has participated in more than 50 national and international competitions, in which he has been recognized with several awards.
He was the winner of ”The International Impact Book Awards” in the USA in August 2025.
He has received numerous certificates and diplomas from various web groups and associations. His poetry has been enthusiastically received, attracting thousands of admirers from many countries around the world, as well as renowned poets and literary critics both domestically and internationally, who have written the highest praises.
His poems have been published in many countries around the World. They can be found in Albania, Kosovo, North Macedonia, Italy, the USA, Romania, Morocco, Egypt, Denmark, Algeria, India, Bangladesh, Pakistan, Turkey, Spain, Germany, Tajikistan, Korea, China, etc.
***
HOW MUCH I MISS YOU
(To my father)
I took my first steps into the endless world,
And I stumbled on the cobblestone path,
"Don't be afraid," you sweetly told me, "I am here,
Try again, it's not easy to stand on your feet."
The world seemed like a jungle to me, a monstrosity,
I resembled a bird just fledged from the nest,
You gave me wings, filled my days with trust,
When I felt your warm hand and words beside me.
You are no longer here; your absence hurts me so.
But in memories and dreams, you always appear,
When you followed my dreams, walking beside me,
When you sought me out, huddled in the rain and wind.
And you taught me to embrace and face the wildness,
To feel and love the sweetness of the morning sun,
To seek beauty in the ordinary things,
To recognize the evils of time and the wounds of vice.
You are no longer here, Father, how I miss your warmth,
For me, you remain beloved and precious throughout my life,
You stay like a star that guides ships in the dark,
And though time separated us quickly, you sleep beyond like a saint.
©® Kujtim Hajdari
*Collected from the poet by Md Ejaj Ahamed*
০৯:৪৯ পিএম, ২৫ মে ২০২৫ রোববার
Poems
Authoress Tamikio L. Dooley is a multi-award-winning author. She is the author of 150 titles and 100 published books. The author writes fiction and nonfiction of crime, thriller, mystery, fantasy, historical, western, romance, zombie apocalypse, and paranormal. In her spare time, she writes short stories, poetry, articles, essays, health books, and children’s books, diaries, journals, inspiring books, culture, African American, and history books. She is also a blogger.
Peace and Humanity
In a world where humanity is being challenged,
Our inner strengths often challenge us.
But from lessons,
Our efforts and perseverance sustain our survival.
Determination unlocks the door.
The artwork that embodies the value of humanity,
As a nation,
We discover our destiny by holding on to each other.
In search of virtue and sagacity,
Our aim is to find peace.
The breastplate of humanity beauty adorns Honor!
Together, let’s unite and create peace.
Beautiful Bird
The melodic sound of a stunning bird's whistle fills the air.
The painful impact of the words,
Elicits a response from the heart,
When someone listens to the melodious bird sing,
The whistle fostered wisdom, love, and respect.
A beautiful bird whistles a powerful song.
Soft, delightful tunes for the ears,
The bird's whistle strikes a chord with us as humans.
Join in perfect harmony, like a melody.
Another beautiful song awaits us.
A melodious bird sings a powerful song.
Open the ears to comprehend the true intent.
The real significance behind the words,
From the beautiful bird,
A beautiful bird whistles a powerful song.
Gentle Kiss
Embrace a gentle kiss.
Under the waterfall,
Under the waterfall,
When the drops gently touch the cheek,
Welcome a gentle kiss.
It moves like fluttering leaves.
Under the waterfall,
Under the waterfall
When the lips gently touch thine,
Welcome a gentle kiss.
Under the waterfall,
Under the waterfall,
The mouth whispers sweet nothings.
Welcome a gentle kiss.
My Sweetheart
I enjoy serenading my beloved beneath her balcony.
I desire for her to be aware at present.
My heart belongs to her.
I enjoy serenading my beloved beneath her balcony.
My sweetheart,
Tonight,
I yearn for the feel of your body.
Come and lay beside me.
To give me solace,
My sweetheart,
Beneath her balcony,
Serenading my sweetheart is something I love to do.
Beneath her balcony.
Another Sad Love Song
A woman sat at the harp.
In the presence of her angelic beauty,
Angels accompany her as she plays.
Entwined with love and honor,
Another sad love song,
Emerged from her still mouth,
A mixture of pain and tranquility in one’s expression,
I had prior knowledge that she would release the song.
It was another sad love song,
The angelic woman informed me,
And harp, before…
In painless tra
nquility, her eyes stayed shut.
As she continued playing another sad love song.
*Collected from the poetess by Md Ejaj Ahamed*
০৯:৩৬ পিএম, ২৫ মে ২০২৫ রোববার
রঁদো কবিতা - বসন্ত এসেছে
বসন্ত এসেছে (রঁদো কবিতা)
মোঃ ইজাজ আহামেদ
রুপালি ডানায় ভর করে
বুড়ী শীতকে বিদায় করে
এসেছে চির বসন্ত,
নব যৌবনে ফুটন্ত,
নব পুষ্পের সমাহারে।
কোকিলেরও কুহুতানে,
বাতাসে মুকুলের ঘ্রানে
জাগবে সব মনে বসন্ত।
নতুন গাছ নবপল্লবে
আনন্দতে জেগে উঠবে ।
ভ্রমর ফুলে হবে মত্ত,
মধু পানে করে নৃত্য।
প্রকৃতি সাজবে উৎসবে।
*কবিতাটি 'স্বপ্ন তরী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
*নোট: রঁদো কবিতা। তেরো পংক্তির তিনটি স্তবকের কবিতা। পাঁচ, তিন পাঁচ পংক্তির তিনটি স্তবক থাকে। প্রতি পংক্তিতে থাকে আটটি অক্ষর বা দল। মিলবিন্যাস রীতি
হল- ককখখক, ককখ, ককখখক।
০৮:৪৫ পিএম, ২২ মে ২০২৫ বৃহস্পতিবার
প্রবন্ধ - জীববৈচিত্র দিবস ড. মনোরঞ্জন দাস
প্রবন্ধ - জীববৈচিত্র দিবস
ড. মনোরঞ্জন দাস
