খাশোগির মরদেহ ফেরত চান তার ছেলেরা
জাগরণ ডেস্ক
দৈনিক জাগরণ
প্রকাশিত : ১১:৫৭ এএম, ৫ নভেম্বর ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ১১:৫৭ এএম, ৫ নভেম্বর ২০১৮ সোমবার
নিহত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির মরদেহ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তার দুই ছেলে আব্দুল্লাহ ও সালাহ।
রোববার (৪ নভেম্বর) মার্কিন নিউজ চ্যানেল সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারা এ দাবি জানান ।
সাক্ষাৎকারে সালাহ (৩৫) বলেন, বাবাকে আমরা মদিনার আল-বাকি কবরস্থানে আমাদের পূর্বপুরুষদের কবরের পাশে সমাহিত করতে চাই। আমি বিষয়টি সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি এবং আমি আশা করছি, তারা শিগগিরই আমার বাবার মরদেহ ফেরত দেবে।
খাশোগির আরেক পুত্র ৩৩ বছর বয়সী আব্দুল্লাহ বলেন, আমি সত্যিই আশা করি, বাবা কষ্ট পেয়ে মারা যাননি, তাকে দ্রুতই হত্যা করা হয়েছিলো এবং তার শান্তিপূর্ণ মৃত্যু হয়েছিল!
বাবাকে নির্ভীক, উদার ও অত্যন্ত সাহসী বলেও উল্লেখ করেন আব্দুল্লাহ।
গত মাসের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে ব্যক্তিগত কাগজপত্র আনার প্রয়োজনে গেলে নিখোঁজ হয়ে যান সাংবাদিক খাশোগি। এ ঘটনার পর থেকে তুরস্ক দাবি করে আসছিল- সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরেই জামাল খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে।
প্রথম দিকে অস্বীকার করে নানারকম কথা বললেও ঘটনার ১৭ দিন পর কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে খাশোগি নিহত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে সৌদি। তবে তারা দাবি করে, কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মারামারি করে নিহত হন এ সাংবাদিক।
এদিকে, তুরস্কের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর জানিয়েছিলেন, সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করা মাত্রই খাশোগিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।
তার মরদেহের একটি টুকরো কনস্যুলেটের ভেতরেই পাওয়া গিয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন তুরস্কের এক রাজনীতিবিদ। যদিও খাশোগির মরদেহের কোনো হদিস এখনও মেলেনি।
সৌদির ক্রাউন প্রিন্স সালমানের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা-নির্বাসিত খাশোগি ছিলেন বাদশাহ-যুবরাজসহ সৌদি রাজপরিবারের কট্টর সমালোচক।
