বৃহস্পতিবার   ২৫ জুন ২০২৬   আষাঢ় ১০ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

কালিয়াচক কলেজে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি স্মারক বক্তৃতা

পুষ্প প্রভাত ডেস্ক

পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা

প্রকাশিত : ০৯:৩৪ এএম, ২৪ জুন ২০২৬ বুধবার | আপডেট: ০৯:৩৪ এএম, ২৪ জুন ২০২৬ বুধবার

কালিয়াচক কলেজে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত

 

বৈষ্ণবনগর, ২৩ জুন: কালিয়াচক কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সম্মানীয় ‘ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি স্মারক বক্তৃতা’। এবারের বক্তৃতার মূল বিষয় ছিল ‘ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জীবন ও কর্ম’। কলেজের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষানুরাগীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালিয়াচক কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর নাজিবর রহমান। সভাপতির ভাষণে তিনি ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির শিক্ষাবিদ ও জাতীয় নেতা হিসেবে অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, “ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ছিলেন একজন দূরদর্শী শিক্ষাবিদ এবং অগ্রণী জাতীয়তাবাদী নেতা। তাঁর আদর্শ ও শিক্ষাদর্শন বর্তমান প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। ছাত্র-ছাত্রীদের তাঁর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানার পাশাপাশি দেশের সেবায় আত্মনিয়োগের মানসিকতা গড়ে তোলা প্রয়োজন।”

 

স্মারক বক্তৃতার মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডক্টর বিজয়া মিশ্র। তিনি তাঁর তথ্যসমৃদ্ধ ও বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্যে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি-র বহুমুখী কর্মজীবন, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁর ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

 

ডক্টর মিশ্র বলেন, “বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির অবদান অনস্বীকার্য। একজন প্রখ্যাত আইনবিদ, শিক্ষাবিদ ও সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছেন, তা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণা ও আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।”

 

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গজেন বারুই। তাঁকে সহযোগিতা করেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও আইকিউএসি (IQAC) কো-অর্ডিনেটর ডক্টর সৌরভ পাল।

 

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কলেজ চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রায় শতাধিক শ্রোতার উপস্থিতিতে আয়োজিত এই স্মারক বক্তৃতা জ্ঞানচর্চা, ইতিহাসচেতনা এবং জাতীয় ব্যক্তিত্বদের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানের শেষে বক্তা ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জীবনাদর্শ সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তি ঘটে।