জীববৈচিত্র্য শব্দটি জৈবিক এবং বৈচিত্র্য দুটি শব্দ দিয়ে তৈরি। জীববৈচিত্র্য শব্দটি পৃথিবীতে বিদ্যমান সমস্ত ধরণের জীবকে বোঝায়, যেমন উদ্ভিদ, প্রাণী, ছত্রাক এবং অণুজীব। এটি তাদের তৈরি সম্প্রদায় এবং আবাসস্থলের সাথেও সম্পর্কিত।
জীববৈচিত্র্যের আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা দেওয়া যেতে পারে স্থলজ, সামুদ্রিক এবং অন্যান্য জলজ বাস্তুতন্ত্রের প্রজাতি এবং বাস্তুতন্ত্রের জটিলতা সহ সকল উৎস থেকে জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে পরিবর্তনশীলতাকে। আমরা যে বৈচিত্র্য লক্ষ্য করি তা প্রজাতি, প্রজাতির মধ্যে এবং বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে পাওয়া যায়। বাস্তুতন্ত্রে জীববৈচিত্র্যকে একটি বাস্তুতন্ত্রে বসবাসকারী প্রজাতির জীবন এবং একে অপরের সাথে এবং পরিবেশের সাথে তাদের মিথস্ক্রিয়ার সমন্বয় হিসাবে চিহ্নিত করা হয় যা পৃথিবীকে মানুষ এবং অন্যান্য প্রজাতির জন্য একটি অনন্য বাসযোগ্য স্থান করে তুলেছে। এই অনুভবে আমার একটি
কবিতার অনুরণন,
' সমাহারে এই জীববৈচিত্র
এই অনুরণন
পূর্বাপর সংবাহনে আসে,
সম্পূরণে আসে।
প্রিয়াবরণ থেকে সেই অনুভব
নিদারুণ নির্মাণে
ঋদ্ধ বলয় যেন
বিবর্তনে, বিলক্ষণ।
আধারের আনবিক গতি
বিমোহনে
বস্তুতন্ত্রে থাক, বিচিত্রতায়
থাক অনুক্ষণ;
সেইই তো সমূহ জীবনের
পরিবেশ অধ্যায়।'১
১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে পরিবেশ ও উন্নয়ন, যা "আর্থ সামিট" নামেও পরিচিত, শীর্ষক বিষয়ে জাতিসংঘের সম্মেলন আয়োজিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে, টেকসই উন্নয়নের কৌশল তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং সরকারী নেতারা টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি কৌশল নিয়ে একমত হয়েছিলেন। বলা হয়েছিল যে টেকসই উন্নয়ন হল বিশ্বজুড়ে মানুষের চাহিদা পূরণের একটি উদার পদ্ধতি এবং এটি নিশ্চিত করবে যে পৃথিবী ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুস্থ থাকবে। পৃথিবী শীর্ষ সম্মেলনে, সর্বাধিক চুক্তিগুলির মধ্যে একটি ছিল জীববৈচিত্র্য দিবসের কনভেনশন।
জীববৈচিত্র্যের এই কনভেনশনটি ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৩ সালে কার্যকর হয়। এটি ২২ মে ২০০১ সালে পালিত হয়। তাই প্রতি বছর ২২ মে বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়। ১৯৯২ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে এক সম্মেলনে জাতিসংঘে জৈবিক বৈচিত্র্যের কনভেনশনের পাঠ্য গৃহীত হয়। প্রতি বছর আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস একটি নির্দিষ্ট থিমকে লক্ষ্য করে এবং সেই অনুযায়ী উদযাপন
একটি কবিতা,
'সত্যযুগে প্রকৃতি ছিল খুব শান্ত ও সুন্দর
মানুষের প্রকৃতিও ছিল খুবই পবিত্র সত্য
ত্রেতা যুগেও প্রকৃতি ছিল মনোরম সুন্দর
মানুষের জীবন ছিল ন্যায়পরায়ণ ও বিজ্ঞ,
দ্বাপরে নৈতিক আধ্যাত্মিকতার অধঃপতন
মানুষের প্রকৃতিও জটিল ক্ষমতা পরিক্ষণীয়
কলিযুগে মানুষ হয়ে ওঠেছে প্রকৃতির দাস
তারা যেন নিয়ন্ত্রণ হারা প্রকৃতিতে চির নিমগ্ন।'২
বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবসে বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় যাতে সমগ্র বিশ্বে জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব বোঝানো যায়। এই দিবসটি উদযাপনের পেছনের কারণ হল ভবিষ্যতে জীববৈচিত্র্য কী ভূমিকা পালন করবে তা জনগণকে জানানো। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জৈব বৈচিত্র্য কনভেনশনের বিভাগ প্রতি বছর উদযাপনের আয়োজন করে। বিভিন্ন ধরণের জাতীয় সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাও এই উদযাপনে অংশগ্রহণ করে। বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস উদযাপনে যেসব কার্যক্রম পরিচালিত হয় তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পুস্তিকা বিতরণ এবং অন্যান্য শিক্ষামূলক সম্পদ স্থানীয় ভাষায় অনুবাদ করা, পরিবেশগত বিষয়ের উপর চলচ্চিত্রও দেখানো এবং শিক্ষার্থী, পেশাদার এবং সাধারণ জনগণের জন্য প্রদর্শনী বা সেমিনারের আয়োজন করা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে প্রচুর তথ্য প্রচার করা হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয় যা মূলত বিপন্ন প্রজাতি এবং তাদের আবাসস্থলের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। সম্মিলিতভাবে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যেমন ক্ষয় রোধে বিভিন্ন স্থানে গাছ এবং অন্যান্য গাছপালা রোপণ করা। কিছু রাজনীতিবিদ স্থানীয় পরিবেশগত বিষয় নিয়ে বক্তৃতাও দেন, বার্ষিক থিমকে কেন্দ্র করে শিশু এবং তরুণদের জন্য ছবি তোলা বা শিল্পকর্ম তৈরির প্রতিযোগিতাও পরিচালনা করা হয়।একটি ছড়া,
' পৃথিবীকে ভালোবাসো
গাছ হে লাগাও
জল দাও, সার দাও,
তাকে সবে বাঁচাও।।
বৈচিত্রে থাকো সবে
হও মহীয়াণ
প্রকৃতিকে দাও তুমি
দাও হে সম্মান।।
জীব আর প্রকৃতিতে
আছে ভারসাম্য
সকেলের ভালো হোক
এই সবার কাম্য।
পৃথিবীতে সকলেরই
একে একে আসা
তার পর চোলে যাওয়া
রেখে বেশভূষা
পৃথিবীতে এসে তুমি
সবুজ ভালোবাসো
সবুজে সজীব হয়ে
নিজে তুমি হাসো।।'৩
প্রকৃতি এবং মানুষের জীবনের মধ্যে এক অনন্য সংযোগ রয়েছে। জীববৈচিত্র্য আমাদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যের জন্য সুস্থ, বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল। তাই জীববৈচিত্র্যের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ২২শে মে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।একটি
কবিতা,
'মনের ভেতর জুড়ে আছে কত কথা
আহা জীব প্রিয় জীবন বৈচিত্রময় বড়
কে ক'জন মানে নীল আকাশের নীচে এ খেলা, বারতা
সাঙ্গ ত হবেই কোন কোনও দিনের
অনস্তিত্ব জেনে আজও তাই উজাড়...' ৪
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের দ্বিতীয় কমিটি কর্তৃক প্রথম উদযাপনটি ২৯শে ডিসেম্বর ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়। ২০০১ সাল থেকে প্রতি বছর এটি পালিত হয়ে আসছে। জীববৈচিত্র্য বাস্তুতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। প্রতিটি প্রজাতি, বড় হোক বা ছোট, অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তুতন্ত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণভ ভূমিকা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি প্রচুর সংখ্যক উদ্ভিদ প্রজাতি থাকে, তাহলে এর অর্থ হল ফসলের বৈচিত্র্য থাকবে।
সর্বোপরি, প্রজাতির বৈচিত্র্য সমস্ত জীবের জন্য প্রাকৃতিক স্থায়িত্ব এবং একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্রের নিশ্চয়তা দেয় যেখানে মানবজাতি বিভিন্ন ধরণের দুর্যোগ থেকে আরও ভালভাবে দাঁড়াতে এবং পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে ।
................................
