সোমবার   ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ভাদ্র ২৩ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

আসামে ৭ বছরের শিশু সহ দুজনের মৃত্যুর পর শরীরে করোনা।

আবুল সাহিদ , শিলচর আসাম

পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা

প্রকাশিত : ১১:৩৭ পিএম, ২১ জুলাই ২০২০ মঙ্গলবার | আপডেট: ১১:৩৭ পিএম, ২১ জুলাই ২০২০ মঙ্গলবার

 

কাছাড় জেলায় দুই ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। তবে, এই দুজনের মৃত্যুর কারণ করোনা কিনা তা ঠিক করবে রাজ্য স্তরের ডেথ অডিট বোর্ড, এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যবিভাগের আধিকারিক সুমন চৌধুরী।
শিলচর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে খবর অনুযায়ী, সাত বছরের শিশু নিবাস রায়ের সোমবার রাতে মারা যায়। তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। সে নেফ্রাইটিস রোগে ভুগছিল, রাত সাড়ে দশটা নাগাদ তার হূদ্যন্ত্রের স্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করে। মৃত্যুর পর তার সোয়াব স্যাম্পল নেওয়া হয়, এবং জানা যায় তার শরীরে কোন ভাইরাসের সংক্রমণ রয়েছে। ফলে তার শেষকৃত্য বিশেষ কোভিড প্রটোকল মেনে করা হয়েছে।
অপর মৃত ব্যক্তি হলেন ৪৬ বছরের সামসুল ইসলাম। তার ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে এখনো কোনও বিষদ বৃত্তান্ত জানানো হয়নি। তবে জানা গেছে মৃত্যুর পর তার শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ লক্ষ্য করেছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে, কাছাড় জেলায় সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত আজকের দিনে আরও ৫৫ জনের দেহে কোরনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এর মধ্যে ৪৩ জন আসাম রাইফেলসের জওয়ান। আজ যাদের দেহে সংক্রমণ ধরা পড়েছে এর মধ্যে রয়েছেন তারাপুর এলাকার ৪০ বছরের রূপক গুহ ও ৫৫ বছরের দেবাশীষ পাল চৌধুরী ; প্রেমতলা এলাকার ৬ বছরের শিশু নবেন্দ্র কুমার অধিকারি , বিবেকানন্দ রোডের ১৬ বছরের কিশোর বিবেক শুক্লবৈদ্য; রাধা মোহন রোডের ৫৮ বছর বয়স্ক শুক্লা পাল ; জানিগঞ্জ বাজার এলাকার প্রিয়াঙ্কা পাল (২৩) ও গোপা পাল (৬২); বিধান সরণি, হাইলাকান্দি রোডের রৌশিক পাল (২০) ও রঞ্জন কুমার পাল (৫৬); রাধামাধব রোডের বিশাল কান্তি পাল (২৫)।