শনিবার   ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ভাদ্র ২৭ ১৪৩৩   ২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

ইংল্যান্ডে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শহীদ ভারতীয় সেনার মূর্তি উন্মোচন

জাগরণ ডেস্ক

দৈনিক জাগরণ

প্রকাশিত : ০৪:০৬ পিএম, ৬ নভেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৪:০৬ পিএম, ৬ নভেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার

 

ভারতীয় শিখ সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার পাশাপাশি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শতবর্ষ স্মরণে স্মিথউইক শহরের প্রাণকেন্দ্রে এক শিখ সৈনিকের আবক্ষ মূর্তির উন্মোচন করল ব্রিটিশ প্রশাসন।

৪ নভেম্বর রোববার পশ্চিম মিডল্যান্ডসের হাই স্ট্রিটে উদ্বোধন হয় মূর্তিটির। ব্ল্যাক কাউন্টির শিল্পী লিউক পেরির তৈরি এই ভাস্কর্য দেখতে ভিড় জমে যায়।

দুই বিশ্বযুদ্ধে শামিল ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার আর্মির কয়েক লাখ সৈনিককে শ্রদ্ধা জানাতেই স্থাপন করা হয়েছে মূর্তিটি।  এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘লায়নস অব গ্রেট ওয়ার’।

স্মিথউইকের গুরু নানক গুরুদ্বার এবং স্থানীয় স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে মূর্তিটি।  হাই স্ট্রিট এবং টলহাউস ওয়ের মধ্যবর্তী স্থানে এটি বসানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গুরুদ্বারের সভাপতি যতীন্দর সিং বলেন, ‘আজ আমি অত্যন্ত গর্বিত।  শিখ সম্প্রদায় তথা দক্ষিণ এশিয়ার অবদান অতুলনীয়। এই মূর্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের সঙ্গে নয়া যোগসূত্র স্থাপিত হল। এতদিন পর্যন্ত বিশ্বযুদ্ধে শিখ তথা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার অবদান ইংল্যান্ডের ইতিহাসের পাতা থেকে হারিয়ে যাচ্ছিল।  কিন্তু, এবার তা ব্রিটিশ ইতিহাসে স্থান পেল।’

বিশ্বযুদ্ধে শিখ সৈনিকদের আত্মত্যাগের অবদান এই মূর্তির মাধ্যমে প্রতিফলিত হবে বলেও জানিয়েছেন এজবাস্টনের বার্মিংহাম কেন্দ্রের এমপি প্রীত কাউর গিল। তার কথায়, ‘ব্রিটিশ ভারতের একটা ছোট্ট অংশ হয়েও প্রথম বিশ্বযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল শিখ জনগোষ্ঠী।’ 

অন্যদিকে, স্থানীয় কাউন্সিলর তথা স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের নেতা স্টিভ এলিং বলেছেন, ‘দেশবাসীর আত্মবলিদানকে স্মরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

আর মূর্তি প্রসঙ্গে ভাস্কর পেরি বলেন, ‘যখন দেখি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ১০ লাখ ৫০ হাজার ভারতীয় সেনাকে পাঠানো হয়েছিল, তখন ভাবতেও অবাক লাগে যে এতদিন তাদের অবদানই আমাদের দেশে উপেক্ষিত থেকে গিয়েছে।’

প্রসঙ্গত, মূর্তিটির নির্মাণে ২০ হাজার পাউন্ড দান করছে গুরুদ্বার। মূর্তির নিচের গ্রানাইটের ভিত্তির উপর খোদাই করে লেখা রয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শামিল হওয়া সেনাদলের নাম।  সূত্র : বর্তমান পত্রিকা

আরএম/এফসি/এমটিআই