তথ্যসূত্র
১. লেখক- তাৎক্ষণিক কবিতা;
২. মতিলাল পটূয়া- তাৎক্ষণিক কবিতা;
৩. লেখক- তাৎক্ষণিক ছড়া;
৪.প্রভাসচন্দ্র বিদ্যাতীর্থ- তাৎক্ষণিক কবিতা;
..................
** ২২ মে ; জীববৈচিত্র্য দিবস।
০৬:২৫ পিএম, ১৮ মে ২০২৫ রোববার
বৈশাখী - জ্যৈষ্ঠ অনুষ্ঠান
বৈশাখী - জ্যৈষ্ঠ অনুষ্ঠান
মোঃ ইজাজ আহামেদ
বোলপুর: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সাম্যবাদী কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণে দোলকচাঁপা কাজী নজরুল ফাউন্ডেশন প্রকৃতিত্ব চুরুলিয়া আম্বেদকর কালচারাল কলেজ এবং নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সংস্কৃতি সম্মেলনের পরিচালনায় বোলপুর শান্তিনিকেতনে অনুষ্ঠিত হল বৈশাখী - জৈষ্ঠ অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন আচার্য পদ্মশ্রী রতন কাহা এছাড়াও দোলনচাঁপা নজরুল ফাউন্ডেশন প্রকৃত চুরুলিয়ার সম্পাদক সোনালি কাজী। আম্বেদকর কালচারাল কলেজের সম্পাদক দিলীপ বিশ্বাস। আম্বেদকর কালচারাল কলেজের সভাপতি অপূর্ব কুমার বিশ্বাস। নিখিল ভারত সাহিত্য সম্মেলনের সম্পাদক ডাক্তার হাসিবুর রহমান চৌধুরী সহ বহু গুণী মানুষজন উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে সাত জনকে বিশ্বকবি শান্তি সম্মান এবং সাতজনকে কাজী নজরুল সাহিত্য সম্বন্ধে ভূষিত করা হয়। ১৫ ই মে সন্ধে ছটা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত বোলপুর যুব আবাসে মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ১৬ই মে (পহেলা জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ সাল) সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান শুরু হয় বিশ্বভারতির ক্যাম্পাসে।
০৯:০৩ এএম, ১৭ মে ২০২৫ শনিবার
ফের বেতবোনা গ্রামের মানুষের পাশে জেলা পুলিশ, বিভিন্ন সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা তুলে দিলেন SP
০৪:৪৮ পিএম, ১৬ মে ২০২৫ শুক্রবার
রাষ্ট্রপুঞ্জের তালিকায় জোড়া হোক পহেলগাঁও কাণ্ডে জড়িত টিআরএফ-এর নাম, দাবি ভারতের প্রতিনিধিদলের
১১:২১ এএম, ১৫ মে ২০২৫ বৃহস্পতিবার
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা পরিষেবা শুরু ফরাক্কা ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।
০৪:৪৩ পিএম, ১১ মে ২০২৫ রোববার
বিজেপির শাসন ও সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ
বিজেপির শাসন ও সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ
মজিবুর রহমান, প্রধানশিক্ষক, কাবিলপুর হাইস্কুল
ব্রিটিশ ভারতে ১৮৮৫ সালে একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। এটা ছিল হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান ও শিখ সহ সকল সম্প্রদায়ের একটি সম্মিলিত সংগঠন। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ভারতের সমস্ত মানুষের হয়ে ব্রিটিশ প্রশাসনের কাছে দাবি দাওয়া উত্থাপন করার একটা 'কমন প্ল্যাটফর্ম'। মুসলমানদের একাংশ ১৯০৬ সালে গঠন করে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ। নামকরণের মধ্যেই সংগঠনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট; শুধুমাত্র মুসলিম সমাজের স্বার্থ রক্ষা। মুসলিম লীগ লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে। মুসলিম লীগের পাল্টা হিসেবে ১৯১৫ সালে গড়ে ওঠে অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা। এক্ষেত্রেও নামকরণেই পরিষ্কার হয়ে যায় যে, সকল ভারতীয় নয়, শুধুমাত্র হিন্দুদের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করাই হল এদের উদ্দেশ্য। ১৯২৫ সালে গঠিত হয় হিন্দুত্ববাদী সাংস্কৃতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। পরাধীন ভারতে ১৯৩৫ সাল থেকে যে নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হয় সেগুলোতে মুসলমান অধ্যুষিত এলাকায় মুসলিম লীগ মোটামুটি ভালো ফল করলেও হিন্দু মহাসভা কিন্তু খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। স্বাধীন ভারতে ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের ঠিক আগে ১৯৫১ সালে গঠিত হয় আরেকটি হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনসঙ্ঘ। ১৯৮০ সাল থেকে এটিরই নাম হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আরএসএস-বিজেপি হিন্দুদের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার পাশাপাশি মতাদর্শগতভাবে কমিউনিস্টদের আর জাতিগতভাবে মুসলমানদের বিষ-নজরে দেখে। এর কারণ হল, কমিউনিস্টরা জাতি-ধর্মের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে বিভাজন করার ঘোরতর বিরোধী এবং সবসময়ই ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সওয়াল করে। অন্যদিকে, কয়েক শত বছর ধরে মুসলমানরা হিন্দুদের প্রধান প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস করছে। ধর্মভিত্তিক ভিন্নতার কারণে হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে তাকে বিভেদ ও বিদ্বেষে পর্যবসিত করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলা এবং অহিন্দুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে রূপান্তরিত করে ভারতকে একটা মনুবাদী হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করাই হল সঙ্ঘ পরিবারের চূড়ান্ত লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই তারা কাজ করে যাচ্ছে এবং সাফল্যও পাচ্ছে। এই সাফল্যের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বিজেপি সরকারকে হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলার পাশাপাশি দেশবাসীর মধ্যে উগ্ৰ দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের সঙ্গে সামরিক সংঘর্ষ আহ্বান করতে দেখা যায়। দেশের অভ্যন্তরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হলে এবং সীমান্তে অশান্তি দেখা দিলে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পায়। কয়েকটা উদাহরণ দেওয়া যাক।
১৯৯৬ সালে ১৩ দিন প্রধানমন্ত্রী থাকার পর সঙ্ঘ পরিবারের সন্তান অটলবিহারী বাজপেয়ী ১৯৯৮ সালের মার্চ মাসে আবার সরকার গঠন করেন। কিন্তু জোট সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে সূচনা থেকেই সংশয় দেখা দেয়। সেজন্য দেরি না করে তিনি মে মাসেই রাজস্থানের পোখরানে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু যে পাকিস্তানকে ভয় দেখাতে বোমা ফাটানো হয়, সেই পাকিস্তানের অন্নের অভাব থাকলেও অস্ত্র রয়েছে যথেষ্ট। সেও একটি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র এবং সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদ তার নিত্যসঙ্গী। প্রকৃতপক্ষে, পাকিস্তানে এখনও গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেনি। সেজন্য, সেখানে সেনাবাহিনী প্রায়ই রাষ্ট্র ক্ষমতার দখল নেয়। সুতরাং, গোলাবারুদের লড়াইয়ে পাকিস্তানের অরুচি নেই। তাই তারা পোখরানের পাল্টা বিস্ফোরণ ঘটাতে বিলম্ব করেনি। এরপর ১৯৯৯ সালের মে-জুলাইয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কার্গিলে কাজিয়া চলে আর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয় লোকসভার অন্তর্বর্তী নির্বাচন। বিজেপির হিসাব মিলে যায় এবং তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। প্রচুর সেনার প্রাণের বিনিময়ে কার্গিল যুদ্ধে অর্জিত সাফল্য বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে প্রভূত পরিমাণে সাহায্য করে। তবে একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা না থাকলেও কার্গিল যুদ্ধের কাহিনী কিন্তু সমর বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য হয়নি। শুধু তাই নয়, কার্গিল যুদ্ধের শহীদ সেনাদের জন্য কফিন কেনা নিয়েও আর্থিক কেলেঙ্কারি ঘটে। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে পাক-জঙ্গিরা ভারতের একটি যাত্রীবাহী বিমান অপহরণ করে কাঠমাণ্ডু থেকে কান্দাহারে নিয়ে যায়। এটাই ছিল ভারতের কোনো অসামরিক বিমান অপহরণের প্রথম ঘটনা। ২০০১-এর ডিসেম্বরে খোদ সংসদ ভবনের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়। ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গায় ব্যাপকভাবে জীবনহানি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। বিজেপির নেতানেত্রীরা প্রত্যক্ষভাবে এই দাঙ্গায় জড়িত ছিলেন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মহারাষ্ট্রের মালেগাঁও বিস্ফোরণের অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রী বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞার মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা এন আই এ।
২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দশ বছর কংগ্রেসের ডঃ মনমোহন সিং পরিচালিত সরকারের আমলে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে দেখা যায়নি এবং ভারত-পাক সম্পর্ক অনেকটাই স্বাভাবিক থেকেছে। কিন্তু বিজেপির নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হবার পর কাশ্মীরে একের পর এক সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ঘটতে থাকে এবং ভারত-পাক সম্পর্কে চাপান-উতোর শুরু হয়। ভারতের ভ্রমণপ্রিয় ও 'নন- বায়োলজিক্যাল' প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিনা আমন্ত্রণেই বিরিয়ানি খেতে ইসলামাবাদ চলে যান। কিন্তু মোদীজির এই 'মাস্টার স্ট্রোক'-এর কয়েকদিন পরেই ২০১৬ সালের পয়লা জানুয়ারি 'নববর্ষের শুভেচ্ছা' জানাতে পাঞ্জাবের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে পাক-জঙ্গিরা হামলা চালায় এবং কয়েকদিন ধরে গোলাগুলি চলে। ওই বছরই সেপ্টেম্বর মাসে জম্মু-কাশ্মীরের উরির সেনা ছাউনিতে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়। কয়েক দিনের মাথায় মোদী সরকার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে জঙ্গি হানার বদলা নেওয়ার দাবি করে। কিন্তু সেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরেও কুপওয়ারা, নাগরোটা প্রভৃতি সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলা হতে দেখা যায়।
সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের এপ্রিল-মে মাসে। ঠিক তার কয়েক দিন আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি 'প্রেম দিবস'-এ পুলওয়ামা কাণ্ড ঘটে। ২৫০০ সেনা ও ৭৮টি গাড়ির কনভয়ের মধ্যে একজন জঙ্গি বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়ে এবং ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে প্রাণ হারান প্রায় অর্ধশত সৈনিক, আহত হন আরও অনেকেই। নরেন্দ্র মোদীর আমলে ফ্রিজের মধ্যে থাকা সামান্য গোমাংসের সন্ধান পাওয়া যায় কিন্তু বিভিন্ন সেনানিবাস ও সীমান্ত সন্ত্রাসবাদী হামলার নিশানা হলে তা সময় থাকতে টের পাওয়া যায় না! পুলওয়ামা কাণ্ডে শহীদের মৃত্যুবরণ করলেন সেনারা আর তার রাজনৈতিক ফায়দা তুললেন নরেন্দ্র মোদী। বিজেপির আসনসংখ্যা বাড়ল এবং তিনি পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত ওই ঘটনার সরকারি তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়নি। বরং অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তির বিশ্লেষণে ওই ঘটনায় সরকারি ষড়যন্ত্রের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়। কাশ্মীরের মানুষের বিক্ষোভকে দমন করে 'শ্মশানের শান্তি' কায়েম করা হয়। এহেন কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে গত ২২শে এপ্রিল জঙ্গিহানায় প্রাণ হারালেন অন্তত ২৬জন পর্যটক। জঙ্গিদের তল্লাশিতে বেরিয়ে ২৪ তারিখ শহীদ হলেন ঝণ্টু আলী শেখ নামের একজন জওয়ান। প্রশ্ন হল, সীমান্ত সহ সমগ্ৰ জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র বিভাগের। বলা হয় থাকে, উপত্যকায় প্রতি দশজন মানুষ পিছু একজন সেনা মোতায়েন রয়েছেন। তারপরও জঙ্গিহানা হতে পারছে কি করে? জঙ্গিরা কোথা থেকে আসছে? কোথায় লুকাচ্ছে? এতদিন জঙ্গিদের ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করা হত। এবার মৃত ব্যক্তিদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও প্রচার করা শুরু হল। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার দামামা যথারীতি বাজছে। আসলে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির কারবারীরা ভালোভাবেই জানে যে, ভূস্বর্গে সত্যিকারের শান্তি বিরাজ করলে পাকিস্তানের সঙ্গে বিবাদ করার সুযোগ সংকুচিত হবে আর পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষ না হলে অথবা সেই সংঘর্ষে ভারতীয় সেনাদের প্রাণহানি না হলে দেশজুড়ে জাতীয়তাবাদের তীব্র আবেগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না। ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে ভারতীয় মুসলমানদের পাকিস্তানপন্থী বলে দেগে দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি ও বৃদ্ধি করা সহজ হয়। ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে আরও প্রান্তিক করে দেওয়ার চেষ্টা সফল হয়। অন্যদিকে, দেশবাসীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, কর্মসংস্থান সহ সামগ্ৰিক উন্নয়নের মৌলিক বিষয়গুলোকে আলোচনার অগ্ৰাধিকার থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে সরকারের সমালোচনা করা থেকে সকলেই বিরত থাকে। সুতরাং, শাসক বিজেপির একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কায়েম করতে দেশে সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রয়োজন রয়েছে!
