বুধবার   ০৬ মে ২০২৬   বৈশাখ ২৩ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

উমরপুর মোড় থেকে লালগোলা পর্যন্ত চার লেন সড়ক নির্মাণে চাপ দিলেন সাংসদ খলিলুর রহমান

পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা

প্রকাশিত : ০৯:১২ এএম, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ শুক্রবার | আপডেট: ০৯:১২ এএম, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ শুক্রবার

জঙ্গিপুর: মুর্শিদাবাদ জেলার উমরপুর মোড় (এনএইচ-১২) থেকে জঙ্গিপুর শহর হয়ে লালগোলা ব্লক পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়ে জেলা পিডব্লিউডি তথা পূর্ত দপ্তরকে চিঠি দিলেন জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ খলিলুর রহমান। পূর্ত দপ্তরে পাঠানো ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, খড়খড়ি, দাদা ঠাকুর মোড়, সাইদাপুর মোড় এবং জঙ্গিপুর শহর হয়ে লালগোলার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির অবস্থা ভীষণ শোচনীয়। তাই দ্রুত প্রশস্তকরণ ও পুনর্নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি।

চিঠিতে সাংসদ জানান, জঙ্গিপুর মহকুমার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত, মহকুমা হাসপাতাল, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার-হাট এবং আন্তঃব্লক যোগাযোগ—সবক্ষেত্রেই এই রাস্তাটি অপরিহার্য। অথচ বর্তমানে দুই লেনের রাস্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, সরু এবং যানজটে জর্জরিত। এর ফলে প্রায়শই যানজট তৈরি হচ্ছে, দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ছে এবং বিশেষত অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে গুরুতর বিঘ্ন ঘটছে। প্রতিদিন বাড়তে থাকা যানবাহনের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। তাই ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে এই সড়ক সংস্কার এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও লিখেছেন, বর্তমান দুই লেনের রাস্তাটিকে চার লেনে উন্নীত করা গেলে শুধুমাত্র যান চলাচলই নির্বিঘ্ন হবে না, এলাকার সামাজিক ও ভৌগলিক অগ্রগতিও ত্বরান্বিত হবে। জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং যাতায়াতের গুরুত্ব বিবেচনা করে সঠিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং মানসম্পন্ন নির্মাণসহ একটি নতুন চার লেনের রাস্তা তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

চিঠিতে সাংসদ খলিলুর রহমান অনুরোধ জানিয়েছেন—উমরপুর (এনএইচ-১২) থেকে লালগোলা ব্লক পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প (দুই লেন থেকে চার লেন) দ্রুত অনুমোদন করার জন্য। পাশাপাশি নতুন রাস্তা নির্মাণের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর) প্রস্তুত ও অনুমোদনের উদ্যোগ নিতে পূর্ত দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। রাজ্য বা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আওতায় এই কাজ দ্রুত শুরু করার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করেন।তার বক্তব্য, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি হবে, যানজট কমবে এবং মুর্শিদাবাদের সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীলরা—সমস্যা দূর হবে।