বুধবার   ০৭ অক্টোবর ২০২৬   আশ্বিন ২১ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

আড়াই মাস পর রাজস্থান থেকে নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার সামশেরগঞ্জ পুলিশের

পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা

প্রকাশিত : ১০:৪৭ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার | আপডেট: ১০:৪৭ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার

`পুষ্প প্রভাত : সামশেরগঞ্জ মোহাঃ মাসুদ আলী

প্রায় আড়াই মাস ধরে নিখোঁজ থাকার পর সুদূর রাজস্থান থেকে এক নাবালিকাকে উদ্ধার করলো সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। কাটলো পরিবারের দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা। স্বস্তির নিশ্বাস। সামসেরগঞ্জ থানার আইসি কুনাল কান্তি দাসের তৎপরতা এবং দক্ষ নেতৃত্বে বড়সড় সাফল্য পেল সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। প্রায় আড়াই মাস ধরে নিখোঁজ থাকা এক নাবালিকাকে সুদূর রাজস্থান থেকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে স্বস্তি ফিরিয়ে দিল পুলিশ। বাড়ির মেয়েকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত পরিবার। পুলিশের এই সাফল্যের জন্য বিশেষভাবে আইসি কুনাল কান্তি দাসের প্রশংসা করেছেন পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে ধুলিয়ান পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের শামসেরগঞ্জ ফিল্ড এলাকার বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় ওই নাবালিকা। মেয়েকে খুঁজে পেতে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে খোঁজাখুঁজি করলেও কোনও সন্ধান মেলেনি। শেষ পর্যন্ত সামসেরগঞ্জ থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত এফআইআর দায়ের করেন পরিবারের সদস্যরা।এর মাঝেই সামসেরগঞ্জ থানায় রদবদল হয়। নতুন আইসি হিসেবে দায়িত্ব নেন কুনাল কান্তি দাস। নিখোঁজ নাবালিকার বিষয়টি তাঁর নজরে আসতেই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেন তিনি। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার আইপিএস সুরিন্দর সিংহের তত্ত্বাবধানে এবং আইসি কুনাল কান্তি দাসের নেতৃত্বে নাবালিকাকে উদ্ধারের জন্য বিশেষ তৎপরতা শুরু করে পুলিশ।  সামসেরগঞ্জ থানার এসআই প্রশান্ত কুমার দাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তদন্তে নামে। উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখে নাবালিকার লোকেশন ট্র্যাক করা হয়। তদন্তে তার অবস্থান রাজস্থানে বলে জানতে পারে পুলিশ। এরপর দ্রুত রাজস্থানে পৌঁছে দিগ জেলা থেকে নাবালিকাকে উদ্ধার করে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। মঙ্গলবার নাবালিকাকে সামসেরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাকে বহরমপুরের একটি হোমে পাঠানো হয়েছে। ধুলিয়ান থেকে কীভাবে ওই নাবালিকা সুদূর রাজস্থানে পৌঁছল, তার সঙ্গে কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং ঘটনার নেপথ্যে আসল রহস্য কী, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ মেয়েকে প্রযুক্তির সাহায্যে রাজস্থান থেকে উদ্ধার করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোয় সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে দায়িত্ব নেওয়ার পরই মামলাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করায় আইসি কুনাল কান্তি দাসের প্রশংসা করেছেন নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা। মেয়েকে ফিরে পেয়ে অবশেষে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে অসহায় পরিবার।