গত এগারো বছরে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে মোদী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। বিদেশ থেকে হিসাব বহির্ভূত সম্পদ উদ্ধার করে প্রতিটি নাগরিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পনেরো লাখ টাকা দেওয়া সহ অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি 'জুমলা' বলে প্রমাণিত হয়েছে। নোট বন্দির মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদীদের কোমর ভেঙে দেওয়ার দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু ঘটেনি। বরং নোট বন্দির ফলে দেশের সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্ৰস্ত হয়েছে। দেশে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ হয়েছে। আর্থিক বৈষম্য বেড়েছে। বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারতের অবনমন ঘটেছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচকেও বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রটির পতন হয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন প্রণয়ন করে ভারতীয় সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে জলাঞ্জলি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন, সিবিআই, ইডি প্রভৃতি স্বশাসিত সংস্থার স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্ৰহণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। ওয়াকফ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে মুসলিম সমাজকে তাদের ধর্মীয় সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আগেই তিন তালাক আইন প্রণয়ন করে মুসলমানদের বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এরপর হয়তো অভিন্ন দেওয়ানী বিধি প্রবর্তন করার চেষ্টা করা হবে। মুখে 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ'-এর কথা বলা হলেও সত্যিকারের উন্নয়ন ও সুশাসন কোনো সাম্প্রদায়িক সরকারের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। তাই সঙ্ঘ পরিবার যতদিন শক্তিশালী থাকবে ততদিন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি হিন্দু-মুসলমান, মন্দির-মসজিদ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও সন্ত্রাসবাদী হামলার চক্রব্যূহ থেকে বেরোতে পারবে না। হিন্দুত্ববাদীদের হিংস্রতা বাড়লে মুসলিম মৌলবাদী সংগঠনগুলোর সক্রিয়তাও বৃদ্ধি পায়। এজন্য হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের অতিরিক্ত ধর্মীয় আবেগের অন্তর্ধান অত্যন্ত জরুরি। 'হিন্দু ঐক্য জিন্দাবাদ' অথবা 'মুসলিম ঐক্য জিন্দাবাদ' বিপজ্জনক স্লোগান। কোনো রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক অথবা সামাজিক সংগঠন যেন ধর্মের নামে মানুষকে 'মুরগি' বানাতে না পারে, এই সচেতনতা অর্জন করতে হবে। অন্ধ আবেগ নয়, প্রতিটি বিষয়কে যুক্তির আধারে বিচার বিবেচনা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
১১:১৮ এএম, ৪ মে ২০২৫ রোববার
POEM - MORE THAN EVER BEFORE !
MORE THAN EVER BEFORE !
Dr Prasana Kumar Dalai (India)
The Goddess of purity you are to me
I do hatch pain and my pleasure as well
My sleep often breaks for the first time
And I see the morn by rubbing my eyes
The sun light becomes brighter with you
My day rises from behind the thin clouds
The moonlight soothes with all the grace
My vibrant mood is hiding nearby me
If you met me, sadness would be mine
I would console you though I'm broken
My stars break to start falling nonstop
I want your novice heart more and more
It incubates in me more than ever before.
©️®️Dr Prasana Kumar Dalai@India
১০:২৪ এএম, ৪ মে ২০২৫ রোববার
Poem - When Morning Bore Thee Away
When the Silence Spoke
Dr. Omatee Ann Marie Hansraj (Trinidad and Tobago)
Today in reflection,
As I recall so many years ago,
My life changed forever—
Now a widow, now a single parent,
My kids lost their father,
No one to call "Daddy" anymore.
Hearts broken, tears endlessly flow,
A husband so dear,
Now walking a different path,
And I—on my own—
With a hollow space in my heart
No one truly understands.
So many things still left to do,
So many dreams unfulfilled,
So many words remained unspoken,
So many memories we never got to make.
But here I stand—
On a path that few can understand.
I recall the day so clearly,
When the doctor said,
"Take him home… let him rest in peace.
There is nothing more we can do."
We stared back, speechless,
Refusing to believe those words.
With every ounce of hope,
I called doctors far and near,
Nursing homes, hospitals—
Locally and beyond—
Clinging to a hope that refused to die,
Still doubting what the doctor said.
But you grew weaker,
Your body quiet and still,
No strength, no voice,
Just silence…
You were still with us,
But
১০:১৮ এএম, ৪ মে ২০২৫ রোববার
Poem - Lyrics of humanity, Poet:- Dr. Laxmikanta Dash, India
Title:- Lyrics of humanity
Poet:- Dr. Laxmikanta Dash, India
Humanity has soothing lyrics
Its sensation gives beautiful music
Fragrance sprouts from humanity region
Everyone gets energetic with healthy satisfaction.
Rhymes of humanity gives natural emotion
Its soft tune invokes divine integration
Summary of humanity generates world happiness
Sublime the style of life for happiness.
Relentless mentality has no place in humanity
Its lyric is full of heavenly integrity
Everyone sings its lovely tender note
Its emergence gives life a beautiful quote.
We can acquire its lyrics by noble learning
It upheavels life with natural setting
Pure thought makes life humanitarian ideology
Its lyrics spread with joy by epistemology.
Copyright ©️ reserved.
