এনটিপিসি ফরাক্কার প্রশিক্ষণে ৩০ জনেরই চাকরি বৈষ্ণবন
এম আনোয়ার উল হক
পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা
প্রকাশিত : ০৪:৩৬ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৪:৩৬ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার
এনটিপিসি ফরাক্কার প্রশিক্ষণে ৩০ জনেরই চাকরি
বৈষ্ণবনগর, ১৩ অক্টোবর: দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে সাফল্য পেল এনটিপিসি ফরাক্কা। পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের প্রকল্প-প্রভাবিত গ্রামের ৩০ জন যুবক-যুবতীকে চার মাসের আবাসিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে চাকরির প্রস্তাবপত্র। প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে তিন তরুণীও রয়েছেন। ভুবনেশ্বরের সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ পেট্রোকেমিক্যালস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (সিপেট)-এ এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছিল।
‘মেশিন অপারেটর—ইনজেকশন মোল্ডিং’ প্রশিক্ষণে মেশিন পরিচালনা ও প্লাস্টিক প্রক্রিয়াকরণের হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে পুনে, আহমেদাবাদ, সানন্দ ও নাসিকের বিভিন্ন শিল্পসংস্থায় চাকরির সুযোগ পেয়েছেন প্রশিক্ষণার্থীরা। মেশিন অপারেটর, এক্সিকিউটিভ ও অ্যাসোসিয়েট পদে তাঁদের মাসিক সিটিসি প্যাকেজ ১৯,১৬৬ টাকা থেকে ৩১,৭৩৪ টাকা।
প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে গোড্ডার ১৮ বছরের আয়ুষ কুমার পুনেতে মেশিন অপারেটর পদে মাসিক ৩১,৭৩৪ টাকার চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন। অন্যদিকে, আন্ধুয়ার পীযূষ মণ্ডল এবং মালদার রিয়া ঘোষের মাসিক সিটিসি প্যাকেজ প্রায় ২১,৭৪৫ টাকা। রিয়া ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডে আইটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাঁর চাকরির সুযোগ গ্রামীণ এলাকার তরুণীদের শিল্পক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাকে তুলে ধরেছে।
গত ৬ অক্টোবর ভুবনেশ্বরের সিপেটে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে চাকরির প্রস্তাবপত্র তুলে দেন এনটিপিসি ফরাক্কার নির্বাহী পরিচালক তথা প্রকল্পপ্রধান দেবব্রত কর, উদিতা লেডিজ ক্লাবের সভানেত্রী সৌম্যা কর এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান আলোক কুমার রণবীর। প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে একটি করে স্যুটকেস ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর কিটও দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার এনটিপিসি ফরাক্কার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বছরে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়। এই ব্যাচের প্রশিক্ষণে খরচ হয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও বালিকা ক্ষমতায়ন-সহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিও চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি।
