সোমবার   ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ভাদ্র ২২ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

সুনীল চৌধুরীর আহ্বানে একত্র ফারাক্কা, শুভ বিজয়া সম্মেলনীতে সম্প্রীতির সুর

পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা

প্রকাশিত : ০৫:০৬ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০২৫ সোমবার | আপডেট: ০৫:০৬ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০২৫ সোমবার

ফারাক্কা:  রবিবার বিকেল চারটের সময় ফারাক্কা বিধানসভার তারাপুর এলাকায় বিশিষ্ট সমাজসেবী ও দানবির সুনীল চৌধুরীর উদ্যোগে ফারাক্কার পুজো কমিটির সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো এক মহতী শুভ বিজয়া সম্মেলনী। ধুমধাম করে, আনন্দ-উল্লাসে ও অসংখ্য মানুষের উপস্থিতিতে শেষ হলো এই বছরের বিজয়া উৎসবের পর্ব। দুর্গাপুজো পরবর্তী এই মিলনমেলার মূল উদ্দেশ্য— সমাজে ভাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করা। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহু গুণীজন ও অতিথিবৃন্দ, যাঁদের হাত ধরে একে অপরের সঙ্গে মেলবন্ধনের নতুন অধ্যায় রচিত হলো। নারী-পুরুষ, প্রবীণ-যুবা— সকল স্তরের মানুষ একত্রে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানটিকে সফল করে তুলেছেন। সমাজসেবী সুনীল চৌধুরী জানান, এই বিজয়া সম্মেলনীর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও গভীর হবে। আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকি— সুখে-দুঃখে, আনন্দে-অশ্রুতে। আগামীতেও সাধারণ মানুষের পাশে থাকবো।তাঁর পুত্রও বাবার মানবিক কাজের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন,ছোটবেলা থেকে দেখেছি দাদুকে, আর এখন বাবাকে মানুষের পাশে থাকতে। তাঁদের পথই আমার অনুপ্রেরণা। সর্বক্ষণ আমিও মানুষের পাশে থাকবে। আজকের এই উৎসব মানুষের মুখের হাসি দেখে সত্যিই খুবই ভালো লাগলো”অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবী সুনীল চৌধুরী, কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সুনীল চৌধুরীর পুত্র সোমনাথ চৌধুরী, অমিত তেওয়ারি,বাবলু মন্ডল, জীবন চৌধুরী, সুমন্ত সরকার , ও একাধিক বিশিষ্ট জনেরা।এইভাবে তারাপুরের মাটিতে অনুষ্ঠিত হলো এক অনন্য বিজয়া সম্মেলনী, যা শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়— বরং মানুষের মনের মিলনের, ভালোবাসার, ও একতার এক ঐতিহাসিক প্রতিচ্ছাপের আলারণ ফেললেন সুনীল চৌধুরী।