১০:১৪ এএম, ৪ মে ২০২৫ রোববার
মানুষকে অভয়বাণী দিতে ধুলিয়ানে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরলেন জঙ্গিপুরের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার, ও আইসি দিলেন আশ্বাস
০৭:৪৮ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৫ মঙ্গলবার
রাত আড়াইটে থেকে জ্বলছে মুম্বইয়ের ইডি দফতর
মুম্বইয়ের ইডি দফতরে গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুন লেগেছে। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনও ধোঁয়া রয়েছে। দফতরে মজুত বহু নথিপত্র পুড়ে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।
০৮:৪৭ এএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ রোববার
মালদার অমৃতির সেকেন্দারপুরে গ্রাম পাহারা দেওয়ার সময় যুবক খুনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার
১০:২১ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২৫ শনিবার
অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র
অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র
কলকাতা: ১৪ এপ্রিল বাবাসাহেব ড. বি আর আম্বেদকর স্মরণে কলকাতার মৌলালীর রাজ্য যুব কেন্দ্রের স্বামী বিবেকানন্দ কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের পরিচালনায় সারাদিনব্যাপী গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র। এদিন সকাল ১০টা নাগাদ সভার উদ্বোধন করা হয় গাছে জল দিয়ে এবং ১৫ জন বিশিষ্টজনের টর্চ লাইটের আলোয় দূষণ মুক্ত ও নীরোগ পৃথিবীর কামনা করে। এদিন বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদান করা হয় বিভিন্ন সন্মাননা - 'আম্বেদকর সমাজ আচার্য' ১৫ জনকে, 'আম্বেদকর স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১৭ জনকে, গৌতম বুদ্ধ স্মৃতি স্বর্ণপদক ৭ জনকে, গুরুচাঁদ স্মৃতি স্বর্ণপদক ১০ জনকে, 'কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১২ জনকে, 'মহাপ্রাণ স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১২ জনকে, 'কৃত্তিবাস স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১০ জনকে, 'সমাজ রত্ন' ৩৫ জনকে, 'সাহিত্যিক রত্ন' ১৬ জনকে, 'কবি রত্ন' ১৮ জনকে, 'সাংবাদিক রত্ন' ১০ জনকে, 'শিল্পী রত্ন' ১৫ জনকে এবং 'শ্রেষ্ঠ সমাজ সেবক' ৭ জনকে। উপস্থিত কয়েকজন সন্মাননা প্রাপকগণ: - কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি স্বর্ণপদক পান কবি মোঃ ইজাজ আহামেদ, সমাজ রত্ন পান এইচ এম রিয়াজুল হক, মোহাম্মাদ আলিউল হক সহিত্যিক রত্ন পান সত্যজিৎ সেন, সৈয়দ শীষমহাম্মদ, মুহা আকমল হোসেন, সামসুদ্দিন বিশ্বাস, , কবি রত্ন পান আয়েশা সিদ্দিকা, সুলতানা পারভিন, আলী সোহরাব, অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ সোফিয়া নওয়াজ, প্রিয়াংকা নিয়োগী, সাংবাদিক রত্ন পান সইদুল ইসলাম, হামিম হোসেন মণ্ডল প্রমুখ। উপস্থিত সকল গুণীজনদের উক্ত সন্মাননাগুলি দিয়ে ভূষিত করা হয়। তেরটি বিভাগে মোট ১৭০ জন গুণীজনদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মন, নমঃশুদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ডের চেয়ারম্যান মুকুল চন্দ্র বৈরাগ্য, সায়েদা বেগম, ডঃ গোপাল ক্ষেত্রী, স্বামী সর্বসুখানন্দ, স্বামী অচ্যুদানন্দ, দীপা দাস, ব্রহ্মকুমারী পিঙ্কি, আচার্য পৃথ্বীরাজ সেন, আচার্য অরূপ মিত্র, পদ্মশ্রী রতন কাহার, পদ্মশ্রী গোকুল চন্দ্র দাস, নূরনবী জমাদার, দেবকন্যা সেন, ডঃ সমীর শীল, মনোরঞ্জন মন্ডল, যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ প্রীতিকুমার রায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ মোস্তাক আহমেদ, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ প্রহল্লাদ রায়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরাধা বিশ্বাস, ডাঃ হাসিবুর রহমান চৌধুরী, দানবীর অমর চাঁদ কুন্ডু, সুখেন মজুমদার, বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী নির্মল কুমার মাজি, অধ্যাপক ডঃ আশীষ সানা, ডঃ প্রহল্লাদ রায়, আইআইটিয়ান বিষ্ণুপদ টিকাদার, ডঃ সুশান্ত কুমার মন্ডল, ডাঃ মঞ্জুশ্রী সরকার বসু, ডঃ চন্দ্র শেখর বাগ, কবি ও আইএএস সত্যজিৎ সেন, বিডিও এইচ এম রিয়াজুল হক, কবি ও সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, কবি ও সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদ, কবি আব্দুল করিম, কবি প্রিয়াঙ্কা নিয়োগী, কবি ও অধ্যাপক বিশ্বনাথ সাহা, কবি আয়েশা সিদ্দিকা, কবি সুলতানা পারভিন, কবি সৈয়দ সোফিয়া নওয়াজ, কবি সৈয়দ শীষমহাম্মদ, কবি ও সাংবাদিক হামিম হোসেন মণ্ডল, কবি সামসুদ্দিন বিশ্বাস, কবি ও সম্পাদক মুহা আকমাল হোসেন, কবি ও সম্পাদক মোহাম্মাদ আলিউল হক, কবি ও সম্পাদক আলী সোহরাব, সাংবাদিক গোপাল দেবনাথ, সাংবাদিক সইদুল ইসলাম প্রমুখ। স্বাগত ভাষণ দেন অনুষ্ঠান ও কলেজের সম্পাদক দিলীপ বিশ্বাস।
০৮:১০ এএম, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ বুধবার
অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র
অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র
