শনিবার   ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ভাদ্র ২১ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

ক্যানিং হোমগার্ড মৃত্যু: সিট তদন্ত, এসআই পলাতক

পুষ্প প্রভাত ডেস্ক

পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা

প্রকাশিত : ০৭:০৭ পিএম, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার | আপডেট: ০৭:০৭ পিএম, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার

ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টারে মহিলা হোমগার্ড গুলজান পারভিন মোল্লা ওরফে রেশমি মোল্লার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করল জেলা পুলিশ। ছয় সদস্যের সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রূপান্তর সেনগুপ্ত। ঘটনায় অভিযুক্ত ক্যানিং থানার সাব-ইনস্পেক্টর সায়ন ভট্টাচার্য বর্তমানে পলাতক বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে রেশমির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার বাসিন্দা রেশমির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় তাঁর বোন রুকসানা খাতুন কোয়ার্টারে যান এবং দিদির দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ উদ্ধার করে।

মৃতার পরিবার আত্মহত্যার তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগ, রেশমিকে খুন করা হয়েছে। পরিবারের তরফে ক্যানিং থানার এক সাব-ইনস্পেক্টরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই পুলিশকর্মীর সঙ্গে রেশমির প্রণয়ঘটিত সম্পর্ক ছিল। তা প্রকাশ্যে আসার আশঙ্কায় তাঁকে খুন করে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খুন না আত্মহত্যা—তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। সিট তদন্তের মাধ্যমে সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দু’বছর আগে পঞ্চায়েত ভোটের সময় ভাঙড়ে রেশমির বাবা রশিদ মোল্লা খুন হন। সেই ঘটনার পর রাজ্যের উদ্যোগে রেশমি হোমগার্ডের চাকরি পান। বাবার মৃত্যুর ক্ষত না কাটতেই মেয়ের রহস্যমৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে