সোমবার   ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ভাদ্র ২২ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে অজন্তা কোম্পানির জমকালো বিজনেস মিট,৩৫০ নতুন পণ্যের সম্ভার

পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা

প্রকাশিত : ১০:৩৩ এএম, ২০ জুলাই ২০২৫ রোববার | আপডেট: ১০:৩৩ এএম, ২০ জুলাই ২০২৫ রোববার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুর: শনিবার দুপুরে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহরে অনুষ্ঠিত হলো অজন্তা কোম্পানির এক বিশেষ বিজনেস মিট। এই কর্মসূচিতে মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও বীরভূম—এই তিন জেলার অজন্তা কোম্পানির ডিলার ও সাব-ডিলাররা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন মোট ১৫৫ জন ডিস্ট্রিবিউটর। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ধরনের উদ্যোগের লক্ষ্য হল ডিলারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, কোম্পানির আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা।এই বিজনেস মিটে কোম্পানির তরফে ৩৫০ ধরণের নতুন পণ্য বাজারে আনার ঘোষণা করা হয়। যার মধ্যে ছিল নানা ধরনের ফ্যাশনেবল ফুটওয়্যার—পুরুষ ও মহিলাদের জন্য জুতো, স্যান্ডেল, স্পোর্টস শু, এবং অন্যান্য আধুনিক ডিজাইনের পণ্য। বিপণনের দৃষ্টিভঙ্গি, ভোক্তাদের চাহিদা ও বাজার বিশ্লেষণকে মাথায় রেখেই এই নতুন পণ্যের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার আধিকারিকরা অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল সেরা পারফর্মিং ডিলারদের সম্মানিত করা। তিন জেলার মধ্যে ব্যবসায়িক দক্ষতা ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৫ জন ডিলারকে ‘বিজনেস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে সংস্থা।পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে মুর্শিদাবাদ জেলার ২ জন, নদিয়া জেলার ২ জন এবং বীরভূম জেলার ১ জন রয়েছেন। তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অজন্তা কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা সেলস ও মার্কেটিং সদস্যগণ।সাংবাদিকের সম্মুখে ধরমবীর জৈন জানান"২০২৬ সালে আমাদের কোম্পানি ৭০ বছরে পা দেবে। ইতিমধ্যেই গ্রাহকদের ভালোবাসা ও ডিলারদের নিরলস পরিশ্রমে আমরা অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছি। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য, ২০২৮ সালের মধ্যে ১০০০ কোটি টাকার ব্যবসায়িক টার্গেট পূরণ করা। সেই লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে চলেছি।"তিনি আরও জানান, কোম্পানি গ্রাহক সন্তুষ্টিকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেয় এবং তাই নিয়মিত নতুন ডিজাইন, উন্নত মান এবং প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য সরবরাহে অঙ্গীকারবদ্ধ। এবং বাজারে লঞ্চ হয়েছে অল্প দামের স্মার্ট শু,যা অত্যান্ত আরামদায়ক। বিজনেস  মিট অনুষ্ঠানে ধরমবীর জৈনের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অজন্তার অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার সিদ্ধার্থ, তিন জেলার শীর্ষ ডিলার, সাব-ডিলার এবং কোম্পানির অন্যান্য পদস্থ কর্তারা।সুদৃশ্য সজ্জা ও পেশাদার ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানটি এক উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। উপস্থিত ডিলারদের অভিমত, এ ধরনের সম্মেলন ভবিষ্যতের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।