কলকাতা: ১৪ এপ্রিল বাবাসাহেব ড. বি আর আম্বেদকর স্মরণে কলকাতার মৌলালীর রাজ্য যুব কেন্দ্রের স্বামী বিবেকানন্দ কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের পরিচালনায় সারাদিনব্যাপী গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র। এদিন সকাল ১০টা নাগাদ সভার উদ্বোধন করা হয় গাছে জল দিয়ে এবং ১৫ জন বিশিষ্টজনের টর্চ লাইটের আলোয় দূষণ মুক্ত ও নীরোগ পৃথিবীর কামনা করে। এদিন বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদান করা হয় বিভিন্ন সন্মাননা - 'আম্বেদকর সমাজ আচার্য' ১৫ জনকে, 'আম্বেদকর স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১৭ জনকে, গৌতম বুদ্ধ স্মৃতি স্বর্ণপদক ৭ জনকে, গুরুচাঁদ স্মৃতি স্বর্ণপদক ১০ জনকে, 'কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১২ জনকে, 'মহাপ্রাণ স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১২ জনকে, 'কৃত্তিবাস স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১০ জনকে, 'সমাজ রত্ন' ৩৫ জনকে, 'সাহিত্যিক রত্ন' ১৬ জনকে, 'কবি রত্ন' ১৮ জনকে, 'সাংবাদিক রত্ন' ১০ জনকে, 'শিল্পী রত্ন' ১৫ জনকে এবং 'শ্রেষ্ঠ সমাজ সেবক' ৭ জনকে। উপস্থিত কয়েকজন সন্মাননা প্রাপকগণ: - কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি স্বর্ণপদক পান কবি মোঃ ইজাজ আহামেদ, সমাজ রত্ন পান এইচ এম রিয়াজুল হক, মোহাম্মাদ আলিউল হক সহিত্যিক রত্ন পান সত্যজিৎ সেন, সৈয়দ শীষমহাম্মদ, মুহা আকমল হোসেন, সামসুদ্দিন বিশ্বাস, , কবি রত্ন পান আয়েশা সিদ্দিকা, সুলতানা পারভিন, আলী সোহরাব, অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ সোফিয়া নওয়াজ, প্রিয়াংকা নিয়োগী, সাংবাদিক রত্ন পান সইদুল ইসলাম, হামিম হোসেন মণ্ডল প্রমুখ। উপস্থিত সকল গুণীজনদের উক্ত সন্মাননাগুলি দিয়ে ভূষিত করা হয়। তেরটি বিভাগে মোট ১৭০ জন গুণীজনদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মন, নমঃশুদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ডের চেয়ারম্যান মুকুল চন্দ্র বৈরাগ্য, সায়েদা বেগম, ডঃ গোপাল ক্ষেত্রী, স্বামী সর্বসুখানন্দ, স্বামী অচ্যুদানন্দ, দীপা দাস, ব্রহ্মকুমারী পিঙ্কি, আচার্য পৃথ্বীরাজ সেন, আচার্য অরূপ মিত্র, পদ্মশ্রী রতন কাহার, পদ্মশ্রী গোকুল চন্দ্র দাস, নূরনবী জমাদার, দেবকন্যা সেন, ডঃ সমীর শীল, মনোরঞ্জন মন্ডল, যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ প্রীতিকুমার রায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ মোস্তাক আহমেদ, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ প্রহল্লাদ রায়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরাধা বিশ্বাস, ডাঃ হাসিবুর রহমান চৌধুরী, দানবীর অমর চাঁদ কুন্ডু, সুখেন মজুমদার, বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী নির্মল কুমার মাজি, অধ্যাপক ডঃ আশীষ সানা, ডঃ প্রহল্লাদ রায়, আইআইটিয়ান বিষ্ণুপদ টিকাদার, ডঃ সুশান্ত কুমার মন্ডল, ডাঃ মঞ্জুশ্রী সরকার বসু, ডঃ চন্দ্র শেখর বাগ, কবি ও আইএএস সত্যজিৎ সেন, বিডিও এইচ এম রিয়াজুল হক, কবি ও সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, কবি ও সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদ, কবি আব্দুল করিম, কবি প্রিয়াঙ্কা নিয়োগী, কবি ও অধ্যাপক বিশ্বনাথ সাহা, কবি আয়েশা সিদ্দিকা, কবি সুলতানা পারভিন, কবি সৈয়দ সোফিয়া নওয়াজ, কবি সৈয়দ শীষমহাম্মদ, কবি ও সাংবাদিক হামিম হোসেন মণ্ডল, কবি সামসুদ্দিন বিশ্বাস, কবি ও সম্পাদক মুহা আকমাল হোসেন, কবি ও সম্পাদক মোহাম্মাদ আলিউল হক, কবি ও সম্পাদক আলী সোহরাব, সাংবাদিক গোপাল দেবনাথ, সাংবাদিক সইদুল ইসলাম প্রমুখ। স্বাগত ভাষণ দেন অনুষ্ঠান ও কলেজের সম্পাদক দিলীপ বিশ্বাস।
০৮:০৭ এএম, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ বুধবার
অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র
অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র
কলকাতা: ১৪ এপ্রিল বাবাসাহেব ড. বি আর আম্বেদকর স্মরণে কলকাতার মৌলালীর রাজ্য যুব কেন্দ্রের স্বামী বিবেকানন্দ কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হল আম্বেদকর কালচারাল কলেজের পরিচালনায় সারাদিনব্যাপী গুণীজন সংবর্ধনা ও বিশেষ আলোচনা চক্র। এদিন সকাল ১০টা নাগাদ সভার উদ্বোধন করা হয় গাছে জল দিয়ে এবং ১৫ জন বিশিষ্টজনের টর্চ লাইটের আলোয় দূষণ মুক্ত ও নীরোগ পৃথিবীর কামনা করে। এদিন বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদান করা হয় বিভিন্ন সন্মাননা - 'আম্বেদকর সমাজ আচার্য' ১৫ জনকে, 'আম্বেদকর স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১৭ জনকে, গৌতম বুদ্ধ স্মৃতি স্বর্ণপদক ৭ জনকে, গুরুচাঁদ স্মৃতি স্বর্ণপদক ১০ জনকে, 'কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১২ জনকে, 'মহাপ্রাণ স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১২ জনকে, 'কৃত্তিবাস স্মৃতি স্বর্ণপদক' ১০ জনকে, 'সমাজ রত্ন' ৩৫ জনকে, 'সাহিত্যিক রত্ন' ১৬ জনকে, 'কবি রত্ন' ১৮ জনকে, 'সাংবাদিক রত্ন' ১০ জনকে, 'শিল্পী রত্ন' ১৫ জনকে এবং 'শ্রেষ্ঠ সমাজ সেবক' ৭ জনকে। উপস্থিত কয়েকজন সন্মাননা প্রাপকগণ: - কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি স্বর্ণপদক পান কবি মোঃ ইজাজ আহামেদ, সমাজ রত্ন পান এইচ এম রিয়াজুল হক, মোহাম্মাদ আলিউল হক সহিত্যিক রত্ন পান সত্যজিৎ সেন, সৈয়দ শীষমহাম্মদ, মুহা আকমল হোসেন, সামসুদ্দিন বিশ্বাস, , কবি রত্ন পান আয়েশা সিদ্দিকা, সুলতানা পারভিন, আলী সোহরাব, অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ সোফিয়া নওয়াজ, প্রিয়াংকা নিয়োগী, সাংবাদিক রত্ন পান সইদুল ইসলাম, হামিম হোসেন মণ্ডল