মঙ্গলবার   ১৬ জুন ২০২৬   আষাঢ় ৩ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

হারিয়ে যেতে বসা চুনো মাছ বাঁচাতে বাঁশদহ বিলে ‘খাল-বিল চুনো মাছ উৎসব’

পুষ্প প্রভাত ডেস্ক

পুষ্পপ্রভাত পত্রিকা

প্রকাশিত : ০৯:৫৫ পিএম, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৯:৫৫ পিএম, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার

হারিয়ে যেতে বসা চুনো মাছ বাঁচাতে বাঁশদহ বিলে ‘খাল-বিল চুনো মাছ উৎসব’

পূর্ব বর্ধমান, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫:

হারিয়ে যেতে বসা জলাশয় ও খাল-বিলের চুনো মাছ সংরক্ষণের লক্ষ্যে অভিনব উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী–১ নম্বর ব্লকের বাঁশদহ বিলের পাড়ে শুরু হয়েছে ‘খাল-বিল চুনো মাছ উৎসব’।

এই উৎসবে শুধু চুনো মাছ নয়, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠে-পুলি, প্রাণী পালন সংক্রান্ত প্রদর্শনী ও নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এ বছর এই উৎসব রজত জয়ন্তী বর্ষে পদার্পণ করল। গত ২৫ বছর ধরে নিয়মিত এই উৎসবের আয়োজন করে আসছেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের উপস্থিতি

২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তীর্থঙ্কর দত্ত, জেলাশাসক আয়েশা রানী এ, পুলিশ সুপার সায়ক দাস এবং ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন তিন অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ মেলায় পৌঁছন পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, সাংসদ শর্মিলা সরকার সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।

মৎস্যচাষিদের উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ

উৎসবকে কেন্দ্র করে মৎস্যচাষিদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ঘেরা পদ্ধতিতে মৎস্য চাষ প্রকল্পের সূচনা করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে খাল-বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করে চুনো মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

পরিযায়ী পাখি ও পর্যটনের সম্ভাবনা

প্রসঙ্গত, বাঁশদহ বিল এলাকা শীতের মরশুমে পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছরই বহু মানুষ পাখি দেখার উদ্দেশ্যে এখানে ভিড় করেন। বর্তমানে খাল-বিল চুনো মাছ উৎসব ঘিরে এলাকায় নতুন করে মানুষের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

তিন দিনব্যাপী উৎসব

আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর—এই তিন দিন ধরে চলবে খাল-বিল চুনো মাছ উৎসব।