প্রমুখ। উপস্থিত সকল গুণীজনদের উক্ত সন্মাননাগুলি দিয়ে ভূষিত করা হয়। তেরটি বিভাগে মোট ১৭০ জন গুণীজনদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মন, নমঃশুদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ডের চেয়ারম্যান মুকুল চন্দ্র বৈরাগ্য, সায়েদা বেগম, ডঃ গোপাল ক্ষেত্রী, স্বামী সর্বসুখানন্দ, স্বামী অচ্যুদানন্দ, দীপা দাস, ব্রহ্মকুমারী পিঙ্কি, আচার্য পৃথ্বীরাজ সেন, আচার্য অরূপ মিত্র, পদ্মশ্রী রতন কাহার, পদ্মশ্রী গোকুল চন্দ্র দাস, নূরনবী জমাদার, দেবকন্যা সেন, ডঃ সমীর শীল, মনোরঞ্জন মন্ডল, যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ প্রীতিকুমার রায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ মোস্তাক আহমেদ, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ প্রহল্লাদ রায়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরাধা বিশ্বাস, ডাঃ হাসিবুর রহমান চৌধুরী, দানবীর অমর চাঁদ কুন্ডু, সুখেন মজুমদার, বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী নির্মল কুমার মাজি, অধ্যাপক ডঃ আশীষ সানা, ডঃ প্রহল্লাদ রায়, আইআইটিয়ান বিষ্ণুপদ টিকাদার, ডঃ সুশান্ত কুমার মন্ডল, ডাঃ মঞ্জুশ্রী সরকার বসু, ডঃ চন্দ্র শেখর বাগ, কবি ও আইএএস সত্যজিৎ সেন, বিডিও এইচ এম রিয়াজুল হক, কবি ও সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, কবি ও সম্পাদক মোঃ ইজাজ আহামেদ, কবি আব্দুল করিম, কবি প্রিয়াঙ্কা নিয়োগী, কবি ও অধ্যাপক বিশ্বনাথ সাহা, কবি আয়েশা সিদ্দিকা, কবি সুলতানা পারভিন, কবি সৈয়দ সোফিয়া নওয়াজ, কবি সৈয়দ শীষমহাম্মদ, কবি ও সাংবাদিক হামিম হোসেন মণ্ডল, কবি সামসুদ্দিন বিশ্বাস, কবি ও সম্পাদক মুহা আকমাল হোসেন, কবি ও সম্পাদক মোহাম্মাদ আলিউল হক, কবি ও সম্পাদক আলী সোহরাব, সাংবাদিক গোপাল দেবনাথ, সাংবাদিক সইদুল ইসলাম প্রমুখ। স্বাগত ভাষণ দেন অনুষ্ঠান ও কলেজের সম্পাদক দিলীপ বিশ্বাস।
০৮:০৫ এএম, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ বুধবার
- পায়েলের জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ
- শিক্ষক দিবসে অভিনব উদ্যোগ
- ফরাক্কায় রেললাইন ধস, মেরামত চলছে জোরকদমে
- পাহাড়ি ঢলে জলমগ্ন নিশিন্দ্রা কাটান, বন্ধ ফরাক্কা-ঝাড়খণ্ড সড়ক যোগাযোগ
- পুলিশের গাড়ি থেকে দুই বাংলাদেশি বন্দি উধাও! ধাওয়া করে ধৃত এক, পলাতক অন্যজন
- নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আপ-ডাউন দুই লাইনেই ব্যাহত ট্রেন চলাচল
- পুঁটিমারি ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে ভয়াবহ ধস, রাস্তা জুড়ে মরণফাঁদ! চরম দুর্ভোগে ধুলিয়ান-ঝাড়খণ্ডগামী যাত্রীরা
- ১৫–০ ভোটে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান অপসারিত
- দুর্নীতির অভিযোগে ১৭ ভোটে অপসারিত প্রধান, ভাষাইপাইকড় পঞ্চায়েতে ভাঙল বোর্ড!
- মালদায় সমাজসেবায় দৃষ্টান্ত রোটারি ক্লাব অব সিল্ক সিটি
- হারানো ফোনের সন্ধানে পুলিশের সাফল্য, একসঙ্গে ৩০টি মোবাইল উদ্ধার
- সুতিতে টোটো থামাতেই চক্ষু চড়কগাছ! উদ্ধার ৭১২ বোতল ফেনসিডিল
- ধুলিয়ান পৌরসভায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল
- ডাঙায় উঠলেই অসহ্য জ্বালা, ৪ বছর ধরে পানিতেই ১৭ বছরের ইকবাল
- তিরঙ্গা যাত্রায় সামনের সারিতে হাঁটা নিয়ে বচসা, হাতাহাতি! আহত বিজেপি কর্মী
- নেতাজিকে নিয়ে মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজের ‘বঙ্গবিভূষণ’ প্রত্যাহার
- স্ত্রীর ভালবাসায় আস্ত ‘তাজমহল’ বানালেন প্রৌঢ়, খরচ আড়াই কোটি!
- এনআরএসে কর্তব্যরত নার্সের রহস্যমৃত্যু, তদন্ত শুরু স্বাস্থ্য দফতরের
- আবাস যোজনায় ৭০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ
- সাংবাদিক বাবুল হকের জীবনপঞ্জি:
মফস্বল সাংবাদিকতা থেকে সংবাদ প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার - মহাদেবনগর পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা হুঁশিয়ারি প্রধানের
- মহাদেবনগর পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা হুঁশিয়ারি প্রধানের
- সুতিতে আগ্নেয়াস্ত্র-বোমা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
- আহমদপুরে এডিআরএম-কে স্মারকলিপি
- ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা
- বাড়েনি বেতন, স্থায়ীকরণ দাবিতে সরব KGBV কর্মীরা
- কাদুয়া বিট হাউস পুলিশের অভিযানে ৪০টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার, ধৃত এক যুবক
- এক ব্যাগ রক্তে বাঁচল জীবন, সাগরদিঘীতে প্রশংসায় সিভিক কর্মী উদায়ুল ইসলাম
- ‘সাগরদিঘি সুপার কাপ’ ফুটবলের উন্মাদনা
- ‘সাগরদিঘি সুপার কাপ’ ফুটবলের উন্মাদনা
- ১৫–০ ভোটে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান অপসারিত
- নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আপ-ডাউন দুই লাইনেই ব্যাহত ট্রেন চলাচল
- ফরাক্কায় রেললাইন ধস, মেরামত চলছে জোরকদমে
- পাহাড়ি ঢলে জলমগ্ন নিশিন্দ্রা কাটান, বন্ধ ফরাক্কা-ঝাড়খণ্ড সড়ক যোগাযোগ
- পুঁটিমারি ব্রিজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে ভয়াবহ ধস, রাস্তা জুড়ে মরণফাঁদ! চরম দুর্ভোগে ধুলিয়ান-ঝাড়খণ্ডগামী যাত্রীরা
- পুলিশের গাড়ি থেকে দুই বাংলাদেশি বন্দি উধাও! ধাওয়া করে ধৃত এক, পলাতক অন্যজন
- শিক্ষক দিবসে অভিনব উদ্যোগ
- পায়েলের জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ















